ঢাকা ০২:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

দেশসেরা তিন ব্যাটসম্যানের কাকতালীয় ৬৪!

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

ওয়েস্টইন্ডিজের বিরুদ্ধে বিশাল জয়ে বিশেষ অবদান রেখেছেন বাংলাদেশ দলের ব্যাটসম্যানরা। এর মধ্যে চমক লাগার মতো বিষয় হলো-একই ফিগারে রান করেছেন দলের তিন সেরা ব্যাটসম্যান। স্কোরবোর্ড দেখে হয়তো কোনো দর্শক মনে করতেও পারেন যে, দেশসেরা এই তিন ব্যাটসম্যান আগেই পরিকল্পনা করে এ কাণ্ড ঘটিয়েছেন!

কিন্তু না, কাকতালীয়ভাবে ঘটেছে এমন ঘটনা।

সোমবার সিরিজের শেষ ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (৬৪*), মুশফিকুর রহিম (৬৪), তামিম ইকবাল (৬৪) চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে এ দৃশ্যের অবতারণা করেন।

তামিম ৮০ বল খেলে ১২৪ মিনিট ক্রিজে থেকে এ রান করেন। তার ইনিংসটি ছিল তিনটি চার ও একটি ছক্কায় সাজানো। মুশফিক ৫৫ বলে ৮৪ মিনিট ক্রিজে থেকে ওই রান করেন। তার ইনিংসটি ছিল ৪টি চার ও দুইটি ছক্কায় সাজানো। আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ইনিংসটি ছিল সবচেয়ে মারকুটে। তিনি মাত্র ৬৩ মিনিট ক্রিজে থেকে ৬৪ রান করেন। তিনি মাত্র ৪৫ বল খেলে ৬৪ রান করে অপরাজিত ছিলেন। তার ইনিংসটি ছিল ৩টি চার ও ৩টি দর্শনীয় ছক্কায় সাজানো।

এছাড়া সাকিব আল হাসানের (৫১) ফিফটিতে দলীয় সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর।

জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ৭ রানে উইকেট হারায় উইন্ডিজ। সিরিজের তিন ম্যাচেই বাংলাদেশ দলকে ব্রেক থ্রু উপহার দেন মোস্তাফিজুর রহমান। তার শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন কেজর্ন ওটলি।

এর আগে প্রথম দুই ম্যাচে দলীয় ৯ ও ১০ রানে ক্যারিবীয় ওপেনার সুনীল অ্যামব্রিসকে ফেরান মুশফিক।

এরপর দলীয় ৩০ রানে উইন্ডিজ শিবিরে ফের আঘাত হানেন কাটার মাস্টার। তার দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন সুনীল অ্যামব্রিস। আগের ম্যাচে মোস্তাফিজের শিকারে পরিণত হওয়ার আগে ৭ ও ৬ রানে আউট হওয়া এই ওপেনার এদিন ফেরেন ১৩ রানে।

৩০ রানে দুই ওপেনারের উইকেট হারানো উইন্ডিজ খেলায় ফেরার আগেই হারায় তৃতীয় উইকেট। দলীয় ৪৮ রানে অফ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন কাইল মায়ার্স (১১)।

এরপর ৪৬ রানের ব্যবধানে ২ উইকেট হারায় উইন্ডিজ। দলীয় ৭৯ রানে আউট হন অধিনায়ক জেসন মোহাম্মদ। তার আগে ৩৬ বল খেলে করেন ১৭ রান। দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ে হাল ধরার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন এনকেরুমা বোর্ন। ৬৬ বলে ৩১ রান করা এই ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে ফেরান মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

৫ রানে মিরাজের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন জার্মি হ্যামিল্টন। দুর্দান্ত খেলতে যাওয়া রোভম্যান পাওয়েলকে আউট করেন সৌম্য সরকার। তার আগে ৪৯ বলে দুই চার ও দুই ছক্কায় দলীয় সর্বোচ্চ ৪৭ রান করে ফেরেন তিনি।

১১ রানে রান আউট আলজারি জোসেফ। আকিল হোসেনকে রানের খাতা খুলতে দেননি সাইফউদ্দিন। ৪৬ বলে ২৭ রান করা রায়মন রেফারকে ফেরান তাসকিন আহমেদ।

টাইগারদের সামনে পাত্তাই পেল না ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হারে ক্যারিবীয়রা। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে ১২২ ও ১৪৮ রান করে ৬ ও ৭ উইকেটে হারে উইন্ডিজ।

সোমবার সিরিজের শেষ ম্যাচে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে নেমে ২৯৮ রানের টার্গেট তাড়ায় ১৭৭ রানে অলআউট সফরকারীরা। ১২০ রানের জয় পায় তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

দেশসেরা তিন ব্যাটসম্যানের কাকতালীয় ৬৪!

আপডেট সময় ১০:১০:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

ওয়েস্টইন্ডিজের বিরুদ্ধে বিশাল জয়ে বিশেষ অবদান রেখেছেন বাংলাদেশ দলের ব্যাটসম্যানরা। এর মধ্যে চমক লাগার মতো বিষয় হলো-একই ফিগারে রান করেছেন দলের তিন সেরা ব্যাটসম্যান। স্কোরবোর্ড দেখে হয়তো কোনো দর্শক মনে করতেও পারেন যে, দেশসেরা এই তিন ব্যাটসম্যান আগেই পরিকল্পনা করে এ কাণ্ড ঘটিয়েছেন!

কিন্তু না, কাকতালীয়ভাবে ঘটেছে এমন ঘটনা।

সোমবার সিরিজের শেষ ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (৬৪*), মুশফিকুর রহিম (৬৪), তামিম ইকবাল (৬৪) চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে এ দৃশ্যের অবতারণা করেন।

তামিম ৮০ বল খেলে ১২৪ মিনিট ক্রিজে থেকে এ রান করেন। তার ইনিংসটি ছিল তিনটি চার ও একটি ছক্কায় সাজানো। মুশফিক ৫৫ বলে ৮৪ মিনিট ক্রিজে থেকে ওই রান করেন। তার ইনিংসটি ছিল ৪টি চার ও দুইটি ছক্কায় সাজানো। আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ইনিংসটি ছিল সবচেয়ে মারকুটে। তিনি মাত্র ৬৩ মিনিট ক্রিজে থেকে ৬৪ রান করেন। তিনি মাত্র ৪৫ বল খেলে ৬৪ রান করে অপরাজিত ছিলেন। তার ইনিংসটি ছিল ৩টি চার ও ৩টি দর্শনীয় ছক্কায় সাজানো।

এছাড়া সাকিব আল হাসানের (৫১) ফিফটিতে দলীয় সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর।

জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ৭ রানে উইকেট হারায় উইন্ডিজ। সিরিজের তিন ম্যাচেই বাংলাদেশ দলকে ব্রেক থ্রু উপহার দেন মোস্তাফিজুর রহমান। তার শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন কেজর্ন ওটলি।

এর আগে প্রথম দুই ম্যাচে দলীয় ৯ ও ১০ রানে ক্যারিবীয় ওপেনার সুনীল অ্যামব্রিসকে ফেরান মুশফিক।

এরপর দলীয় ৩০ রানে উইন্ডিজ শিবিরে ফের আঘাত হানেন কাটার মাস্টার। তার দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন সুনীল অ্যামব্রিস। আগের ম্যাচে মোস্তাফিজের শিকারে পরিণত হওয়ার আগে ৭ ও ৬ রানে আউট হওয়া এই ওপেনার এদিন ফেরেন ১৩ রানে।

৩০ রানে দুই ওপেনারের উইকেট হারানো উইন্ডিজ খেলায় ফেরার আগেই হারায় তৃতীয় উইকেট। দলীয় ৪৮ রানে অফ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন কাইল মায়ার্স (১১)।

এরপর ৪৬ রানের ব্যবধানে ২ উইকেট হারায় উইন্ডিজ। দলীয় ৭৯ রানে আউট হন অধিনায়ক জেসন মোহাম্মদ। তার আগে ৩৬ বল খেলে করেন ১৭ রান। দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ে হাল ধরার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন এনকেরুমা বোর্ন। ৬৬ বলে ৩১ রান করা এই ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে ফেরান মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

৫ রানে মিরাজের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন জার্মি হ্যামিল্টন। দুর্দান্ত খেলতে যাওয়া রোভম্যান পাওয়েলকে আউট করেন সৌম্য সরকার। তার আগে ৪৯ বলে দুই চার ও দুই ছক্কায় দলীয় সর্বোচ্চ ৪৭ রান করে ফেরেন তিনি।

১১ রানে রান আউট আলজারি জোসেফ। আকিল হোসেনকে রানের খাতা খুলতে দেননি সাইফউদ্দিন। ৪৬ বলে ২৭ রান করা রায়মন রেফারকে ফেরান তাসকিন আহমেদ।

টাইগারদের সামনে পাত্তাই পেল না ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হারে ক্যারিবীয়রা। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে ১২২ ও ১৪৮ রান করে ৬ ও ৭ উইকেটে হারে উইন্ডিজ।

সোমবার সিরিজের শেষ ম্যাচে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে নেমে ২৯৮ রানের টার্গেট তাড়ায় ১৭৭ রানে অলআউট সফরকারীরা। ১২০ রানের জয় পায় তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল।