ঢাকা ১১:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অবরোধের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিল রাশিয়ান নৌযান অতীতের ইতিহাস দিয়ে বর্তমান জামায়াতকে বিশ্লেষণ করবেন না: শাহজাহান চৌধুরী হরমুজ খুলে দেওয়ার দাবি কাতারের, ‘ফ্রোজেন কনফ্লিক্ট’ নিয়ে সতর্কতা মোমবাতির আলোয় এসএসসি পরীক্ষা, বিপাকে শিক্ষার্থীরা ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে নিজের অবদান বলতে গিয়ে অন্যের অবদানকে হাতুড়িপেটা করেছেন :শফিকুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের তুলনা করা অন্যায় : ফজলুর রহমান ভারতীয় ভিসা-সংক্রান্ত বিষয়ে দ্রুতই ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিরোধী দলের অনেকেই আমাকে ‘ফজা পাগলা’ বলে ডাকে: সংসদে ফজলুর রহমান কোদাল দিয়ে কুপিয়েই দাদি-ফুফুসহ ৩ জনকে হত্যা করে আকাশ থানায় মামলা করতে গিয়ে হয়রানি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে

রোহিঙ্গাদের বের করে দিতে মোদি সরকারের চাপ, মমতার না

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নিজ দেশের সেনাবাহিনীর বর্বরতা, হত্যা ও ধর্ষণ থেকে প্রাণ বাঁচিয়ে বাংলাদেশসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছেন রোহিঙ্গারা। অসহায় এ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় না দিয়ে দেশ থেকে বের করে দেয়ার চেষ্টা করছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। তবে পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের পুশব্যাক করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

মমতা সরকারের শীর্ষ মহলের সিদ্ধান্ত, উদ্বাস্তু রোহিঙ্গারা থাকতে চাইলে মানবিকতার খাতিরেই তাদের থাকতে দেয়া হবে। কোনো অবস্থাতেই জোর করে ফেরত পাঠানো হবে না। এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তাব্যক্তি বলেন, ‘রোহিঙ্গারা মুসলিম বলেই কেন্দ্র এমন অবস্থান নিচ্ছে। কিন্তু কেন্দ্র অমানবিক হলেও আমরা তা হতে পারব না।’

পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় দৈনিক আনন্দবাজারের অনলাইন প্রতিবেদনে বলা হয়- দেশটিতে ১ লাখ ২০ হাজার তিব্বতি, ৬০ হাজার পাখতুন, ১০ হাজার সিংহলি শরণার্থী রয়েছেন। এর পাশাপাশি, ৩০ লাখ থেকে ২ কোটি বাংলাদেশিও ঢুকে পড়েছে বলে বিভিন্ন সংস্থার দাবি। কেন্দ্র কখনও এদের নিয়ে বিশেষ অবস্থান নেয়নি।

অথচ, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের উপরে অবর্ণনীয় অত্যাচার ও নির্বিচার হত্যার পরিপ্রেক্ষিতে বহু দেশ তাদের জন্য দরজা খুলে দিলেও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার বলেছেন, ‘সব রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুই অনুপ্রবেশকারী। তাদের সকলকে ফেরত পাঠানো হবে।’ ভারত সরকারের এমন দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করেছে জাতিসংঘ।

মিয়ানমারে সরকারি বাহিনীর বর্বরতার মুখে গত কয়েক বছর ধরে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা দেশ ছেড়ে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছে। গত ২৫ অগস্ট থেকে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ায় সেই সংখ্যাটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিভিন্ন সময় বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা ইতোমধ্যে ১৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

অবরোধের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিল রাশিয়ান নৌযান

রোহিঙ্গাদের বের করে দিতে মোদি সরকারের চাপ, মমতার না

আপডেট সময় ০১:০৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নিজ দেশের সেনাবাহিনীর বর্বরতা, হত্যা ও ধর্ষণ থেকে প্রাণ বাঁচিয়ে বাংলাদেশসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছেন রোহিঙ্গারা। অসহায় এ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় না দিয়ে দেশ থেকে বের করে দেয়ার চেষ্টা করছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। তবে পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের পুশব্যাক করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

মমতা সরকারের শীর্ষ মহলের সিদ্ধান্ত, উদ্বাস্তু রোহিঙ্গারা থাকতে চাইলে মানবিকতার খাতিরেই তাদের থাকতে দেয়া হবে। কোনো অবস্থাতেই জোর করে ফেরত পাঠানো হবে না। এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তাব্যক্তি বলেন, ‘রোহিঙ্গারা মুসলিম বলেই কেন্দ্র এমন অবস্থান নিচ্ছে। কিন্তু কেন্দ্র অমানবিক হলেও আমরা তা হতে পারব না।’

পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় দৈনিক আনন্দবাজারের অনলাইন প্রতিবেদনে বলা হয়- দেশটিতে ১ লাখ ২০ হাজার তিব্বতি, ৬০ হাজার পাখতুন, ১০ হাজার সিংহলি শরণার্থী রয়েছেন। এর পাশাপাশি, ৩০ লাখ থেকে ২ কোটি বাংলাদেশিও ঢুকে পড়েছে বলে বিভিন্ন সংস্থার দাবি। কেন্দ্র কখনও এদের নিয়ে বিশেষ অবস্থান নেয়নি।

অথচ, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের উপরে অবর্ণনীয় অত্যাচার ও নির্বিচার হত্যার পরিপ্রেক্ষিতে বহু দেশ তাদের জন্য দরজা খুলে দিলেও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার বলেছেন, ‘সব রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুই অনুপ্রবেশকারী। তাদের সকলকে ফেরত পাঠানো হবে।’ ভারত সরকারের এমন দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করেছে জাতিসংঘ।

মিয়ানমারে সরকারি বাহিনীর বর্বরতার মুখে গত কয়েক বছর ধরে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা দেশ ছেড়ে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছে। গত ২৫ অগস্ট থেকে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ায় সেই সংখ্যাটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিভিন্ন সময় বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা ইতোমধ্যে ১৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।