ঢাকা ০২:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাস খাদে পড়ে নিহত ৪ নেশার টাকা না পেয়ে ছুরিকাঘাতে স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৫ ইরান-ইসরাইলের নতুন উত্তেজনা শান্তি আলোচনায় প্রভাব ফেলবে না: ট্রাম্প এইচএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু ১৫ জুন বিশ্বের ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যুর ঘটনায় ড. ইউনূসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন প্রটোকল ছাড়াই রাজস্ব সার্কেলে আকস্মিক পরিদর্শনে ভূমি প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে আ. লীগ নেতার চিঠি, কী আছে এতে পুতিন-জেলেনস্কি সংলাপ: ইউক্রেনের পাশে ইউরোপের তিন দেশ

রোহিঙ্গাদের ত্রাণ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অবস্থা দেখতে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বর্তমানে সেখানে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করছেন তিনি।

মঙ্গলবার ঢাকা থেকে রওনা হয়ে বেলা সোয়া ১০টার দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ১৯০৯ ফ্লাইটটি। সকালে কক্সবাজার বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া এবং স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

প্রধানমন্ত্রীর সাথে সফরে রয়েছেন, তার ছোট বোন শেখ রেহানা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, গণপূর্তমন্ত্রী মোশাররফ হোসেন, ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, হুইপ ইকবালুর রহিম, কক্সবাজার ৩ আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, সংসদ সদস্য আবু রেজা মোহাম্মদ নিজামউদ্দিন নদভী, মন্ত্রিপরিষদসচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম, মুখ্যসচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব সুরাইয়া বেগম, প্রেসসচিব ইহসানুল করিমসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

গত ২৫ আগস্ট থেকে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে সেনাবাহিনীর দমন-পীড়ন শুরুর পর কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। বিভিন্ন সময়ে সহিংসতার মুখে সেখান থেকে পালিয়ে এসে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে আছেন।

তাদের ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বারবার আহ্বান জানানো হলেও তাতে কর্ণপাত করেনি মিয়ানমার। রোহিঙ্গাদের এই স্রোত ঠেকাতে মিয়ানমারে জাতিসংঘের মতো কোনো একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার তত্ত্বাবধানে একাধিক নিরাপদ এলাকা (সেইফ জোন) গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে ভালো করতে স্পিনের ওপর ভরসা করছে বাংলাদেশ

রোহিঙ্গাদের ত্রাণ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:৫৯:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অবস্থা দেখতে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বর্তমানে সেখানে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করছেন তিনি।

মঙ্গলবার ঢাকা থেকে রওনা হয়ে বেলা সোয়া ১০টার দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ১৯০৯ ফ্লাইটটি। সকালে কক্সবাজার বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া এবং স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

প্রধানমন্ত্রীর সাথে সফরে রয়েছেন, তার ছোট বোন শেখ রেহানা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, গণপূর্তমন্ত্রী মোশাররফ হোসেন, ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, হুইপ ইকবালুর রহিম, কক্সবাজার ৩ আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, সংসদ সদস্য আবু রেজা মোহাম্মদ নিজামউদ্দিন নদভী, মন্ত্রিপরিষদসচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম, মুখ্যসচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব সুরাইয়া বেগম, প্রেসসচিব ইহসানুল করিমসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

গত ২৫ আগস্ট থেকে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে সেনাবাহিনীর দমন-পীড়ন শুরুর পর কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। বিভিন্ন সময়ে সহিংসতার মুখে সেখান থেকে পালিয়ে এসে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে আছেন।

তাদের ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বারবার আহ্বান জানানো হলেও তাতে কর্ণপাত করেনি মিয়ানমার। রোহিঙ্গাদের এই স্রোত ঠেকাতে মিয়ানমারে জাতিসংঘের মতো কোনো একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার তত্ত্বাবধানে একাধিক নিরাপদ এলাকা (সেইফ জোন) গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ।