ঢাকা ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

জোড়া মাথার মেয়ে শিশুর জন্ম

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মাগুরায় স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে জোড়া মাথা বিশিষ্ট একটি মেয়ে শিশুর জন্ম হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে ভূমিষ্ঠ এই শিশুটিকে সন্ধ্যায় মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বিশেষ বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন শিশুটির শরীরে দুটি মাথা থাকলেও একজোড়া করে হাত এবং পা। হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে থাকা শিশুটি সুস্থ রয়েছে। তবে চিকিৎসা এবং পর্যবেক্ষণের জন্যে খুব শিগগিরই তাকে ঢাকায় পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।

মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. অমর প্রসাদ বিশ্বাস জানান, মাগুরার সদর উপজেলার জগদল গ্রামের দমদমা পাড়ার নির্মাণ শ্রমিক পলাশ হাসানের স্ত্রী সোনালি বেগম (৩০) সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে শিশুটির জন্ম দেন। বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ভূমিষ্ঠ শিশুটির মাথা দুটি সক্রিয় রয়েছে। কান্নাকাটিও করছে। আপাত দৃষ্টিতে সুস্থ মনে হলেও শ্বাসকষ্ট রয়েছে। সেই অনুযায়ী চিকিৎসাও দেয়া হচ্ছে। তবে খুব শিগগিরই নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং চিকিৎসার জন্যে শিশুটিকে ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

শিশুটির বাবা পলাশ হাসান জানান, মাগুরা শহরের মা প্রাইভেট হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়। সেখানে ডাক্তার মাসুদুল হক সিজার করার পর দেখা যায় শিশুটি স্বাভাবিক নয়। যে কারণে তাকে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তিনি জানান, বিকাল ৫টার দিকে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও হাসপাতালে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ জয়ন্ত কুণ্ডু অনুপস্থিত থাকায় ইন্টার্ন চিকিৎসক সুকমল হালদার তাকে পর্যবেক্ষণ করছেন। এখন তাদের ওপরই সব নির্ভর করছে। তারা এখানে চিকিৎসা না করলে যেখানে যেতে বলেন নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানান শিশুটির বাবা।

৮ বছর আগে পলাশ হাসান সোনালি বেগমকে বিয়ে করেন। ৬ বছর আগে তাদের প্রথম একটি পুত্র সন্তান জন্ম হয়। তামিম নামের ওই শিশুটি অন্যান্য শিশুদের মতো সুস্থ এবং স্বাভাবিক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

জোড়া মাথার মেয়ে শিশুর জন্ম

আপডেট সময় ০৮:৫৩:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মাগুরায় স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে জোড়া মাথা বিশিষ্ট একটি মেয়ে শিশুর জন্ম হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে ভূমিষ্ঠ এই শিশুটিকে সন্ধ্যায় মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বিশেষ বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন শিশুটির শরীরে দুটি মাথা থাকলেও একজোড়া করে হাত এবং পা। হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে থাকা শিশুটি সুস্থ রয়েছে। তবে চিকিৎসা এবং পর্যবেক্ষণের জন্যে খুব শিগগিরই তাকে ঢাকায় পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।

মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. অমর প্রসাদ বিশ্বাস জানান, মাগুরার সদর উপজেলার জগদল গ্রামের দমদমা পাড়ার নির্মাণ শ্রমিক পলাশ হাসানের স্ত্রী সোনালি বেগম (৩০) সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে শিশুটির জন্ম দেন। বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ভূমিষ্ঠ শিশুটির মাথা দুটি সক্রিয় রয়েছে। কান্নাকাটিও করছে। আপাত দৃষ্টিতে সুস্থ মনে হলেও শ্বাসকষ্ট রয়েছে। সেই অনুযায়ী চিকিৎসাও দেয়া হচ্ছে। তবে খুব শিগগিরই নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং চিকিৎসার জন্যে শিশুটিকে ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

শিশুটির বাবা পলাশ হাসান জানান, মাগুরা শহরের মা প্রাইভেট হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়। সেখানে ডাক্তার মাসুদুল হক সিজার করার পর দেখা যায় শিশুটি স্বাভাবিক নয়। যে কারণে তাকে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তিনি জানান, বিকাল ৫টার দিকে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও হাসপাতালে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ জয়ন্ত কুণ্ডু অনুপস্থিত থাকায় ইন্টার্ন চিকিৎসক সুকমল হালদার তাকে পর্যবেক্ষণ করছেন। এখন তাদের ওপরই সব নির্ভর করছে। তারা এখানে চিকিৎসা না করলে যেখানে যেতে বলেন নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানান শিশুটির বাবা।

৮ বছর আগে পলাশ হাসান সোনালি বেগমকে বিয়ে করেন। ৬ বছর আগে তাদের প্রথম একটি পুত্র সন্তান জন্ম হয়। তামিম নামের ওই শিশুটি অন্যান্য শিশুদের মতো সুস্থ এবং স্বাভাবিক।