ঢাকা ০৪:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

৩ কোটি টাকায় নির্মিত আশ্রয়কেন্দ্র নদীগর্ভে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ভোলার তজুমদ্দিনে ভয়াল মেঘনার থাবায় বিলীন হয়ে যাচ্ছে স্কুল-কাম সাইক্লোন শেল্টার ভবন। উপজেলা থেকে বিচ্ছিন্ন চর জহিরউদ্দিনের নিশ্চিন্তপুর শিকদার বাজারে এসএসডিপির তিন কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চারতলা ভবনটি ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হতে চলেছে।

আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রিতার অজুহাতে টেন্ডারের মাধ্যমে ভবনটি সঠিক সময় অপসারণ না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চরবাসী।

সূত্রে জানা যায়, চরাঞ্চলের মানুষের আশ্রয় ও শিক্ষাব্যবস্থা প্রসারের লক্ষ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (এসএসডিপি) ২০১০/১১ অর্থবছরে দুই কোটি ৯২ লাখ টাকা ব্যয়ে চারতলাবিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণ করা হয়।

ভবনে ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত নিশ্চিন্তপুর শিকদার বাজার মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম চালু করেন। ১৯৫ ফুট দৈর্ঘ্য ২১টি কক্ষবিশিষ্ট এ বিশাল ভবনে ২০১৭ সালে এমপিওভুক্ত হয়ে দুর্গম চরের ২১৬ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ১২ জন শিক্ষক-কর্মচারী সুনামের সঙ্গে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখেন।

বর্তমানে মেঘনার তীব্র ভাঙনের কবলে পড়া এই বিশাল ভবনটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সঠিক প্রক্রিয়ায় অপসারণ না করায় নদীগর্ভে বিলীন হতে চলেছে।

স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন জানান, বই-আসবাবপত্র-সোলারসহ প্রায় কোটি টাকার মালামাল নিয়ে আমরা আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছি।

মলংচড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুন্নবী সিকদার বাবুল জানান, চরের মানুষের আশ্রয় ও শিক্ষার প্রসার অব্যাহত রাখতে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আল নোমান জানান, ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় পাউবি কর্মকর্তাসহ পরিদর্শন শেষে নিলামের মাধ্যমে অপসারণের জন্য নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু নদীভাঙনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় ভবনের একাংশ ভেঙে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

৩ কোটি টাকায় নির্মিত আশ্রয়কেন্দ্র নদীগর্ভে

আপডেট সময় ০৬:০৫:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ভোলার তজুমদ্দিনে ভয়াল মেঘনার থাবায় বিলীন হয়ে যাচ্ছে স্কুল-কাম সাইক্লোন শেল্টার ভবন। উপজেলা থেকে বিচ্ছিন্ন চর জহিরউদ্দিনের নিশ্চিন্তপুর শিকদার বাজারে এসএসডিপির তিন কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চারতলা ভবনটি ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হতে চলেছে।

আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রিতার অজুহাতে টেন্ডারের মাধ্যমে ভবনটি সঠিক সময় অপসারণ না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চরবাসী।

সূত্রে জানা যায়, চরাঞ্চলের মানুষের আশ্রয় ও শিক্ষাব্যবস্থা প্রসারের লক্ষ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (এসএসডিপি) ২০১০/১১ অর্থবছরে দুই কোটি ৯২ লাখ টাকা ব্যয়ে চারতলাবিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণ করা হয়।

ভবনে ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত নিশ্চিন্তপুর শিকদার বাজার মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম চালু করেন। ১৯৫ ফুট দৈর্ঘ্য ২১টি কক্ষবিশিষ্ট এ বিশাল ভবনে ২০১৭ সালে এমপিওভুক্ত হয়ে দুর্গম চরের ২১৬ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ১২ জন শিক্ষক-কর্মচারী সুনামের সঙ্গে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখেন।

বর্তমানে মেঘনার তীব্র ভাঙনের কবলে পড়া এই বিশাল ভবনটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সঠিক প্রক্রিয়ায় অপসারণ না করায় নদীগর্ভে বিলীন হতে চলেছে।

স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন জানান, বই-আসবাবপত্র-সোলারসহ প্রায় কোটি টাকার মালামাল নিয়ে আমরা আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছি।

মলংচড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুন্নবী সিকদার বাবুল জানান, চরের মানুষের আশ্রয় ও শিক্ষার প্রসার অব্যাহত রাখতে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আল নোমান জানান, ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় পাউবি কর্মকর্তাসহ পরিদর্শন শেষে নিলামের মাধ্যমে অপসারণের জন্য নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু নদীভাঙনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় ভবনের একাংশ ভেঙে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।