ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আগ্রাসন চালিয়ে হরমুজ কখনোই উন্মুক্ত করা যাবে না, ইরানের হুঁশিয়ারি ‘ফার্মের মুরগি’ এই ছাত্ররা রাস্তায় নেমেছিল বলেই আপনি এখন শিক্ষামন্ত্রী কুসুম্বা মসজিদের দানবাক্সে মিলল পৌনে ১৩ লাখ টাকা ও স্বর্ণের চামচ দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী আমাকে ঋণখেলাপি বলে জাতির কাছে ছোট করা হয়েছে: সংসদে এমপি সারোয়ার ২০৩০ সালের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড পাবে দেড় কোটির বেশি পরিবার উন্নত বাংলাদেশ গড়তে দক্ষ যুবসমাজ গড়ে তোলার বিকল্প নেই : রাষ্ট্রপতি জুলাই শহীদদের স্মৃতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে: আমানউল্লাহ আমান যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘জলদস্যু’ রাষ্ট্রে পরিণত হবে: লুলা সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ ৩ দাবি শিক্ষার্থীদের

করোনায় মারা গেলেন বিএনপি নেতা কামাল ইবনে ইউসুফ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ।

বুধবার দুপুর একটার দিকে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)।

বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল আকাশ নিউজ কে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৯ নভেম্বর নিউমোনিয়াজনিত কারণে বিএনপির এই নেতাকে ঢাকার এভার কেয়ার (সাবেক অ্যাপোলো) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর তার নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতামহ ছিলেন জমিদার চৌধুরী মঈজউদ্দীন বিভাশ। তার পিতা ইউসুফ আলী চৌধুরী (মোহন মিয়া) একজন বিশিষ্ট মুসলিম লীগ নেতা ছিলেন। তার চাচা চৌধুরী আবদুল্লাহ জহিরউদ্দীন (লাল মিয়া) রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খানের সরকারে মন্ত্রিসভায় ছিলেন এবং অন্য চাচা এনায়েত হোসেন চৌধুরী পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন।

১৯৭৯ সালে জিয়াউর রহমান নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গঠিত হলে চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ এতে যোগ দেন। ১৯৭৯ সালের জাতীয় নির্বাচনে তিনি সংসদে নির্বাচিত হন। ১৯৮১ সালে তিনি বিচারপতি আব্দুস সাত্তার সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। ১৯৯১ সালে তিনি আবার নির্বাচিত হন এবং প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হন। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে জিতে তিনি খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী হন। ২০০৮ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আগ্রাসন চালিয়ে হরমুজ কখনোই উন্মুক্ত করা যাবে না, ইরানের হুঁশিয়ারি

করোনায় মারা গেলেন বিএনপি নেতা কামাল ইবনে ইউসুফ

আপডেট সময় ০২:০০:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ।

বুধবার দুপুর একটার দিকে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)।

বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল আকাশ নিউজ কে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৯ নভেম্বর নিউমোনিয়াজনিত কারণে বিএনপির এই নেতাকে ঢাকার এভার কেয়ার (সাবেক অ্যাপোলো) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর তার নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতামহ ছিলেন জমিদার চৌধুরী মঈজউদ্দীন বিভাশ। তার পিতা ইউসুফ আলী চৌধুরী (মোহন মিয়া) একজন বিশিষ্ট মুসলিম লীগ নেতা ছিলেন। তার চাচা চৌধুরী আবদুল্লাহ জহিরউদ্দীন (লাল মিয়া) রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খানের সরকারে মন্ত্রিসভায় ছিলেন এবং অন্য চাচা এনায়েত হোসেন চৌধুরী পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন।

১৯৭৯ সালে জিয়াউর রহমান নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গঠিত হলে চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ এতে যোগ দেন। ১৯৭৯ সালের জাতীয় নির্বাচনে তিনি সংসদে নির্বাচিত হন। ১৯৮১ সালে তিনি বিচারপতি আব্দুস সাত্তার সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। ১৯৯১ সালে তিনি আবার নির্বাচিত হন এবং প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হন। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে জিতে তিনি খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী হন। ২০০৮ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন।