ঢাকা ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

মাদারীপুরে হত্যার ঘটনায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

মাদারীপুরের শহরের পাঠককান্দি এলাকায় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে পরকীয়ার জেরে হত্যার অভিযোগে রফিকুল ইসলাম নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। বুধবার দুপুরে মাদারীপুর জেলা জজ ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নিতাই চন্দ্র সাহা আসামি রফিকুল ইসলামের উপস্থিতিইে এই আদেশ দেন।

মাদারীপুর জজ কোর্টর পিপি এডভোকেট সিদ্দিকুর রহমান সিং জানান, ইটালি প্রবাসী রুহুল আমিন সাদ্দামের স্ত্রী রুমা আক্তার (২৬) মাদারীপুর শহরের পাঠককান্দ এলাকার ভাড়া বাসায় থাকত। স্বামী বিদেশ থাকার সুবাদে ঘটনার তিন বছর আগে রুমার সাথে মাদারীপুর সদর উপজেলার শিরখাড়া গ্রামের পান্নু হাওলাদারের ছেলে রফিকুল ইসলামের (৩২) সাথে প্রেমের সম্পর্ক হয়। এই সম্পর্কের জের ধরেই একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়। গত ২০১৮ সালের ১৪ মার্চ রাতে রফিকুল রুমার ফ্লাটে যায়। এক পর্যায় দুজনের শারীরিক সম্পর্ক হয়।

এসময় রুমা বিয়ের জন্য রফিকুলকে চাপ প্রয়োগ করে। এরপর ১১টার দিকে রফিকুল কফির সাথে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে রুমাকে খেতে দেয়। ঘুমিয় পড়লে রুমার হাত পা বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় পরের দিন মাদারীপুর সদর থানায় নিহত রুমার মা হেনা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত করে জানতে পারে রুমার সাথে রফিকুলের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ হত। সেই সূত্র ধরেই রফিকুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং আদালতে জবাব বন্দি দেয়। পরে পুলিশ ২০১৮ সালে ২ আগষ্ট আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের করে।

তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় দীর্ঘ দুই বছর পরে জেলা ও দায়রা জজ আদালত রফিকুলকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

এই রায়ে নিহতের পরিবার সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন। নিহতের মা মামলার বাদী হেনা বেগম বলেন, আমরা এই রায়ে খুশি। আমরা চাই দ্রুত রায় বাস্তবায়িত হোক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারীপুরে হত্যার ঘটনায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৩:৪৮:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

মাদারীপুরের শহরের পাঠককান্দি এলাকায় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে পরকীয়ার জেরে হত্যার অভিযোগে রফিকুল ইসলাম নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। বুধবার দুপুরে মাদারীপুর জেলা জজ ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নিতাই চন্দ্র সাহা আসামি রফিকুল ইসলামের উপস্থিতিইে এই আদেশ দেন।

মাদারীপুর জজ কোর্টর পিপি এডভোকেট সিদ্দিকুর রহমান সিং জানান, ইটালি প্রবাসী রুহুল আমিন সাদ্দামের স্ত্রী রুমা আক্তার (২৬) মাদারীপুর শহরের পাঠককান্দ এলাকার ভাড়া বাসায় থাকত। স্বামী বিদেশ থাকার সুবাদে ঘটনার তিন বছর আগে রুমার সাথে মাদারীপুর সদর উপজেলার শিরখাড়া গ্রামের পান্নু হাওলাদারের ছেলে রফিকুল ইসলামের (৩২) সাথে প্রেমের সম্পর্ক হয়। এই সম্পর্কের জের ধরেই একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়। গত ২০১৮ সালের ১৪ মার্চ রাতে রফিকুল রুমার ফ্লাটে যায়। এক পর্যায় দুজনের শারীরিক সম্পর্ক হয়।

এসময় রুমা বিয়ের জন্য রফিকুলকে চাপ প্রয়োগ করে। এরপর ১১টার দিকে রফিকুল কফির সাথে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে রুমাকে খেতে দেয়। ঘুমিয় পড়লে রুমার হাত পা বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় পরের দিন মাদারীপুর সদর থানায় নিহত রুমার মা হেনা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত করে জানতে পারে রুমার সাথে রফিকুলের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ হত। সেই সূত্র ধরেই রফিকুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং আদালতে জবাব বন্দি দেয়। পরে পুলিশ ২০১৮ সালে ২ আগষ্ট আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের করে।

তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় দীর্ঘ দুই বছর পরে জেলা ও দায়রা জজ আদালত রফিকুলকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

এই রায়ে নিহতের পরিবার সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন। নিহতের মা মামলার বাদী হেনা বেগম বলেন, আমরা এই রায়ে খুশি। আমরা চাই দ্রুত রায় বাস্তবায়িত হোক।