ঢাকা ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পুরুষদের ফুটবলে প্রথম নারী রেফারি

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

প্রিয় দলের জয় দেখতেই সবার মাঠে যাওয়া। থাকে ড্রিবল, জমাট রক্ষণ কিংবা অসাধারণ সব গোলের প্রত্যাশা। রেফারির বাঁশি বাজানো দেখতে গ্যালারি বা টিভির সামনে বসে না কেউ। অথচ বুন্দেসলিগায় হার্থা বার্লিন-ওয়ের্ডার ব্রেমনের ম্যাচে সবার দৃষ্টি আটকে থাকবে এক রেফারির ওপর। কারণ জার্মান বুন্দেসলিগায় প্রথমবারের মতো ছেলেদের ম্যাচে বাঁশি নিয়ে মাঠে নামবেন নারী রেফারি! ৩৮ বছর বয়সী বিবিয়ানা স্টিয়েনহস নতুন ইতিহাস গড়তে চলেছেন তাই। এর পরও নিজেকে নারী রেফারিদের পথপ্রদর্শক ভাবছেন না স্টিয়েনহস, পথপ্রদর্শক হয়ে থাকতে চাই না আমি। রেফারিং ভালোবাসি, উপভোগ করতে চাই এটাই। কেউ যেন অহেতুক আমাকে নিয়ে শিরোনাম না করে, বিব্রতকর হবে ব্যাপারটা।

ছেলেদের ফুটবলে নারী রেফারিং এবারই প্রথম নয়। ইউরোপের তুর্কি লিগের ম্যাচ পরিচালনা করেছেন চার নারী রেফারি। অন্য অনেক দেশের দ্বিতীয় বিভাগের লিগে নারী রেফারির পদচারণও নিয়মিত। এমনকি খোদ বিবিয়ানা স্টিয়েনহস পর্যন্ত আগস্ট মাসেও পরিচালনা করেছেন জার্মান কাপে বায়ার্ন মিউনিখের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচ। তবে ইউরোপের সেরা পাঁচ ফুটবল লিগে বুন্দেসলিগাতেই প্রথম অভিষেক হতে যাচ্ছে নারী রেফারির।

এমন উপলক্ষের জন্য প্রস্তুত স্টিয়েনহস, বুন্দেসলিগায় প্রথম ম্যাচে আমার প্রত্যাশা অবশ্যই অনেক বেশি। অসাধারণ এই চ্যালেঞ্জের জন্য মুখিয়ে আছি। আমি আর আমার দল পুরো প্রস্তুত।

একটা সময় ভালো সাঁতারু ছিলেন স্টিয়েনহস। রেফারিংয়ের পাশাপাশি জার্মান পুলিশের অফিসারও তিনি। শিরোনামে এসেছিলেন ইংলিশ তারকা রেফারি হাওয়ার্ড ওয়েবের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে। তবে সব কিছু ছাপিয়ে স্টিয়েনহস উজ্জ্বল তাঁর রেফারিং ক্যারিয়ারে। ২০০৭ সালে এই পেশায় নাম জড়ানোর পর দায়িত্ব পালন করেছেন ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে নারীদের ফুটবল ফাইনালে। এ বছর কার্ডিফে বাঁশি বাজিয়েছেন নারীদের চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালেও। আগামীকালের উপলক্ষটা আরো বড়। বুন্দেসলিগায় হার্থা বার্লিন-ওয়ের্ডার ব্রেমনের ম্যাচে সব কিছু ভালো হওয়ার প্রত্যাশাতেই এখন স্টিয়েনহস, নারীর মুখে বাঁশি দেখে শুরুতে অবাক হতে পারেন কেউ কেউ। আমি নিশ্চিত এরপর সবাই মনোযোগ দেবে মাঠের ফুটবলে। আশা করছি, প্রথম ম্যাচটি শেষ করতে পারব ভালোভাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

পুরুষদের ফুটবলে প্রথম নারী রেফারি

আপডেট সময় ০১:১৭:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

প্রিয় দলের জয় দেখতেই সবার মাঠে যাওয়া। থাকে ড্রিবল, জমাট রক্ষণ কিংবা অসাধারণ সব গোলের প্রত্যাশা। রেফারির বাঁশি বাজানো দেখতে গ্যালারি বা টিভির সামনে বসে না কেউ। অথচ বুন্দেসলিগায় হার্থা বার্লিন-ওয়ের্ডার ব্রেমনের ম্যাচে সবার দৃষ্টি আটকে থাকবে এক রেফারির ওপর। কারণ জার্মান বুন্দেসলিগায় প্রথমবারের মতো ছেলেদের ম্যাচে বাঁশি নিয়ে মাঠে নামবেন নারী রেফারি! ৩৮ বছর বয়সী বিবিয়ানা স্টিয়েনহস নতুন ইতিহাস গড়তে চলেছেন তাই। এর পরও নিজেকে নারী রেফারিদের পথপ্রদর্শক ভাবছেন না স্টিয়েনহস, পথপ্রদর্শক হয়ে থাকতে চাই না আমি। রেফারিং ভালোবাসি, উপভোগ করতে চাই এটাই। কেউ যেন অহেতুক আমাকে নিয়ে শিরোনাম না করে, বিব্রতকর হবে ব্যাপারটা।

ছেলেদের ফুটবলে নারী রেফারিং এবারই প্রথম নয়। ইউরোপের তুর্কি লিগের ম্যাচ পরিচালনা করেছেন চার নারী রেফারি। অন্য অনেক দেশের দ্বিতীয় বিভাগের লিগে নারী রেফারির পদচারণও নিয়মিত। এমনকি খোদ বিবিয়ানা স্টিয়েনহস পর্যন্ত আগস্ট মাসেও পরিচালনা করেছেন জার্মান কাপে বায়ার্ন মিউনিখের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচ। তবে ইউরোপের সেরা পাঁচ ফুটবল লিগে বুন্দেসলিগাতেই প্রথম অভিষেক হতে যাচ্ছে নারী রেফারির।

এমন উপলক্ষের জন্য প্রস্তুত স্টিয়েনহস, বুন্দেসলিগায় প্রথম ম্যাচে আমার প্রত্যাশা অবশ্যই অনেক বেশি। অসাধারণ এই চ্যালেঞ্জের জন্য মুখিয়ে আছি। আমি আর আমার দল পুরো প্রস্তুত।

একটা সময় ভালো সাঁতারু ছিলেন স্টিয়েনহস। রেফারিংয়ের পাশাপাশি জার্মান পুলিশের অফিসারও তিনি। শিরোনামে এসেছিলেন ইংলিশ তারকা রেফারি হাওয়ার্ড ওয়েবের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে। তবে সব কিছু ছাপিয়ে স্টিয়েনহস উজ্জ্বল তাঁর রেফারিং ক্যারিয়ারে। ২০০৭ সালে এই পেশায় নাম জড়ানোর পর দায়িত্ব পালন করেছেন ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে নারীদের ফুটবল ফাইনালে। এ বছর কার্ডিফে বাঁশি বাজিয়েছেন নারীদের চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালেও। আগামীকালের উপলক্ষটা আরো বড়। বুন্দেসলিগায় হার্থা বার্লিন-ওয়ের্ডার ব্রেমনের ম্যাচে সব কিছু ভালো হওয়ার প্রত্যাশাতেই এখন স্টিয়েনহস, নারীর মুখে বাঁশি দেখে শুরুতে অবাক হতে পারেন কেউ কেউ। আমি নিশ্চিত এরপর সবাই মনোযোগ দেবে মাঠের ফুটবলে। আশা করছি, প্রথম ম্যাচটি শেষ করতে পারব ভালোভাবে।