ঢাকা ১০:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীর সাকিবকে খেলতে না দেওয়া দুর্নীতি হলে শাস্তি পেতে রাজি: আসিফ মাহমুদ পাকিস্তানের ‘ঘাড় মটকে’ দেয়ার হুঁশিয়ারি আফগানিস্তানের নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার: মির্জা ফখরুল স্কুলছাত্রী বিন্তি হত্যায় প্রেমিকের দায় স্বীকার দেশের নাজুক অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ট্যাক্স বাড়াতে হবে: অর্থমন্ত্রী নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি জামায়াতের ঘরে ঘরে ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে চাই: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী রাজধানীসহ দেশের বিভিন্নস্থানে ভূমিকম্প অনুভূত ঐক্যবদ্ধভাবে সম্বৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই : জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

২০২২ সালের মধ্যে পোশাক খাতকে শিশুশ্রম মুক্ত করার দাবি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

২০২২ সালের মধ্যে স্থানীয় পোশাক খাতকে শিশুশ্রম মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে এ খাতের সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্ট শ্রমিকেরা। শ্রমিকদের এমন দাবির সঙ্গে একাত্মতা জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আবদুস সালাম।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে শিশুশ্রম দূরীকরণে এক গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করে বাংলাদেশ লেবার ফাউন্ডেশন (বিএলএফ)। ‌‘স্থানীয় পোশাক প্রস্তুতকারী কারখানার শিশুশ্রম নিরসন: সমস্যা ও করণীয়’ শীর্ষক এ আলোচনায় মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএলএফের নির্বাহী পরিচালক এ কে এম আশরাফ উদ্দিন।

কেরানীগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত স্থানীয় পোশাক প্রস্তুতকারী কারখানাগুলোকে মডেল ধরে বিএলএফের তৈরি করা এই প্রতিবেদনে দেখানো হয়, অত্র কারখানাগুলোতে শিশুশ্রমের সঙ্গে জড়িত শিশুদের শতকরা হার ১৬ দশমিক ৭ শতাংশ। এদের মধ্যে ৫ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার এবং ৫-১৭ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার। তবে এমন তথ্য নাকচ করেছেন সভায় উপস্থিত গার্মেন্টস ব্যবসায়ী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জেল হোসেন।

তিনি বলেন, আমার এলাকায় অর্থ্যাৎ কেরানীগঞ্জ এ ৫ থেকে ১২ বছর বয়সী কোনো শিশু শ্রমিক নেই। আমাদের কারখানাগুলোতে ২৫ থেকে ৩৫ শতাংশ নারী শ্রমিক। শিশুশ্রম আমাদের এলাকায় আছে, সব জায়গাতেই আছে তবে এই প্রতিবেদনে যেভাবে দেখানো হয়েছে সেভাবে নেই।

কিন্তু যথাযথ তথ্য উপাত্ত এবং নিয়ম মেনেই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে বিএলএফের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।

গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আবদুস সালাম মালিক ও শ্রমিক নেতাদের কাছে শিশুশ্রম কবে নাগাদ শূন্যে নামিয়ে আনা যায় সেবিষয়ে জানতে চান। এর উত্তরে প্রতিনিধিরা জানান, ২০২২ সাল নাগাদ এ খাতকে শিশুশ্রম মুক্ত করা যাবে।

এবিষয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব বলেন, আমিও এ দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছি। ২০২২ সালের মধ্যে এ খাতকে আমরা শিশুশ্রম মুক্ত দেখতে চাই। আমাদের মন্ত্রণালয়ের কলেবর খুব স্বল্প তবে আমাদের পরিধি অনেক বড়। প্রায় ৬ কোটি পরিবারের সঙ্গে আমাদের কাজ। এ স্থানীয় পোশাক খাতে প্রায় ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ নারী কর্মী এবং ৬০ থেকে ৪০ শতাংশ পুরুষ কর্মী আছেন। সেই হিসেবে এ মন্ত্রণালয় নারীর কর্মসংস্থান এবং ক্ষমতায়ন নিয়ে কাজ করে। আমরা আশা করছি, সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করলে এ খাতে শ্রম দেওয়া শিশুদের সংখ্যা শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব।

গোলটেবিল আলোচনায় অন্যান্যদের মধ্যে আইনজীবী সালমা আলী, বিএনএফের চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম খান এবং মহাসচিব এ জেড এম কামরুল আনামসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীর

২০২২ সালের মধ্যে পোশাক খাতকে শিশুশ্রম মুক্ত করার দাবি

আপডেট সময় ০৪:৫৬:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

২০২২ সালের মধ্যে স্থানীয় পোশাক খাতকে শিশুশ্রম মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে এ খাতের সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্ট শ্রমিকেরা। শ্রমিকদের এমন দাবির সঙ্গে একাত্মতা জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আবদুস সালাম।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে শিশুশ্রম দূরীকরণে এক গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করে বাংলাদেশ লেবার ফাউন্ডেশন (বিএলএফ)। ‌‘স্থানীয় পোশাক প্রস্তুতকারী কারখানার শিশুশ্রম নিরসন: সমস্যা ও করণীয়’ শীর্ষক এ আলোচনায় মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএলএফের নির্বাহী পরিচালক এ কে এম আশরাফ উদ্দিন।

কেরানীগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত স্থানীয় পোশাক প্রস্তুতকারী কারখানাগুলোকে মডেল ধরে বিএলএফের তৈরি করা এই প্রতিবেদনে দেখানো হয়, অত্র কারখানাগুলোতে শিশুশ্রমের সঙ্গে জড়িত শিশুদের শতকরা হার ১৬ দশমিক ৭ শতাংশ। এদের মধ্যে ৫ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার এবং ৫-১৭ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার। তবে এমন তথ্য নাকচ করেছেন সভায় উপস্থিত গার্মেন্টস ব্যবসায়ী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জেল হোসেন।

তিনি বলেন, আমার এলাকায় অর্থ্যাৎ কেরানীগঞ্জ এ ৫ থেকে ১২ বছর বয়সী কোনো শিশু শ্রমিক নেই। আমাদের কারখানাগুলোতে ২৫ থেকে ৩৫ শতাংশ নারী শ্রমিক। শিশুশ্রম আমাদের এলাকায় আছে, সব জায়গাতেই আছে তবে এই প্রতিবেদনে যেভাবে দেখানো হয়েছে সেভাবে নেই।

কিন্তু যথাযথ তথ্য উপাত্ত এবং নিয়ম মেনেই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে বিএলএফের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।

গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আবদুস সালাম মালিক ও শ্রমিক নেতাদের কাছে শিশুশ্রম কবে নাগাদ শূন্যে নামিয়ে আনা যায় সেবিষয়ে জানতে চান। এর উত্তরে প্রতিনিধিরা জানান, ২০২২ সাল নাগাদ এ খাতকে শিশুশ্রম মুক্ত করা যাবে।

এবিষয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব বলেন, আমিও এ দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছি। ২০২২ সালের মধ্যে এ খাতকে আমরা শিশুশ্রম মুক্ত দেখতে চাই। আমাদের মন্ত্রণালয়ের কলেবর খুব স্বল্প তবে আমাদের পরিধি অনেক বড়। প্রায় ৬ কোটি পরিবারের সঙ্গে আমাদের কাজ। এ স্থানীয় পোশাক খাতে প্রায় ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ নারী কর্মী এবং ৬০ থেকে ৪০ শতাংশ পুরুষ কর্মী আছেন। সেই হিসেবে এ মন্ত্রণালয় নারীর কর্মসংস্থান এবং ক্ষমতায়ন নিয়ে কাজ করে। আমরা আশা করছি, সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করলে এ খাতে শ্রম দেওয়া শিশুদের সংখ্যা শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব।

গোলটেবিল আলোচনায় অন্যান্যদের মধ্যে আইনজীবী সালমা আলী, বিএনএফের চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম খান এবং মহাসচিব এ জেড এম কামরুল আনামসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।