ঢাকা ০৪:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ গুলশানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান, লার্ভা পাওয়ায় জরিমানা বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেবেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভী জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় সংস্কার আনা হবে : প্রতিমন্ত্রী জামায়াতের অধিকাংশ এমপি অধ্যাপক জাফর ইকবালের মতো: রাশেদ আরেক মামলায় গ্রেফতার কণ্ঠশিল্পী মমতাজ ১০ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি, নতুন বিতর্কের মুখে শুভেন্দু মসজিদের ভেতরে ইমামের ঝুলন্ত লাশ, পাশে পাওয়া গেছে চিরকুট বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইনহাউস কোচিংয়ের ব্যবস্থা রাখতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

পুরুষদের ফুটবলে প্রথম নারী রেফারি

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

প্রিয় দলের জয় দেখতেই সবার মাঠে যাওয়া। থাকে ড্রিবল, জমাট রক্ষণ কিংবা অসাধারণ সব গোলের প্রত্যাশা। রেফারির বাঁশি বাজানো দেখতে গ্যালারি বা টিভির সামনে বসে না কেউ। অথচ বুন্দেসলিগায় হার্থা বার্লিন-ওয়ের্ডার ব্রেমনের ম্যাচে সবার দৃষ্টি আটকে থাকবে এক রেফারির ওপর। কারণ জার্মান বুন্দেসলিগায় প্রথমবারের মতো ছেলেদের ম্যাচে বাঁশি নিয়ে মাঠে নামবেন নারী রেফারি! ৩৮ বছর বয়সী বিবিয়ানা স্টিয়েনহস নতুন ইতিহাস গড়তে চলেছেন তাই। এর পরও নিজেকে নারী রেফারিদের পথপ্রদর্শক ভাবছেন না স্টিয়েনহস, পথপ্রদর্শক হয়ে থাকতে চাই না আমি। রেফারিং ভালোবাসি, উপভোগ করতে চাই এটাই। কেউ যেন অহেতুক আমাকে নিয়ে শিরোনাম না করে, বিব্রতকর হবে ব্যাপারটা।

ছেলেদের ফুটবলে নারী রেফারিং এবারই প্রথম নয়। ইউরোপের তুর্কি লিগের ম্যাচ পরিচালনা করেছেন চার নারী রেফারি। অন্য অনেক দেশের দ্বিতীয় বিভাগের লিগে নারী রেফারির পদচারণও নিয়মিত। এমনকি খোদ বিবিয়ানা স্টিয়েনহস পর্যন্ত আগস্ট মাসেও পরিচালনা করেছেন জার্মান কাপে বায়ার্ন মিউনিখের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচ। তবে ইউরোপের সেরা পাঁচ ফুটবল লিগে বুন্দেসলিগাতেই প্রথম অভিষেক হতে যাচ্ছে নারী রেফারির।

এমন উপলক্ষের জন্য প্রস্তুত স্টিয়েনহস, বুন্দেসলিগায় প্রথম ম্যাচে আমার প্রত্যাশা অবশ্যই অনেক বেশি। অসাধারণ এই চ্যালেঞ্জের জন্য মুখিয়ে আছি। আমি আর আমার দল পুরো প্রস্তুত।

একটা সময় ভালো সাঁতারু ছিলেন স্টিয়েনহস। রেফারিংয়ের পাশাপাশি জার্মান পুলিশের অফিসারও তিনি। শিরোনামে এসেছিলেন ইংলিশ তারকা রেফারি হাওয়ার্ড ওয়েবের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে। তবে সব কিছু ছাপিয়ে স্টিয়েনহস উজ্জ্বল তাঁর রেফারিং ক্যারিয়ারে। ২০০৭ সালে এই পেশায় নাম জড়ানোর পর দায়িত্ব পালন করেছেন ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে নারীদের ফুটবল ফাইনালে। এ বছর কার্ডিফে বাঁশি বাজিয়েছেন নারীদের চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালেও। আগামীকালের উপলক্ষটা আরো বড়। বুন্দেসলিগায় হার্থা বার্লিন-ওয়ের্ডার ব্রেমনের ম্যাচে সব কিছু ভালো হওয়ার প্রত্যাশাতেই এখন স্টিয়েনহস, নারীর মুখে বাঁশি দেখে শুরুতে অবাক হতে পারেন কেউ কেউ। আমি নিশ্চিত এরপর সবাই মনোযোগ দেবে মাঠের ফুটবলে। আশা করছি, প্রথম ম্যাচটি শেষ করতে পারব ভালোভাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

পুরুষদের ফুটবলে প্রথম নারী রেফারি

আপডেট সময় ০১:১৭:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

প্রিয় দলের জয় দেখতেই সবার মাঠে যাওয়া। থাকে ড্রিবল, জমাট রক্ষণ কিংবা অসাধারণ সব গোলের প্রত্যাশা। রেফারির বাঁশি বাজানো দেখতে গ্যালারি বা টিভির সামনে বসে না কেউ। অথচ বুন্দেসলিগায় হার্থা বার্লিন-ওয়ের্ডার ব্রেমনের ম্যাচে সবার দৃষ্টি আটকে থাকবে এক রেফারির ওপর। কারণ জার্মান বুন্দেসলিগায় প্রথমবারের মতো ছেলেদের ম্যাচে বাঁশি নিয়ে মাঠে নামবেন নারী রেফারি! ৩৮ বছর বয়সী বিবিয়ানা স্টিয়েনহস নতুন ইতিহাস গড়তে চলেছেন তাই। এর পরও নিজেকে নারী রেফারিদের পথপ্রদর্শক ভাবছেন না স্টিয়েনহস, পথপ্রদর্শক হয়ে থাকতে চাই না আমি। রেফারিং ভালোবাসি, উপভোগ করতে চাই এটাই। কেউ যেন অহেতুক আমাকে নিয়ে শিরোনাম না করে, বিব্রতকর হবে ব্যাপারটা।

ছেলেদের ফুটবলে নারী রেফারিং এবারই প্রথম নয়। ইউরোপের তুর্কি লিগের ম্যাচ পরিচালনা করেছেন চার নারী রেফারি। অন্য অনেক দেশের দ্বিতীয় বিভাগের লিগে নারী রেফারির পদচারণও নিয়মিত। এমনকি খোদ বিবিয়ানা স্টিয়েনহস পর্যন্ত আগস্ট মাসেও পরিচালনা করেছেন জার্মান কাপে বায়ার্ন মিউনিখের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচ। তবে ইউরোপের সেরা পাঁচ ফুটবল লিগে বুন্দেসলিগাতেই প্রথম অভিষেক হতে যাচ্ছে নারী রেফারির।

এমন উপলক্ষের জন্য প্রস্তুত স্টিয়েনহস, বুন্দেসলিগায় প্রথম ম্যাচে আমার প্রত্যাশা অবশ্যই অনেক বেশি। অসাধারণ এই চ্যালেঞ্জের জন্য মুখিয়ে আছি। আমি আর আমার দল পুরো প্রস্তুত।

একটা সময় ভালো সাঁতারু ছিলেন স্টিয়েনহস। রেফারিংয়ের পাশাপাশি জার্মান পুলিশের অফিসারও তিনি। শিরোনামে এসেছিলেন ইংলিশ তারকা রেফারি হাওয়ার্ড ওয়েবের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে। তবে সব কিছু ছাপিয়ে স্টিয়েনহস উজ্জ্বল তাঁর রেফারিং ক্যারিয়ারে। ২০০৭ সালে এই পেশায় নাম জড়ানোর পর দায়িত্ব পালন করেছেন ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে নারীদের ফুটবল ফাইনালে। এ বছর কার্ডিফে বাঁশি বাজিয়েছেন নারীদের চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালেও। আগামীকালের উপলক্ষটা আরো বড়। বুন্দেসলিগায় হার্থা বার্লিন-ওয়ের্ডার ব্রেমনের ম্যাচে সব কিছু ভালো হওয়ার প্রত্যাশাতেই এখন স্টিয়েনহস, নারীর মুখে বাঁশি দেখে শুরুতে অবাক হতে পারেন কেউ কেউ। আমি নিশ্চিত এরপর সবাই মনোযোগ দেবে মাঠের ফুটবলে। আশা করছি, প্রথম ম্যাচটি শেষ করতে পারব ভালোভাবে।