ঢাকা ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

তামিমের হাফ সেঞ্চুরিতে বরিশালের জয়

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে শনিবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে তামিম ইকবালের দুর্দান্ত হাফ সেঞ্চুরিতে মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে ফরচুন বরিশাল। দুই ম্যাচ খেলে বরিশালের এটি প্রথম জয়। অন্যদিকে, তিন ম্যাচ খেলে এই প্রথমবার হারল রাজশাহী।

এদিন মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে রাজশাহীর দেয়া ১৩৩ রানের জয়ের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১৯ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয় বরিশাল।

দলটির অধিনায়ক তামিম ইকবাল ৬১ বলে ১০টি চার ও দুইটি ছক্কার সাহায্যে ৭৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। ১৭ বলে ২৩ রান করেন পারভেজ হোসেন ইমন। রাজশাহীর বোলারদের মধ্যে মুকিদুল ইসলাম ২টি, মেহেদী হাসান ১টি ও ইবাদত হোসেন ১টি করে উইকেট শিকার করেন।

বরিশাল ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ৫ রানে ওপেনার মিরাজকে হারায়। এরপর তামিম-ইমন জুটিতে দুর্দান্ত গতিতে এগোতে থাকে বরিশাল। দলীয় ৬৬ রানে ইমন ফিরে গেলেও তামিম দলকে দারুণভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ১৭তম ওভারে হৃদয় ও আফিফ হোসেনকে ফিরিয়ে দেন মুকিদুল। ১৯তম ওভারে ইরফার শুক্কুর রান আউট হলেও অঙ্কনকে নিয়ে তামিম দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৩২ রান করে রাজশাহী। ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ৩৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় তারা। সপ্তম ওভারে মিড-অফে তামিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত। পরের ওভারে মিরাজের বলে বোল্ড হন রনি তালুকদার।

দশম ওভারে দুইটি উইকেট হারায় রাজশাহী। গত ম্যাচে ভালো খেললেও এই ম্যাচে হতাশাজনকভাবে রান আউট হয়ে বিদায় নেন আশরাফুল। ৪ বল খেলে ৬ রান করেন তিনি। মিরাজের করা এই ওভারের শেষ বলে ডিপ স্কোয়ার লেগে পারভেজ হোসেন ইমনের হাতে ক্যাচন হন আনিসুল ইসলাম ইমন।

এরপর সোহান নেমে ২ বল খেলে ডিপ স্কোয়ার লেগে সুমন খানের হাতে ধরা পড়েন। রানের খাতা খুলতে পারেননি তিনি। দলীয় ৬৩ রানে ৫ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর শেখ মেহেদী হাসান ও ফজেল মাহমুদ ৬৫ রানের পার্টনারশিপ করেন।

১৯তম ওভারে এই জুটি ভাঙেন তাসকিন আহমেদ। ফুল টস ডেলিভারিতে উড়িয়ে মারেন ফজলে মাহমুদ। লং অফে ক্যাচটি নেন তৌহিদ হৃদয়। ২০তম ওভারে তিনটি উইকেট নেন কামরুল ইসলাম রাব্বী। ফেরান ফরহাদ রেজা, শেখ মেহেদী (২৩ বলে ৩৪ রান) ও রেজাউর রহমানকে।

বরিশালের বোলারদের মধ্যে কামরুল ইসলাম ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে ৪টি উইকেট শিকার করেন। ৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে দুইটি উইকেট নেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এছাড়া আবু জায়েদ ১টি ও তাসকিন আহমেদ ১টি করে উইকেট নেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :

ফল: ৫ উইকেটে জয়ী ফরচুন বরিশাল।

মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী: ১৩২/৯ (২০ ওভার)

(শান্ত ২৪, ইমন ২৪, রনি ৬, আশরাফুল ৬, ফজলে মাহমুদ ৩১, সোহান ০, মেহেদী ৩৪, ফরহাদ রেজা ১, রেজাউর ২, মুকিদুল ১*; তাসকিন ১/১৯, সুমন ০/৩৩, রাহি ১/২৯, মিরাজ ২/১৮, কামরুল ৪/২১, আফিফ ০/১১)।

ফরচুন বরিশাল: ১৩৬/৫ (১৯ ওভার)

(তামিম ৭৭*, মিরাজ ১, পারভেজ হোসেন ২৩, হৃদয় ১৭, আফিফ ০, ইরফান শুক্কুর ৩, অঙ্কন ৪*; রেজাউর ০/১৭, ইবাদত ১/১৯, শেখ মেহেদী ১/৩২, ফরহাদ রেজা ০/১৭, মুকিদুল ২/২৭, শান্ত ০/২০)।

ম্যাচ সেরা: তামিম ইকবাল (ফরচুন বরিশাল)।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

তামিমের হাফ সেঞ্চুরিতে বরিশালের জয়

আপডেট সময় ১০:৫৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে শনিবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে তামিম ইকবালের দুর্দান্ত হাফ সেঞ্চুরিতে মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে ফরচুন বরিশাল। দুই ম্যাচ খেলে বরিশালের এটি প্রথম জয়। অন্যদিকে, তিন ম্যাচ খেলে এই প্রথমবার হারল রাজশাহী।

এদিন মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে রাজশাহীর দেয়া ১৩৩ রানের জয়ের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১৯ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয় বরিশাল।

দলটির অধিনায়ক তামিম ইকবাল ৬১ বলে ১০টি চার ও দুইটি ছক্কার সাহায্যে ৭৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। ১৭ বলে ২৩ রান করেন পারভেজ হোসেন ইমন। রাজশাহীর বোলারদের মধ্যে মুকিদুল ইসলাম ২টি, মেহেদী হাসান ১টি ও ইবাদত হোসেন ১টি করে উইকেট শিকার করেন।

বরিশাল ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ৫ রানে ওপেনার মিরাজকে হারায়। এরপর তামিম-ইমন জুটিতে দুর্দান্ত গতিতে এগোতে থাকে বরিশাল। দলীয় ৬৬ রানে ইমন ফিরে গেলেও তামিম দলকে দারুণভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ১৭তম ওভারে হৃদয় ও আফিফ হোসেনকে ফিরিয়ে দেন মুকিদুল। ১৯তম ওভারে ইরফার শুক্কুর রান আউট হলেও অঙ্কনকে নিয়ে তামিম দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৩২ রান করে রাজশাহী। ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ৩৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় তারা। সপ্তম ওভারে মিড-অফে তামিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত। পরের ওভারে মিরাজের বলে বোল্ড হন রনি তালুকদার।

দশম ওভারে দুইটি উইকেট হারায় রাজশাহী। গত ম্যাচে ভালো খেললেও এই ম্যাচে হতাশাজনকভাবে রান আউট হয়ে বিদায় নেন আশরাফুল। ৪ বল খেলে ৬ রান করেন তিনি। মিরাজের করা এই ওভারের শেষ বলে ডিপ স্কোয়ার লেগে পারভেজ হোসেন ইমনের হাতে ক্যাচন হন আনিসুল ইসলাম ইমন।

এরপর সোহান নেমে ২ বল খেলে ডিপ স্কোয়ার লেগে সুমন খানের হাতে ধরা পড়েন। রানের খাতা খুলতে পারেননি তিনি। দলীয় ৬৩ রানে ৫ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর শেখ মেহেদী হাসান ও ফজেল মাহমুদ ৬৫ রানের পার্টনারশিপ করেন।

১৯তম ওভারে এই জুটি ভাঙেন তাসকিন আহমেদ। ফুল টস ডেলিভারিতে উড়িয়ে মারেন ফজলে মাহমুদ। লং অফে ক্যাচটি নেন তৌহিদ হৃদয়। ২০তম ওভারে তিনটি উইকেট নেন কামরুল ইসলাম রাব্বী। ফেরান ফরহাদ রেজা, শেখ মেহেদী (২৩ বলে ৩৪ রান) ও রেজাউর রহমানকে।

বরিশালের বোলারদের মধ্যে কামরুল ইসলাম ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে ৪টি উইকেট শিকার করেন। ৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে দুইটি উইকেট নেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এছাড়া আবু জায়েদ ১টি ও তাসকিন আহমেদ ১টি করে উইকেট নেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :

ফল: ৫ উইকেটে জয়ী ফরচুন বরিশাল।

মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী: ১৩২/৯ (২০ ওভার)

(শান্ত ২৪, ইমন ২৪, রনি ৬, আশরাফুল ৬, ফজলে মাহমুদ ৩১, সোহান ০, মেহেদী ৩৪, ফরহাদ রেজা ১, রেজাউর ২, মুকিদুল ১*; তাসকিন ১/১৯, সুমন ০/৩৩, রাহি ১/২৯, মিরাজ ২/১৮, কামরুল ৪/২১, আফিফ ০/১১)।

ফরচুন বরিশাল: ১৩৬/৫ (১৯ ওভার)

(তামিম ৭৭*, মিরাজ ১, পারভেজ হোসেন ২৩, হৃদয় ১৭, আফিফ ০, ইরফান শুক্কুর ৩, অঙ্কন ৪*; রেজাউর ০/১৭, ইবাদত ১/১৯, শেখ মেহেদী ১/৩২, ফরহাদ রেজা ০/১৭, মুকিদুল ২/২৭, শান্ত ০/২০)।

ম্যাচ সেরা: তামিম ইকবাল (ফরচুন বরিশাল)।