ঢাকা ০৩:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মাদারীপুরে হত্যার ঘটনায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

মাদারীপুরের শহরের পাঠককান্দি এলাকায় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে পরকীয়ার জেরে হত্যার অভিযোগে রফিকুল ইসলাম নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। বুধবার দুপুরে মাদারীপুর জেলা জজ ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নিতাই চন্দ্র সাহা আসামি রফিকুল ইসলামের উপস্থিতিইে এই আদেশ দেন।

মাদারীপুর জজ কোর্টর পিপি এডভোকেট সিদ্দিকুর রহমান সিং জানান, ইটালি প্রবাসী রুহুল আমিন সাদ্দামের স্ত্রী রুমা আক্তার (২৬) মাদারীপুর শহরের পাঠককান্দ এলাকার ভাড়া বাসায় থাকত। স্বামী বিদেশ থাকার সুবাদে ঘটনার তিন বছর আগে রুমার সাথে মাদারীপুর সদর উপজেলার শিরখাড়া গ্রামের পান্নু হাওলাদারের ছেলে রফিকুল ইসলামের (৩২) সাথে প্রেমের সম্পর্ক হয়। এই সম্পর্কের জের ধরেই একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়। গত ২০১৮ সালের ১৪ মার্চ রাতে রফিকুল রুমার ফ্লাটে যায়। এক পর্যায় দুজনের শারীরিক সম্পর্ক হয়।

এসময় রুমা বিয়ের জন্য রফিকুলকে চাপ প্রয়োগ করে। এরপর ১১টার দিকে রফিকুল কফির সাথে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে রুমাকে খেতে দেয়। ঘুমিয় পড়লে রুমার হাত পা বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় পরের দিন মাদারীপুর সদর থানায় নিহত রুমার মা হেনা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত করে জানতে পারে রুমার সাথে রফিকুলের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ হত। সেই সূত্র ধরেই রফিকুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং আদালতে জবাব বন্দি দেয়। পরে পুলিশ ২০১৮ সালে ২ আগষ্ট আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের করে।

তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় দীর্ঘ দুই বছর পরে জেলা ও দায়রা জজ আদালত রফিকুলকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

এই রায়ে নিহতের পরিবার সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন। নিহতের মা মামলার বাদী হেনা বেগম বলেন, আমরা এই রায়ে খুশি। আমরা চাই দ্রুত রায় বাস্তবায়িত হোক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মাদারীপুরে হত্যার ঘটনায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৩:৪৮:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

মাদারীপুরের শহরের পাঠককান্দি এলাকায় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে পরকীয়ার জেরে হত্যার অভিযোগে রফিকুল ইসলাম নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। বুধবার দুপুরে মাদারীপুর জেলা জজ ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নিতাই চন্দ্র সাহা আসামি রফিকুল ইসলামের উপস্থিতিইে এই আদেশ দেন।

মাদারীপুর জজ কোর্টর পিপি এডভোকেট সিদ্দিকুর রহমান সিং জানান, ইটালি প্রবাসী রুহুল আমিন সাদ্দামের স্ত্রী রুমা আক্তার (২৬) মাদারীপুর শহরের পাঠককান্দ এলাকার ভাড়া বাসায় থাকত। স্বামী বিদেশ থাকার সুবাদে ঘটনার তিন বছর আগে রুমার সাথে মাদারীপুর সদর উপজেলার শিরখাড়া গ্রামের পান্নু হাওলাদারের ছেলে রফিকুল ইসলামের (৩২) সাথে প্রেমের সম্পর্ক হয়। এই সম্পর্কের জের ধরেই একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়। গত ২০১৮ সালের ১৪ মার্চ রাতে রফিকুল রুমার ফ্লাটে যায়। এক পর্যায় দুজনের শারীরিক সম্পর্ক হয়।

এসময় রুমা বিয়ের জন্য রফিকুলকে চাপ প্রয়োগ করে। এরপর ১১টার দিকে রফিকুল কফির সাথে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে রুমাকে খেতে দেয়। ঘুমিয় পড়লে রুমার হাত পা বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় পরের দিন মাদারীপুর সদর থানায় নিহত রুমার মা হেনা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত করে জানতে পারে রুমার সাথে রফিকুলের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ হত। সেই সূত্র ধরেই রফিকুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং আদালতে জবাব বন্দি দেয়। পরে পুলিশ ২০১৮ সালে ২ আগষ্ট আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের করে।

তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় দীর্ঘ দুই বছর পরে জেলা ও দায়রা জজ আদালত রফিকুলকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

এই রায়ে নিহতের পরিবার সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন। নিহতের মা মামলার বাদী হেনা বেগম বলেন, আমরা এই রায়ে খুশি। আমরা চাই দ্রুত রায় বাস্তবায়িত হোক।