আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
‘ভারত করোনার টিকা রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে’ এমন খবরে বাংলাদেশে টিকা পাওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দেয়ার পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা আশ্বস্ত করেছেন, বাংলাদেশের উদ্বেগের কোনো কারণ নেই। বাংলাদেশ প্রথম থেকেই টিকা পাবে।
বাংলাদেশে হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করা হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা সোমবার দিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই মন্তব্য করেন।
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘সেরাম ইনস্টিটিউটের প্রধানের যে বক্তব্য সংবাদমাধ্যমে এসেছে, তা আমাদের নজরে এসেছে। এতে প্রতিবেশী বাংলাদেশের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। কারণ, ভারত বরাবরই প্রতিবেশীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনায় নিয়ে থাকে। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।’
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকার যৌথ উদ্যোগে আবিষ্কৃত টিকা উৎপাদন হচ্ছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ায় (এসআইআই)। এই টিকার নাম দেয়া হয়েছে ‘কোভিশিল্ড’। সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে টিকা আমদানি করতে ইতিমধ্যে চুক্তি করেছে বাংলাদেশ। বেক্সিমকোর মাধ্যমে হওয়া এই চুক্তিতে প্রতি মাসে ৫০ হাজার পিস করে ছয় মাসে মোট তিন লাখ ডোজ টিকা আসবে।
বেক্সিমকো থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার টিকার অনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেয়ার এক মাসের মধ্যেই টিকা সরবরাহ করবে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউট। ইতিমধ্যে সোমবার ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর এই টিকা জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে। আশা করা হচ্ছে, ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই চলে আসবে মহামারি করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক টিকা।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 




















