ঢাকা ০২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পে স্কেল বাস্তবায়ন পে কমিশনের প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করছে :অর্থ উপদেষ্টা প্লট দুর্নীতি মামলায় শেখ হাসিনা টিউলিপসহ ১৮ জনের মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি চুয়াডাঙ্গায় সেনাবাহিনীর হাতে আটকের পর বিএনপি নেতার মৃত্যু ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও গণভোটই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ: ড. মুহাম্মদ ইউনূস ব্যক্তির স্বৈরাচার হওয়া রোধেই আইনসভার উচ্চকক্ষ : আলী রীয়াজ ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর সরকারের দমন-পীড়ন, কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ইরানি জনগণই স্বৈরশাসকদের ক্ষমতাচ্যুত করবে: অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক

তামিমদের হারালো নাজমুলরা, ফাইনালে মাহমুদউল্লাহ একাদশ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের ফাইনালে উঠেছে নাজমুল একাদশ ও তামিম একাদশ। টুর্নামেন্টের ষষ্ঠ ম্যাচে তামিম একাদশকে সাত রানে হারিয়েছে নাজমুলের দল।

ফলে টুর্নামেন্টের শীর্ষ দুই দল হিসেবে ফাইনালে ওঠে নাজমুল ও মাহমুদউল্লাহর দল।

মিরপুরে বৃষ্টির কারণে ম্যাচ ৪১ ওভারে কমিয়ে আনা হয়। আগে ব্যাট করতে নেমে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের দারুণ বোলিংয়ে ১৬৫ রানে অলআউট হয় নাজমুল একাদশ। জবাবে বৃষ্টি আইনে ১৬৪ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১৫৬ রানে অল আউট হয় তামিমে দল।

১৬৪ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই এনামুল হক বিজয়ের (৭) উইকেট হারায় তামিম একাদশ। তবে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে তামিম ইকবাল ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ৫০ রানের জুটি গড়ে দলকে আর চাপে পড়তে দেয়নি। দলের সহজ জয়ের ভিত্তি গড়ে দেন তারা।

তামিম দলীয় ১০১ রানের মাথায় ৫৭ রান করে আউট হন। এরপর ইয়াসির আলী আলী রাব্বি (৬), মোসাদ্দেক হোসেন (৬), মেহেদি হাসান (৪) ও আকবর আলী (১) বিদায় নিলে ১৪৪ রানে সাত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় তামিমের দল।

এরপর মোহাম্মদ মিঠুন ২৯ রান করে বিদায় নিলে চাপ আরও বাড়ে তামিমের দলে। শেষ ওভারে জয়ে জন্য দরকার ছিল ১৫ রান। সৌম্য সরকাররের করা ৪১তম ওভারটি আর ১৫ রান তুলতে পারেননি সাইফউদ্দিন। শেষ পর্যন্ত ১৫৬ রানে অল আউট হয় তামিম একাদশ।

নাজমুল একাদশের তাসকিন আহমেদ চারটি এবং আল আমি হোসেন, আবু জায়েদ রাহি, নাসুম আহমেদ ও সৌম্য সরকার একটি করে উইকেট নেন।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রতি ম্যাচের মতো শুরুতেই টপঅর্ডার ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতা দেখা যায়। ২৫ রান তুলতেই প্যাভিলিয়নে ফেরত যান সৌম্য সরকার (৭), পারভেজ হোসেন ইমন (১০) ও নাজমুল হোসেন শান্ত (৫)।

চতুর্থ উইকেট জুটিতে মুশফিকুর রহিম ও আফিফ হোসেন দলের চাপ সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। ১৫ ওভারে ৩ উইকেটে ৫৪ রান তোলার পর বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় দেড় ঘণ্টার বেশি সময় খেলা বন্ধ থাকার পর খেলা আবার শুরু হয়। ৫০ ওভারের ম্যাচ ৪১ ওভারে নামিয়ে আনা হয়।

মুশফিক ও আফিফ বেশ আস্থার সঙ্গেই ব্যাট করতে থাকেন। ৫০ রানের জুটি গড়েন তারা। ৭৪ বলে অর্ধশতক তুলে নেন মুশি। তবে ইনিংস বেশি বড় করতে পারেননি তিনি। ফিফটি করার পরের বলেই দলীয় ১১৫ রানের মাথায় আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরত যান মুশফিক (৫১)। ভাঙে ৯০ রানের চতুর্থ উইকেট জুটি।

তবে এরপর আর কোনো ব্যাটসম্যান বড় রান করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ৩৯.৩ ওভারে ১৬৫ রানে অলআউট হয় নাজমুল একাদশ।

তামিম একাদশের মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন পাঁচটি, মোস্তাফিজুর রহমান তিনটি ও শেখ মেহেদি হাসান দু’টি উইকেট নেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রিয়ালের নতুন কোচ আরবেলোয়া

তামিমদের হারালো নাজমুলরা, ফাইনালে মাহমুদউল্লাহ একাদশ

আপডেট সময় ০৮:৩৫:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের ফাইনালে উঠেছে নাজমুল একাদশ ও তামিম একাদশ। টুর্নামেন্টের ষষ্ঠ ম্যাচে তামিম একাদশকে সাত রানে হারিয়েছে নাজমুলের দল।

ফলে টুর্নামেন্টের শীর্ষ দুই দল হিসেবে ফাইনালে ওঠে নাজমুল ও মাহমুদউল্লাহর দল।

মিরপুরে বৃষ্টির কারণে ম্যাচ ৪১ ওভারে কমিয়ে আনা হয়। আগে ব্যাট করতে নেমে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের দারুণ বোলিংয়ে ১৬৫ রানে অলআউট হয় নাজমুল একাদশ। জবাবে বৃষ্টি আইনে ১৬৪ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১৫৬ রানে অল আউট হয় তামিমে দল।

১৬৪ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই এনামুল হক বিজয়ের (৭) উইকেট হারায় তামিম একাদশ। তবে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে তামিম ইকবাল ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ৫০ রানের জুটি গড়ে দলকে আর চাপে পড়তে দেয়নি। দলের সহজ জয়ের ভিত্তি গড়ে দেন তারা।

তামিম দলীয় ১০১ রানের মাথায় ৫৭ রান করে আউট হন। এরপর ইয়াসির আলী আলী রাব্বি (৬), মোসাদ্দেক হোসেন (৬), মেহেদি হাসান (৪) ও আকবর আলী (১) বিদায় নিলে ১৪৪ রানে সাত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় তামিমের দল।

এরপর মোহাম্মদ মিঠুন ২৯ রান করে বিদায় নিলে চাপ আরও বাড়ে তামিমের দলে। শেষ ওভারে জয়ে জন্য দরকার ছিল ১৫ রান। সৌম্য সরকাররের করা ৪১তম ওভারটি আর ১৫ রান তুলতে পারেননি সাইফউদ্দিন। শেষ পর্যন্ত ১৫৬ রানে অল আউট হয় তামিম একাদশ।

নাজমুল একাদশের তাসকিন আহমেদ চারটি এবং আল আমি হোসেন, আবু জায়েদ রাহি, নাসুম আহমেদ ও সৌম্য সরকার একটি করে উইকেট নেন।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রতি ম্যাচের মতো শুরুতেই টপঅর্ডার ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতা দেখা যায়। ২৫ রান তুলতেই প্যাভিলিয়নে ফেরত যান সৌম্য সরকার (৭), পারভেজ হোসেন ইমন (১০) ও নাজমুল হোসেন শান্ত (৫)।

চতুর্থ উইকেট জুটিতে মুশফিকুর রহিম ও আফিফ হোসেন দলের চাপ সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। ১৫ ওভারে ৩ উইকেটে ৫৪ রান তোলার পর বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় দেড় ঘণ্টার বেশি সময় খেলা বন্ধ থাকার পর খেলা আবার শুরু হয়। ৫০ ওভারের ম্যাচ ৪১ ওভারে নামিয়ে আনা হয়।

মুশফিক ও আফিফ বেশ আস্থার সঙ্গেই ব্যাট করতে থাকেন। ৫০ রানের জুটি গড়েন তারা। ৭৪ বলে অর্ধশতক তুলে নেন মুশি। তবে ইনিংস বেশি বড় করতে পারেননি তিনি। ফিফটি করার পরের বলেই দলীয় ১১৫ রানের মাথায় আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরত যান মুশফিক (৫১)। ভাঙে ৯০ রানের চতুর্থ উইকেট জুটি।

তবে এরপর আর কোনো ব্যাটসম্যান বড় রান করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ৩৯.৩ ওভারে ১৬৫ রানে অলআউট হয় নাজমুল একাদশ।

তামিম একাদশের মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন পাঁচটি, মোস্তাফিজুর রহমান তিনটি ও শেখ মেহেদি হাসান দু’টি উইকেট নেন।