ঢাকা ০২:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৩ ইস্যুতে নির্বাচন কমিশন ভবন ঘেরাও কর্মসূচি ছাত্রদলের মানবিক বাংলাদেশ গড়ায় আপনাদের সহযোগিতা চাই : নজরুল ইসলাম জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময় আমির হামজার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকায় জুতার মালা ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলবে না আয়ারল্যান্ডও ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী

যে সূরা পাঠ করলে কখনই দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) যখন অন্তিম রোগশয্যায় শায়িত ছিলেন, তখন হজরত ওসমান (রা.) তাকে দেখতে যান।

এসময় তিনি জিজ্ঞেস করেন-

হজরত ওসমান: আপনার অসুখটা কি?

হজরত ইবনে মাসউদ: আমার পাপসমূহই আমার অসুখ।

হজরত ওসমান: আপনার বাসনা কি?

হজরত ইবনে মাসউদ: আমার পালনকর্তার রহমত কামনা করি।

হজরত ওসমান: আমি আপনার জন্যে কোন চিকিৎসক ডাকব কি?

হজরত ইবনে মাসউদ: চিকিৎসকই আমাকে রোগাক্রান্ত করেছেন।

হজরত ওসমান: আমি আপনার জন্যে সরকারী বায়তুল মাল থেকে কোন উপঢৌকন পাঠিয়ে দেব কি?

হজরত ইবনে মাসউদ: এর কোন প্রয়োজন নেই।

হজরত ওসমান: উপঢৌকন গ্রহণ করুন তা আপনার পর আপনার কন্যাদের উপকারে আসবে।

হজরত ইবনে মাসউদ: আপনি চিন্তা করছেন যে, আমার কন্যারা দারিদ্র ও উপবাসে পতিত হবে। কিন্তু আমি এমন চিন্তা করি না। কারণ, আমি কন্যাদেরকে জোর নির্দেশ দিয়ে রেখেছি যে, তারা যেন প্রতিরাত্রে সূরা ওয়াকিয়া পাঠ করে।

আমি রাসুলুল্লাহকে (সা.) বলতে শুনেছি, ‘যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা ওয়াকিয়া পাঠ করবে, সে কখনও উপবাস করবে না।’

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা ওয়াকিয়া তেলাওয়াত করবে তাকে কখনো দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না।

হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) তার মেয়েদেরকে প্রত্যেক রাতে এ সূরা তেলাওয়াত করার আদেশ করতেন। (বাইহাকি: শুআবুল ঈমান-২৪৯৮)

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাজার চাহিদার ভিত্তিতেই বিমানের বোয়িং কেনা: সিইও

যে সূরা পাঠ করলে কখনই দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না

আপডেট সময় ১০:০৪:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) যখন অন্তিম রোগশয্যায় শায়িত ছিলেন, তখন হজরত ওসমান (রা.) তাকে দেখতে যান।

এসময় তিনি জিজ্ঞেস করেন-

হজরত ওসমান: আপনার অসুখটা কি?

হজরত ইবনে মাসউদ: আমার পাপসমূহই আমার অসুখ।

হজরত ওসমান: আপনার বাসনা কি?

হজরত ইবনে মাসউদ: আমার পালনকর্তার রহমত কামনা করি।

হজরত ওসমান: আমি আপনার জন্যে কোন চিকিৎসক ডাকব কি?

হজরত ইবনে মাসউদ: চিকিৎসকই আমাকে রোগাক্রান্ত করেছেন।

হজরত ওসমান: আমি আপনার জন্যে সরকারী বায়তুল মাল থেকে কোন উপঢৌকন পাঠিয়ে দেব কি?

হজরত ইবনে মাসউদ: এর কোন প্রয়োজন নেই।

হজরত ওসমান: উপঢৌকন গ্রহণ করুন তা আপনার পর আপনার কন্যাদের উপকারে আসবে।

হজরত ইবনে মাসউদ: আপনি চিন্তা করছেন যে, আমার কন্যারা দারিদ্র ও উপবাসে পতিত হবে। কিন্তু আমি এমন চিন্তা করি না। কারণ, আমি কন্যাদেরকে জোর নির্দেশ দিয়ে রেখেছি যে, তারা যেন প্রতিরাত্রে সূরা ওয়াকিয়া পাঠ করে।

আমি রাসুলুল্লাহকে (সা.) বলতে শুনেছি, ‘যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা ওয়াকিয়া পাঠ করবে, সে কখনও উপবাস করবে না।’

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা ওয়াকিয়া তেলাওয়াত করবে তাকে কখনো দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না।

হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) তার মেয়েদেরকে প্রত্যেক রাতে এ সূরা তেলাওয়াত করার আদেশ করতেন। (বাইহাকি: শুআবুল ঈমান-২৪৯৮)