অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
ক্যারিবীয় অঞ্চলে প্রলয়ংকরী হারিকেন ইরমার আঘাতে অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছে। হারিকেনের তাণ্ডবে অনেক ভবন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে জানা যাচ্ছে। বিবিসির খবরে জানা যায় ক্যাটাগরি পাঁচ মাত্রার হারিকেনটি এর সর্বোচ্চ সীমায় পৌছেছে এবং পুয়ের্তোরিকোর উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে।
দুই সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় হার্ভির চেয়েও এটি বেশি ধ্বংসযজ্ঞের সক্ষমতা রাখে। ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ পেরিয়ে ইরমা শনিবারের মধ্যেই যুক্তরাষ্টের মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগে থেকেই ‘ভয়াবহ বিপর্যয়ের’ ইঙ্গিত দেওয়া ইরমা বড় ধরণের ধ্বংসলীলা চালিয়েছে অ্যান্টিগা ও বারবুড়াতে।
এক হাজার ৮০০ বাসিন্দার বারবুদা দ্বীপের ৯৫ শতাংশ ‘মাটির সঙ্গে মিশে গেছে’ বলে জানান প্রধানমন্ত্রী গেস্টন ব্রাউন। ঝড়ে একজনের মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত করেছেন ব্রাউন। ফ্রান্সের নিয়ন্ত্রণাধীন দুই দ্বীপ সেইন্ট মার্টিন ও সেইন্ট বার্থেলেমেতেও তাণ্ডবলীলা চালিয়েছে ইরমা।
এখানে অন্তত ৮ জন নিহত হয়েছে বলে ফরাসী সরকার জানিয়েছে। দুই দ্বীপের বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ক্যারিবীয় অঞ্চলে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩০০ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়া ঝড়টি শনি বা রোববারের মধ্যে ফ্লোরিডায় আঘাত হানতে পারে বলে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার আশঙ্কা করছে।
ঝড়টির গতিবিধি সম্বন্ধে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানার সময় এটি অন্তত ক্যাটাগরি ৪ শক্তি ধারণ করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বুধবার দিনের শেষে ইরমা পুয়ের্তো রিকোর উত্তর পাশে আছড়ে পড়ে; দ্বীপের রাজধানী সান জুয়ানে ভারী বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি বাতাসে রাস্তার ধারের গাছগুলোকে উপড়ে যেতে দেখা গেছে।
আকাশ থেকে তোলা ছবিতে বারবুদা জুড়ে ভয়াবহ বন্যার লক্ষণ দেখা গেছে। স্থানে স্থানে পড়ে থাকা গাছ, ডালপালা, চূর্ণ বিচূর্ণ গাড়ি এবং অন্যান্য ধ্বংসস্তুপের উপস্থিতিও ছিল। নেদারল্যান্ডসের নিয়ন্ত্রণে থাকা দ্বীপ সাবা ও সিন্ট ইউস্তেসাশও ইরমার তাণ্ডবের শিকার হয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















