ঢাকা ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বায়োএনটেক-ফাইজারের ভ্যাকসিন ৯০ শতাংশ কার্যকর দাবি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জার্মান প্রতিষ্ঠান বায়োএনটেক ও মার্কিন প্রতিষ্ঠান ফাইজারের যৌথ উদ্যোগে তৈরি করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে ৯০ শতাংশ কার্যকারিতা দেখিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। বড় আকারের কোনো পরীক্ষায় সাফল্যের খবর এই প্রথম এক বিবৃতিতে জানাল প্রতিষ্ঠান দুটি।

তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে কোনো উল্লেখযোগ্য স্বাস্থ্যসংক্রান্ত জটিলতা দেখা যায়নি বলেও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠান দুটি। একই সঙ্গে এর ভ্যাকসিন প্রতিরোধ ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন গবেষকেরা।

বায়োএনটেকের প্রধান নির্বাহী উগুর সাহিন বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ‘আমরা আশা করি, এই টিকার প্রতিরোধ ক্ষমতা অন্তত এক বছর স্থায়ী হবে।’

যৌথ বিবৃতিতে ফাইজারের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী আলবার্ট বোর্লা জানিয়েছেন, ‘টিকার তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষার প্রাথমিক ফলে আমরা প্রমাণ পেয়েছি যে, এটি কোভিড-১৯ প্রতিরোধ করতে পারে।’

যাদের আগে কখনও করোনা সংক্রমণ হয়নি, এমন মানুষের ওপর চালানো এ পরীক্ষায় দেখা গেছে যেম টিকা দেওয়ার পর শরীরে করোনাভাইরাস প্রবেশ করলেও তাদের কোভিড-১৯ হয়নি।

জুলাইয়ের শেষ থেকে শুরু হওয়া তৃতীয় পর্যায়ের এ ট্রায়ালে ৪৩ হাজার ৫০০ জনেরও মানুষ অংশ নিয়েছেন। আগামী সপ্তাহেই মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা এফডিএর অনুমতির জন্য আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠান দুটি।

ফাইজার ও বায়োএনটেক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে টিকা সরবরাহে এরই মধ্যে ১৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি অর্থের চুক্তি সই করেছে। চুক্তি সই হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, ক্যানাডা, জাপানের সঙ্গেও। সময় বাঁচাতে এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে উৎপাদনও। ২০২০ সালেই প্রতিষ্ঠান দুটি পাঁচ কোটি ডোজ টিকা উৎপাদন করতে চায়। এর ফলে অন্তত আড়াই কোটি মানুষকে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে। ২০২১ সালে আরও ১৩০ কোটি ভ্যাকসিন উৎপাদনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ফাইজার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বায়োএনটেক-ফাইজারের ভ্যাকসিন ৯০ শতাংশ কার্যকর দাবি

আপডেট সময় ০৯:২৪:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ নভেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জার্মান প্রতিষ্ঠান বায়োএনটেক ও মার্কিন প্রতিষ্ঠান ফাইজারের যৌথ উদ্যোগে তৈরি করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে ৯০ শতাংশ কার্যকারিতা দেখিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। বড় আকারের কোনো পরীক্ষায় সাফল্যের খবর এই প্রথম এক বিবৃতিতে জানাল প্রতিষ্ঠান দুটি।

তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে কোনো উল্লেখযোগ্য স্বাস্থ্যসংক্রান্ত জটিলতা দেখা যায়নি বলেও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠান দুটি। একই সঙ্গে এর ভ্যাকসিন প্রতিরোধ ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন গবেষকেরা।

বায়োএনটেকের প্রধান নির্বাহী উগুর সাহিন বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ‘আমরা আশা করি, এই টিকার প্রতিরোধ ক্ষমতা অন্তত এক বছর স্থায়ী হবে।’

যৌথ বিবৃতিতে ফাইজারের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী আলবার্ট বোর্লা জানিয়েছেন, ‘টিকার তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষার প্রাথমিক ফলে আমরা প্রমাণ পেয়েছি যে, এটি কোভিড-১৯ প্রতিরোধ করতে পারে।’

যাদের আগে কখনও করোনা সংক্রমণ হয়নি, এমন মানুষের ওপর চালানো এ পরীক্ষায় দেখা গেছে যেম টিকা দেওয়ার পর শরীরে করোনাভাইরাস প্রবেশ করলেও তাদের কোভিড-১৯ হয়নি।

জুলাইয়ের শেষ থেকে শুরু হওয়া তৃতীয় পর্যায়ের এ ট্রায়ালে ৪৩ হাজার ৫০০ জনেরও মানুষ অংশ নিয়েছেন। আগামী সপ্তাহেই মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা এফডিএর অনুমতির জন্য আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠান দুটি।

ফাইজার ও বায়োএনটেক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে টিকা সরবরাহে এরই মধ্যে ১৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি অর্থের চুক্তি সই করেছে। চুক্তি সই হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, ক্যানাডা, জাপানের সঙ্গেও। সময় বাঁচাতে এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে উৎপাদনও। ২০২০ সালেই প্রতিষ্ঠান দুটি পাঁচ কোটি ডোজ টিকা উৎপাদন করতে চায়। এর ফলে অন্তত আড়াই কোটি মানুষকে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে। ২০২১ সালে আরও ১৩০ কোটি ভ্যাকসিন উৎপাদনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ফাইজার।