ঢাকা ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রূপগঞ্জে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড নতুন রাষ্ট্রপতি দিয়ে সরকারকে যাত্রা শুরু করতে হবে: উমামা প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় ছাত্রলীগ নেতা সুবিধা বঞ্চিত নারী ও শিশুদের নিয়ে ইফতার করলেন ডা. জুবাইদা রহমান ফিলিস্তিন ভূখণ্ড দখলে ইসরায়েলি আইনের তীব্র নিন্দা বাংলাদেশের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সরকার স্বচ্ছতার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে চায়: আসাদুজ্জামান ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীর সাকিবকে খেলতে না দেওয়া দুর্নীতি হলে শাস্তি পেতে রাজি: আসিফ মাহমুদ পাকিস্তানের ‘ঘাড় মটকে’ দেয়ার হুঁশিয়ারি আফগানিস্তানের নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার: মির্জা ফখরুল

তিন দিনে ধর্ষণ মামলার রায়, সেই মাদ্রাসা সুপারের যাবজ্জীবন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

এবার কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণ মামলায় মাত্র তিন কার্যদিবসে রায় প্রদান করলেন আদালত। রায়ে মাদ্রাসা সুপার মাওলানা আবদুল কাদেরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের জেল দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুর দেড়টায় আসামির উপস্থিতিতে এ রায় প্রদান করেন কুষ্টিয়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান।

এত দ্রুত সময়ে রায় দেয়ার ঘটনা জেলায় এটিই প্রথম। দেড় মাস আগে এ মামলা দায়ের করা হয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ৩ ও ৪ অক্টোবর মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ ইউনিয়নের স্বরূপদহ চকপাড়া এলাকায় সিরাজুল ইসলাম দারুল উলুম মরিয়ম নেসা মহিলা মাদ্রাসায় ১৩ বছরের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে দুই দফায় ধর্ষণ করে মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আবদুল কাদের। ঘটনার পর ৫ অক্টোবর ওই ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ওইদিন পুলিশ মাওলানা আবদুল কাদেরকে গ্রেফতার করে। পরের দিন ৬ অক্টোবর আবদুল কাদের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন।

মিরপুর থানা পুলিশের এসআই আতিক এই মামলার তদন্ত করে মাত্র সাত দিনের মাথায় আদালতে গত ১৩ অক্টোবর তাকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট প্রদান করেন। এরপর গত ১২ নভেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ মামলার চার্জ গঠন করেন। ১৩ ও ১৪ নভেম্বর ছুটি ছিল। ১৫ নভেম্বর বাদীসহ ১৩ জনের সাক্ষ্য নেয় আদালত। বিচার কার্য শুরুর মাত্র তিনদিনের মাথায় মঙ্গলবার বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান আসামির উপস্থিতিতে রায় প্রদান করে।

আদালতের পিপি আবদুল হালিম বলেন, মাত্র তিন কার্যদিবসে রায় হওয়ার বিষয়টি দেশে বিরল। দ্রুত এ রায়ের মাধ্যমে নির্যাতিত পরিবারটি ন্যায় বিচার পেয়েছে। এ রায়ের মাধ্যমে আদালতের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বেড়ে গেল। আগামীতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ ধরনের রায় আরও হবে বলে আমরা আশা করছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রূপগঞ্জে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

তিন দিনে ধর্ষণ মামলার রায়, সেই মাদ্রাসা সুপারের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৫:০৮:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

এবার কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণ মামলায় মাত্র তিন কার্যদিবসে রায় প্রদান করলেন আদালত। রায়ে মাদ্রাসা সুপার মাওলানা আবদুল কাদেরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের জেল দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুর দেড়টায় আসামির উপস্থিতিতে এ রায় প্রদান করেন কুষ্টিয়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান।

এত দ্রুত সময়ে রায় দেয়ার ঘটনা জেলায় এটিই প্রথম। দেড় মাস আগে এ মামলা দায়ের করা হয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ৩ ও ৪ অক্টোবর মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ ইউনিয়নের স্বরূপদহ চকপাড়া এলাকায় সিরাজুল ইসলাম দারুল উলুম মরিয়ম নেসা মহিলা মাদ্রাসায় ১৩ বছরের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে দুই দফায় ধর্ষণ করে মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আবদুল কাদের। ঘটনার পর ৫ অক্টোবর ওই ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ওইদিন পুলিশ মাওলানা আবদুল কাদেরকে গ্রেফতার করে। পরের দিন ৬ অক্টোবর আবদুল কাদের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন।

মিরপুর থানা পুলিশের এসআই আতিক এই মামলার তদন্ত করে মাত্র সাত দিনের মাথায় আদালতে গত ১৩ অক্টোবর তাকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট প্রদান করেন। এরপর গত ১২ নভেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ মামলার চার্জ গঠন করেন। ১৩ ও ১৪ নভেম্বর ছুটি ছিল। ১৫ নভেম্বর বাদীসহ ১৩ জনের সাক্ষ্য নেয় আদালত। বিচার কার্য শুরুর মাত্র তিনদিনের মাথায় মঙ্গলবার বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান আসামির উপস্থিতিতে রায় প্রদান করে।

আদালতের পিপি আবদুল হালিম বলেন, মাত্র তিন কার্যদিবসে রায় হওয়ার বিষয়টি দেশে বিরল। দ্রুত এ রায়ের মাধ্যমে নির্যাতিত পরিবারটি ন্যায় বিচার পেয়েছে। এ রায়ের মাধ্যমে আদালতের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বেড়ে গেল। আগামীতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ ধরনের রায় আরও হবে বলে আমরা আশা করছি।