ঢাকা ০৫:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আগামী সপ্তাহ থেকে কিছুটা গ্যাস সংকট কেটে যাবে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত খুলবে চায়না অর্থনৈতিক অঞ্চল : অর্থমন্ত্রী কমিউনিটি এনগেজমেন্টের মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়কে শক্তিশালী করতে হবে: ববি হাজ্জাজ এক হাজার ফাউন্ডারকে জমির দলিল দিল সুখের খামার রাবি ছাত্রীকে চাকু-পিস্তলের ভয় দেখানোর অভিযোগ, পদ্মায় ফেলে দেওয়ার হুমকি বিনিয়োগকারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট মালদ্বীপের স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগদান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বার্তা আদান-প্রদান চলছে, তবে আলোচনার পরিস্থিতি নেই: ইরান শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞ:শেখ হাসিনাসহ পলাতকদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

রোহিঙ্গাদের বের করে দিতে মোদি সরকারের চাপ, মমতার না

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নিজ দেশের সেনাবাহিনীর বর্বরতা, হত্যা ও ধর্ষণ থেকে প্রাণ বাঁচিয়ে বাংলাদেশসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছেন রোহিঙ্গারা। অসহায় এ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় না দিয়ে দেশ থেকে বের করে দেয়ার চেষ্টা করছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। তবে পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের পুশব্যাক করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

মমতা সরকারের শীর্ষ মহলের সিদ্ধান্ত, উদ্বাস্তু রোহিঙ্গারা থাকতে চাইলে মানবিকতার খাতিরেই তাদের থাকতে দেয়া হবে। কোনো অবস্থাতেই জোর করে ফেরত পাঠানো হবে না। এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তাব্যক্তি বলেন, ‘রোহিঙ্গারা মুসলিম বলেই কেন্দ্র এমন অবস্থান নিচ্ছে। কিন্তু কেন্দ্র অমানবিক হলেও আমরা তা হতে পারব না।’

পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় দৈনিক আনন্দবাজারের অনলাইন প্রতিবেদনে বলা হয়- দেশটিতে ১ লাখ ২০ হাজার তিব্বতি, ৬০ হাজার পাখতুন, ১০ হাজার সিংহলি শরণার্থী রয়েছেন। এর পাশাপাশি, ৩০ লাখ থেকে ২ কোটি বাংলাদেশিও ঢুকে পড়েছে বলে বিভিন্ন সংস্থার দাবি। কেন্দ্র কখনও এদের নিয়ে বিশেষ অবস্থান নেয়নি।

অথচ, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের উপরে অবর্ণনীয় অত্যাচার ও নির্বিচার হত্যার পরিপ্রেক্ষিতে বহু দেশ তাদের জন্য দরজা খুলে দিলেও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার বলেছেন, ‘সব রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুই অনুপ্রবেশকারী। তাদের সকলকে ফেরত পাঠানো হবে।’ ভারত সরকারের এমন দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করেছে জাতিসংঘ।

মিয়ানমারে সরকারি বাহিনীর বর্বরতার মুখে গত কয়েক বছর ধরে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা দেশ ছেড়ে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছে। গত ২৫ অগস্ট থেকে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ায় সেই সংখ্যাটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিভিন্ন সময় বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা ইতোমধ্যে ১৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আগামী সপ্তাহ থেকে কিছুটা গ্যাস সংকট কেটে যাবে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের বের করে দিতে মোদি সরকারের চাপ, মমতার না

আপডেট সময় ০১:০৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নিজ দেশের সেনাবাহিনীর বর্বরতা, হত্যা ও ধর্ষণ থেকে প্রাণ বাঁচিয়ে বাংলাদেশসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছেন রোহিঙ্গারা। অসহায় এ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় না দিয়ে দেশ থেকে বের করে দেয়ার চেষ্টা করছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। তবে পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের পুশব্যাক করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

মমতা সরকারের শীর্ষ মহলের সিদ্ধান্ত, উদ্বাস্তু রোহিঙ্গারা থাকতে চাইলে মানবিকতার খাতিরেই তাদের থাকতে দেয়া হবে। কোনো অবস্থাতেই জোর করে ফেরত পাঠানো হবে না। এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তাব্যক্তি বলেন, ‘রোহিঙ্গারা মুসলিম বলেই কেন্দ্র এমন অবস্থান নিচ্ছে। কিন্তু কেন্দ্র অমানবিক হলেও আমরা তা হতে পারব না।’

পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় দৈনিক আনন্দবাজারের অনলাইন প্রতিবেদনে বলা হয়- দেশটিতে ১ লাখ ২০ হাজার তিব্বতি, ৬০ হাজার পাখতুন, ১০ হাজার সিংহলি শরণার্থী রয়েছেন। এর পাশাপাশি, ৩০ লাখ থেকে ২ কোটি বাংলাদেশিও ঢুকে পড়েছে বলে বিভিন্ন সংস্থার দাবি। কেন্দ্র কখনও এদের নিয়ে বিশেষ অবস্থান নেয়নি।

অথচ, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের উপরে অবর্ণনীয় অত্যাচার ও নির্বিচার হত্যার পরিপ্রেক্ষিতে বহু দেশ তাদের জন্য দরজা খুলে দিলেও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার বলেছেন, ‘সব রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুই অনুপ্রবেশকারী। তাদের সকলকে ফেরত পাঠানো হবে।’ ভারত সরকারের এমন দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করেছে জাতিসংঘ।

মিয়ানমারে সরকারি বাহিনীর বর্বরতার মুখে গত কয়েক বছর ধরে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা দেশ ছেড়ে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছে। গত ২৫ অগস্ট থেকে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ায় সেই সংখ্যাটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিভিন্ন সময় বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা ইতোমধ্যে ১৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।