ঢাকা ১২:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অবশেষে ৭০ হাজার ফিলিস্তিনিকে হত্যার কথা স্বীকার করল ইসরায়েল অসৎ কাজ থেকে বিরত থেকেছি, তাই আমার বুকের জোড় বেশি: মির্জা ফখরুল নির্বাচন ও গণভোটে কঠোর নিরাপত্তায়, সারাদেশে ৩৭ হাজারের বেশি বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে আর্থিক সংকটে পঙ্গু হতে চলেছে জাতিসংঘ, সতর্কবার্তা গুতেরেসের নওগাঁয় ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল ৫ জনের ১৭ বছ‌রের গুম-খুন-কান্না, রিমান্ড অত‌্যাচার সহ্য ক‌রে‌ছি: পার্থ একটি দল টাকা দিয়ে ভোট কিনছে : সেলিমা রহমান তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই: আবু সাঈদের বাবা ‘ঘুম থেকে উঠে মানুষ আল্লাহর নাম নেয়, একজন আছে জেগেই আমার নাম নেন’:মির্জা আব্বাস সরকারি কর্মচারীরা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিতে পারবেন না: ইসি সানাউল্লাহ

সোলাইমানি হত্যার বদলা নেবোই: খামেনি

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির কুদস ফোর্সের প্রধান লে. জেনারেল কাসেম সোলাইমানি হত্যার প্রতিশোধ অবশ্যই নেয়া হবে। হত্যার নির্দেশদাতা এবং এর সঙ্গে জড়িতদেরও বিচার করা হবে।

গুপ্ত হামলায় নিহত জেনারেল কাসেম সোলাইমানি ও আবু মাহদি আল মুহানদিসের পরিবারের সদস্যরা বুধবার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন। খবর তাসনিম নিউজের।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার সঙ্গে ওই বৈঠকে কাসেম সোলাইমানির কয়েকজন সহযোদ্ধা এবং শাহাদাৎবার্ষিকী উদযাপন কমিটির সদস্যরাও যোগ দিয়েছিলেন। সোলাইমানির প্রথম শাহাদাৎবার্ষিকীকে সামনে রেখে ওই বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আরও বলেন, কাসেম সোলাইমানি হচ্ছেন জাতীয় বীর, তিনি শুধু ইরান নয় গোটা মুসলিম উম্মাহর মহান বীর। তিনি বলেন, সোলাইমানি ছিলেন সাহসী, প্রতিরোধী, বিজ্ঞ, আত্মত্যাগী এবং মানবপ্রেমী। তার মাঝে ছিল আধ্যাত্মিকতা ও আল্লাহর প্রতি আনুগত্য। কিন্তু তিনি কখনোই অন্যকে দেখানোর জন্য বা প্রদর্শনের জন্য কিছু করতেন না।

খামেনি বলেন, সোলাইমানি সাম্রাজ্যবাদীদের জন্য পরাজয় ডেকে এনেছেন। ইরাকে মার্কিন ঘাঁটি আইন আল আসাদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে চপেটাঘাত করেছে ইরান। এর চেয়েও বড় চপেটাঘাত হচ্ছে সফটওয়্যারের মাধ্যমে সাম্রাজ্যবাদীদের ফাঁকা অহংকার চুরমার করে দেয়া।

এই শক্ত চপেটাঘাতের আরেকটি অংশ হলো এই অঞ্চল থেকে মার্কিনীদের বিতাড়িত করা। এ জন্য আঞ্চলিক ঐক্য এবং প্রতিরোধমূলক নীতি প্রয়োজন।

প্রসঙ্গত, ৩ জানুয়ারি ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে জেনারেল সোলাইমানিকে বহনকারী গাড়ির ওপর ড্রোন হামলা চালিয়ে হত্যা করে মার্কিন সেনারা।

হামলায় ইরাকের স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী হাশদ আশ-শাবির উপ প্রধান আবু মাহদি আল-মুহান্দিসসহ দুই দেশের আরও ৮ কমান্ডার শহীদ হন। এই হত্যাকাণ্ড বিশ্বব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি করে। নিন্দার ঝড় উঠে সর্বত্র।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক না রাখা বোকামি: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

সোলাইমানি হত্যার বদলা নেবোই: খামেনি

আপডেট সময় ০২:০০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির কুদস ফোর্সের প্রধান লে. জেনারেল কাসেম সোলাইমানি হত্যার প্রতিশোধ অবশ্যই নেয়া হবে। হত্যার নির্দেশদাতা এবং এর সঙ্গে জড়িতদেরও বিচার করা হবে।

গুপ্ত হামলায় নিহত জেনারেল কাসেম সোলাইমানি ও আবু মাহদি আল মুহানদিসের পরিবারের সদস্যরা বুধবার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন। খবর তাসনিম নিউজের।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার সঙ্গে ওই বৈঠকে কাসেম সোলাইমানির কয়েকজন সহযোদ্ধা এবং শাহাদাৎবার্ষিকী উদযাপন কমিটির সদস্যরাও যোগ দিয়েছিলেন। সোলাইমানির প্রথম শাহাদাৎবার্ষিকীকে সামনে রেখে ওই বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আরও বলেন, কাসেম সোলাইমানি হচ্ছেন জাতীয় বীর, তিনি শুধু ইরান নয় গোটা মুসলিম উম্মাহর মহান বীর। তিনি বলেন, সোলাইমানি ছিলেন সাহসী, প্রতিরোধী, বিজ্ঞ, আত্মত্যাগী এবং মানবপ্রেমী। তার মাঝে ছিল আধ্যাত্মিকতা ও আল্লাহর প্রতি আনুগত্য। কিন্তু তিনি কখনোই অন্যকে দেখানোর জন্য বা প্রদর্শনের জন্য কিছু করতেন না।

খামেনি বলেন, সোলাইমানি সাম্রাজ্যবাদীদের জন্য পরাজয় ডেকে এনেছেন। ইরাকে মার্কিন ঘাঁটি আইন আল আসাদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে চপেটাঘাত করেছে ইরান। এর চেয়েও বড় চপেটাঘাত হচ্ছে সফটওয়্যারের মাধ্যমে সাম্রাজ্যবাদীদের ফাঁকা অহংকার চুরমার করে দেয়া।

এই শক্ত চপেটাঘাতের আরেকটি অংশ হলো এই অঞ্চল থেকে মার্কিনীদের বিতাড়িত করা। এ জন্য আঞ্চলিক ঐক্য এবং প্রতিরোধমূলক নীতি প্রয়োজন।

প্রসঙ্গত, ৩ জানুয়ারি ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে জেনারেল সোলাইমানিকে বহনকারী গাড়ির ওপর ড্রোন হামলা চালিয়ে হত্যা করে মার্কিন সেনারা।

হামলায় ইরাকের স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী হাশদ আশ-শাবির উপ প্রধান আবু মাহদি আল-মুহান্দিসসহ দুই দেশের আরও ৮ কমান্ডার শহীদ হন। এই হত্যাকাণ্ড বিশ্বব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি করে। নিন্দার ঝড় উঠে সর্বত্র।