ঢাকা ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ হাসনাত আব্দুল্লাহর আসনে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে ছুরিকাঘাতে হত্যা কৌশলের অজুহাতে বিএনপি কোনো গোপন বেশ ধারণ করেনি: তারেক রহমান ‘জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে, নতুন বাংলাদেশের পক্ষে’ সিলেটে তিন বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত দুই, আহত ১০ বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা

ছড়িয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের এক জায়গায় নেওয়া হবে : ত্রাণমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের এক জায়গায় নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।

আজ শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালংয়ে রোহিঙ্গা বস্তি পরিদর্শন শেষে সংবাদ সম্মেলনে ত্রাণমন্ত্রী এ কথা বলেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের মন্ত্রী বলেন, ছড়িয়ে ছিটিয়ে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের এক জায়গায় নিয়ে আসা হবে। এ জন্য কুতুপালং ও বালুখালীতে জায়গা দেখা হচ্ছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী জানান, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার পর গ্রাম ছেড়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে শুরু করেছে। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ অনুযায়ী বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার ব্যাপারে আন্তর্জাতিকভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। মিয়ানমারে পরিস্থিতি স্বভাবিক হলে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফেরত পাঠানো হবে।

মায়া আরো বলেন, সীমান্ত পাড়ি দিয়ে এরই মধ্যে কত সংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে তার কোনো সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও সূত্রমতে প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে।

সোয়া এক ঘণ্টা কুতুপালং ও সংলগ্ন রোহিঙ্গা বস্তি এলাকা পরিদর্শন করেন ত্রাণমন্ত্রী। এরপর ক্যাম্প ইনচার্জের কার্যালয়ে রোহিঙ্গাদের সার্বিক বিষয়ে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে কক্সবাজারের উদ্দেশে স্থান ত্যাগ করেন তিনি। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শাহ কামাল।

মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া আগামীকাল শনিবার সকালে টেকনাফের হ্নীলা, লেদাসহ আশপাশের রোহিঙ্গা বস্তি পরিদর্শন করবেন বলে জানা গেছে। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের হিসেবে অনুযায়ী, দুই সপ্তাহে দুই লাখ ৭০ হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমা থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কেউ আমাকে বোঝায়নি, আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি: ট্রাম্প

ছড়িয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের এক জায়গায় নেওয়া হবে : ত্রাণমন্ত্রী

আপডেট সময় ১০:৪৩:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের এক জায়গায় নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।

আজ শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালংয়ে রোহিঙ্গা বস্তি পরিদর্শন শেষে সংবাদ সম্মেলনে ত্রাণমন্ত্রী এ কথা বলেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের মন্ত্রী বলেন, ছড়িয়ে ছিটিয়ে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের এক জায়গায় নিয়ে আসা হবে। এ জন্য কুতুপালং ও বালুখালীতে জায়গা দেখা হচ্ছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী জানান, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার পর গ্রাম ছেড়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে শুরু করেছে। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ অনুযায়ী বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার ব্যাপারে আন্তর্জাতিকভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। মিয়ানমারে পরিস্থিতি স্বভাবিক হলে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফেরত পাঠানো হবে।

মায়া আরো বলেন, সীমান্ত পাড়ি দিয়ে এরই মধ্যে কত সংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে তার কোনো সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও সূত্রমতে প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে।

সোয়া এক ঘণ্টা কুতুপালং ও সংলগ্ন রোহিঙ্গা বস্তি এলাকা পরিদর্শন করেন ত্রাণমন্ত্রী। এরপর ক্যাম্প ইনচার্জের কার্যালয়ে রোহিঙ্গাদের সার্বিক বিষয়ে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে কক্সবাজারের উদ্দেশে স্থান ত্যাগ করেন তিনি। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শাহ কামাল।

মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া আগামীকাল শনিবার সকালে টেকনাফের হ্নীলা, লেদাসহ আশপাশের রোহিঙ্গা বস্তি পরিদর্শন করবেন বলে জানা গেছে। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের হিসেবে অনুযায়ী, দুই সপ্তাহে দুই লাখ ৭০ হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমা থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।