ঢাকা ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

একাই আর্মেনিয়ার ৭ ট্যাংক ধ্বংস করল যে আজেরি সেনা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

সাময়িক যুদ্ধবিরতির ঘোষণার মধ্যেও পাল্টা-পাল্টি হামলা চালিয়ে যাচ্ছে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান। গত মাস থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে উভয় দেশের অবকাঠামোসহ কয়েকশ মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। এ যুদ্ধে হুনার মাম্মাদোভ নামে এক আজেরি সেনার বীরত্ব প্রকাশ করা হয়েছে। যিনি আজেরি ভূখণ্ড দখলমুক্ত করার সময় আর্মেনিয়ার সাতটি ট্যাংক ধ্বংসসহ অন্যান্য সামরিক সরঞ্জামাদি ধ্বংস করেন।

মঙ্গলবার আজারবাইজানের সংবাদমাধ্যম আজভিশনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, হুনার মাম্মাদোভ নামে ওই যোদ্ধা তার অপর দুই সহযোগী এলভিন মাদাতোভ ও রুফাত আসাদুল্লাহইয়েভের সহায়তায় শত্রুপক্ষের সাতটি ট্যাংক, একটি পিডিএম, একটি সাঁজোয়া যান এবং দুইটি পর্যবেক্ষণ চৌকি গুড়িয়ে দেয়। আর্মেনিয়ার হাত থেকে আজারবাইজানের ভূখণ্ড দখলমুক্ত করার সময় শত্রুপক্ষের এসব সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

ওই বীর যোদ্ধাসহ তিনজনের ছবি দেশটির সংবাদমাধ্যমে গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করা হয়।

ছবি প্রকাশ করে সেখানে ক্যাপশনে লেখা হয়, আমাদের সেনাদের নিয়ে গর্ব করছি, যারা শত্রুদের উপযুক্ত জবাব দিয়েছে।

২৭ সেপ্টেম্বর থেকে বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান নতুন করে যুদ্ধে জড়ায়। পরবর্তীতে ১০ অক্টোবর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে ম্যারথন আলোচনা হয়।

এতে উভয় পক্ষ মানবিক কারণে সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এ যুদ্ধবিরতিতে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবন্দিসহ অন্যান্য বন্দি বিনিময় ও মৃতদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে উভয় দেশ সম্মত হয়।

শনিবার থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যুদ্ধবিরতির কয়েক মিনিটের মধ্যেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান পরস্পরকে সাময়িক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘেনের জন্য অভিযুক্ত করে।

কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। তবে ওই অঞ্চলটি জাতিগত আর্মেনীয়রা ১৯৯০’র দশক থেকে নিয়ন্ত্রণ করছে। ওই দশকেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সঙ্গে যুদ্ধে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

একাই আর্মেনিয়ার ৭ ট্যাংক ধ্বংস করল যে আজেরি সেনা

আপডেট সময় ০৮:২৮:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

সাময়িক যুদ্ধবিরতির ঘোষণার মধ্যেও পাল্টা-পাল্টি হামলা চালিয়ে যাচ্ছে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান। গত মাস থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে উভয় দেশের অবকাঠামোসহ কয়েকশ মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। এ যুদ্ধে হুনার মাম্মাদোভ নামে এক আজেরি সেনার বীরত্ব প্রকাশ করা হয়েছে। যিনি আজেরি ভূখণ্ড দখলমুক্ত করার সময় আর্মেনিয়ার সাতটি ট্যাংক ধ্বংসসহ অন্যান্য সামরিক সরঞ্জামাদি ধ্বংস করেন।

মঙ্গলবার আজারবাইজানের সংবাদমাধ্যম আজভিশনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, হুনার মাম্মাদোভ নামে ওই যোদ্ধা তার অপর দুই সহযোগী এলভিন মাদাতোভ ও রুফাত আসাদুল্লাহইয়েভের সহায়তায় শত্রুপক্ষের সাতটি ট্যাংক, একটি পিডিএম, একটি সাঁজোয়া যান এবং দুইটি পর্যবেক্ষণ চৌকি গুড়িয়ে দেয়। আর্মেনিয়ার হাত থেকে আজারবাইজানের ভূখণ্ড দখলমুক্ত করার সময় শত্রুপক্ষের এসব সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

ওই বীর যোদ্ধাসহ তিনজনের ছবি দেশটির সংবাদমাধ্যমে গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করা হয়।

ছবি প্রকাশ করে সেখানে ক্যাপশনে লেখা হয়, আমাদের সেনাদের নিয়ে গর্ব করছি, যারা শত্রুদের উপযুক্ত জবাব দিয়েছে।

২৭ সেপ্টেম্বর থেকে বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান নতুন করে যুদ্ধে জড়ায়। পরবর্তীতে ১০ অক্টোবর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে ম্যারথন আলোচনা হয়।

এতে উভয় পক্ষ মানবিক কারণে সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এ যুদ্ধবিরতিতে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবন্দিসহ অন্যান্য বন্দি বিনিময় ও মৃতদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে উভয় দেশ সম্মত হয়।

শনিবার থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যুদ্ধবিরতির কয়েক মিনিটের মধ্যেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান পরস্পরকে সাময়িক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘেনের জন্য অভিযুক্ত করে।

কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। তবে ওই অঞ্চলটি জাতিগত আর্মেনীয়রা ১৯৯০’র দশক থেকে নিয়ন্ত্রণ করছে। ওই দশকেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সঙ্গে যুদ্ধে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়।