ঢাকা ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

তিন দিনে ধর্ষণ মামলার রায়, সেই মাদ্রাসা সুপারের যাবজ্জীবন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

এবার কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণ মামলায় মাত্র তিন কার্যদিবসে রায় প্রদান করলেন আদালত। রায়ে মাদ্রাসা সুপার মাওলানা আবদুল কাদেরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের জেল দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুর দেড়টায় আসামির উপস্থিতিতে এ রায় প্রদান করেন কুষ্টিয়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান।

এত দ্রুত সময়ে রায় দেয়ার ঘটনা জেলায় এটিই প্রথম। দেড় মাস আগে এ মামলা দায়ের করা হয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ৩ ও ৪ অক্টোবর মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ ইউনিয়নের স্বরূপদহ চকপাড়া এলাকায় সিরাজুল ইসলাম দারুল উলুম মরিয়ম নেসা মহিলা মাদ্রাসায় ১৩ বছরের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে দুই দফায় ধর্ষণ করে মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আবদুল কাদের। ঘটনার পর ৫ অক্টোবর ওই ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ওইদিন পুলিশ মাওলানা আবদুল কাদেরকে গ্রেফতার করে। পরের দিন ৬ অক্টোবর আবদুল কাদের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন।

মিরপুর থানা পুলিশের এসআই আতিক এই মামলার তদন্ত করে মাত্র সাত দিনের মাথায় আদালতে গত ১৩ অক্টোবর তাকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট প্রদান করেন। এরপর গত ১২ নভেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ মামলার চার্জ গঠন করেন। ১৩ ও ১৪ নভেম্বর ছুটি ছিল। ১৫ নভেম্বর বাদীসহ ১৩ জনের সাক্ষ্য নেয় আদালত। বিচার কার্য শুরুর মাত্র তিনদিনের মাথায় মঙ্গলবার বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান আসামির উপস্থিতিতে রায় প্রদান করে।

আদালতের পিপি আবদুল হালিম বলেন, মাত্র তিন কার্যদিবসে রায় হওয়ার বিষয়টি দেশে বিরল। দ্রুত এ রায়ের মাধ্যমে নির্যাতিত পরিবারটি ন্যায় বিচার পেয়েছে। এ রায়ের মাধ্যমে আদালতের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বেড়ে গেল। আগামীতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ ধরনের রায় আরও হবে বলে আমরা আশা করছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

তিন দিনে ধর্ষণ মামলার রায়, সেই মাদ্রাসা সুপারের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৫:০৮:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

এবার কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণ মামলায় মাত্র তিন কার্যদিবসে রায় প্রদান করলেন আদালত। রায়ে মাদ্রাসা সুপার মাওলানা আবদুল কাদেরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের জেল দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুর দেড়টায় আসামির উপস্থিতিতে এ রায় প্রদান করেন কুষ্টিয়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান।

এত দ্রুত সময়ে রায় দেয়ার ঘটনা জেলায় এটিই প্রথম। দেড় মাস আগে এ মামলা দায়ের করা হয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ৩ ও ৪ অক্টোবর মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ ইউনিয়নের স্বরূপদহ চকপাড়া এলাকায় সিরাজুল ইসলাম দারুল উলুম মরিয়ম নেসা মহিলা মাদ্রাসায় ১৩ বছরের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে দুই দফায় ধর্ষণ করে মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আবদুল কাদের। ঘটনার পর ৫ অক্টোবর ওই ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ওইদিন পুলিশ মাওলানা আবদুল কাদেরকে গ্রেফতার করে। পরের দিন ৬ অক্টোবর আবদুল কাদের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন।

মিরপুর থানা পুলিশের এসআই আতিক এই মামলার তদন্ত করে মাত্র সাত দিনের মাথায় আদালতে গত ১৩ অক্টোবর তাকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট প্রদান করেন। এরপর গত ১২ নভেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ মামলার চার্জ গঠন করেন। ১৩ ও ১৪ নভেম্বর ছুটি ছিল। ১৫ নভেম্বর বাদীসহ ১৩ জনের সাক্ষ্য নেয় আদালত। বিচার কার্য শুরুর মাত্র তিনদিনের মাথায় মঙ্গলবার বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান আসামির উপস্থিতিতে রায় প্রদান করে।

আদালতের পিপি আবদুল হালিম বলেন, মাত্র তিন কার্যদিবসে রায় হওয়ার বিষয়টি দেশে বিরল। দ্রুত এ রায়ের মাধ্যমে নির্যাতিত পরিবারটি ন্যায় বিচার পেয়েছে। এ রায়ের মাধ্যমে আদালতের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বেড়ে গেল। আগামীতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ ধরনের রায় আরও হবে বলে আমরা আশা করছি।