ঢাকা ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আরও সংঘাত সামনে আসছে: আসিফ

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

পিরাইট কপিরাইট খেলা আস্তে আস্তে জমে যাচ্ছে। গীতিকার সুরকার শিল্পী কোম্পানিগুলো সক্রিয়। স্বার্থের প্রয়োজনে সবাই নতুন কাজের চিন্তা মাথায় না রেখে পুরোনো গানের দিকেই মনোযোগ দিচ্ছেন, যেখান থেকে রেভিনিউ আসবে। এ খাত খোকলা হয়ে গেছে আরো আগেই। তবুও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ভাবনা মাথায় রেখে জ্ঞানী-ণীরা সময় দিচ্ছেন সিস্টেম ডেভেলপ করার জন্য।

আমিও নাম লিখিয়েছি কন্ঠশিল্পীদের সংগঠনে। নৈতিক সমর্থন অব্যাহত থাকবে, যতক্ষণ এই সংগঠন স্বচ্ছভাবে চলবে। যদিও জড়াতে চাইনি কোনোভাবে। মুরব্বিদের অনুরোধ কিংবা আদেশ মেনে চলার মানসিকতায় জেল মামলা মাথায় নিয়েই দাঁতে দাঁত চেপে সমর্থন দিয়েছি। আমি জানি, আমার ব্যথাটা আমারই থাকবে, থাকুক। তবুও ভালো কিছু হোক।

কপিরাইট সিএমও ( কালেক্টিভ ম্যানেজমেন্ট অর্গানাইজেশন) খেয়ে ফেলেছিলেন কথিত এক মহিলা মামলাবাজ আইনজীবী। তিনি কপিরাইট অফিসের কেউ না হলেও তারই ছড়ি চলতো সেখানে। সেই মহিলা আবার পুরোনো মেথরদের উপদেষ্টা। বাগড়া বাধিয়েছে নাগরিক টেলিভিশনের অনুসন্ধানী রিপোর্ট। ওই মহিলা ফিল্ম বা মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির কেউ না হয়েও ছিলেন সর্বেসর্বা।

এদের প্রশ্রয় দেয়া হোয়াইট কালার ক্রিমিনালরা এখন ভোল পাল্টে বাঁচতে চাচ্ছে। পক্ষ-বিপক্ষ নিয়ে ফেসবুক আর নিউজ পোর্টালে খুব মজা হচ্ছে। বুঝে না বুঝে অ্যাকটিভ হয়েছে অহেতুক বাহবা দেয়া ক্ষতিকর গ্রুপটি। সাত মাস আগে কপিরাইট অফিসে একটা শুনানিতে গিয়েছিলাম। আমার বৈধ দাবি এখনো হ্যাং হয়ে আছে, নেপথ্যে সেই মহিলা। তিনিই কপিরাইট দেবী।

এখনো বিচার পাইনি, এমনটা হবে আমি জানতাম। তাই পরবর্তীতে আর খোঁজও নেইনি। নিজের কোম্পানির চৌদ্দ গানের কপিরাইটের সার্টিফিকেট পেয়েছি আবেদনের সাত মাস পর। আমার গাওয়া আড়াই হাজার গান কপিরাইট করতে কত শত বছর লাগতে পারে ক্যালকুলেটরে হিসাব করে নিন সময় থাকলে।

আরো সংঘাত সামনে আসছে। সাউন্ডটেকের দেয়া রেভিনিউ শেয়ারিং অফারে জনৈকরা সাড়া দেয়নি। এককালীন টাকা চায় নগদ। বলে, রয়্যালিটি দিয়ে কি হবে ! এই হলো আন্দোলনকারীদের একটা প্রাথমিক মানসিকতা। এ দরজা ও দরজায় ঘুরে বেড়াচ্ছে চিটা গুড়ের ভাগের আশায়। আমি চুপচাপ নিজের মত থেকে দেখছি। ভবিষ্যতের সিনেমা টাইম মেশিনে আগেই দেখা শেষ, সামনে কামড়া কামড়ির বাংলাদেশ।

কপাল ভালো আমার গলাটা চেনা যায়, নইলে এতদিনে বলেই দিতো, আমি কোনো গানই আজ পর্যন্ত গাইনি। সবাই কাজ বন্ধ করে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। বাংলা সংস্কৃতি বলতে এখন বোঝায় পুরনো গানের টাকা উদ্ধার। আমি তাদের মত অতো জ্ঞানীগুণী না হয়েও চেষ্টা করে যাচ্ছি ভালো কিছু গান করার জন্য। মাঠ কাঁপাচ্ছে- বাবু খাইছো !!!

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

আরও সংঘাত সামনে আসছে: আসিফ

আপডেট সময় ০৯:৪৮:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

পিরাইট কপিরাইট খেলা আস্তে আস্তে জমে যাচ্ছে। গীতিকার সুরকার শিল্পী কোম্পানিগুলো সক্রিয়। স্বার্থের প্রয়োজনে সবাই নতুন কাজের চিন্তা মাথায় না রেখে পুরোনো গানের দিকেই মনোযোগ দিচ্ছেন, যেখান থেকে রেভিনিউ আসবে। এ খাত খোকলা হয়ে গেছে আরো আগেই। তবুও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ভাবনা মাথায় রেখে জ্ঞানী-ণীরা সময় দিচ্ছেন সিস্টেম ডেভেলপ করার জন্য।

আমিও নাম লিখিয়েছি কন্ঠশিল্পীদের সংগঠনে। নৈতিক সমর্থন অব্যাহত থাকবে, যতক্ষণ এই সংগঠন স্বচ্ছভাবে চলবে। যদিও জড়াতে চাইনি কোনোভাবে। মুরব্বিদের অনুরোধ কিংবা আদেশ মেনে চলার মানসিকতায় জেল মামলা মাথায় নিয়েই দাঁতে দাঁত চেপে সমর্থন দিয়েছি। আমি জানি, আমার ব্যথাটা আমারই থাকবে, থাকুক। তবুও ভালো কিছু হোক।

কপিরাইট সিএমও ( কালেক্টিভ ম্যানেজমেন্ট অর্গানাইজেশন) খেয়ে ফেলেছিলেন কথিত এক মহিলা মামলাবাজ আইনজীবী। তিনি কপিরাইট অফিসের কেউ না হলেও তারই ছড়ি চলতো সেখানে। সেই মহিলা আবার পুরোনো মেথরদের উপদেষ্টা। বাগড়া বাধিয়েছে নাগরিক টেলিভিশনের অনুসন্ধানী রিপোর্ট। ওই মহিলা ফিল্ম বা মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির কেউ না হয়েও ছিলেন সর্বেসর্বা।

এদের প্রশ্রয় দেয়া হোয়াইট কালার ক্রিমিনালরা এখন ভোল পাল্টে বাঁচতে চাচ্ছে। পক্ষ-বিপক্ষ নিয়ে ফেসবুক আর নিউজ পোর্টালে খুব মজা হচ্ছে। বুঝে না বুঝে অ্যাকটিভ হয়েছে অহেতুক বাহবা দেয়া ক্ষতিকর গ্রুপটি। সাত মাস আগে কপিরাইট অফিসে একটা শুনানিতে গিয়েছিলাম। আমার বৈধ দাবি এখনো হ্যাং হয়ে আছে, নেপথ্যে সেই মহিলা। তিনিই কপিরাইট দেবী।

এখনো বিচার পাইনি, এমনটা হবে আমি জানতাম। তাই পরবর্তীতে আর খোঁজও নেইনি। নিজের কোম্পানির চৌদ্দ গানের কপিরাইটের সার্টিফিকেট পেয়েছি আবেদনের সাত মাস পর। আমার গাওয়া আড়াই হাজার গান কপিরাইট করতে কত শত বছর লাগতে পারে ক্যালকুলেটরে হিসাব করে নিন সময় থাকলে।

আরো সংঘাত সামনে আসছে। সাউন্ডটেকের দেয়া রেভিনিউ শেয়ারিং অফারে জনৈকরা সাড়া দেয়নি। এককালীন টাকা চায় নগদ। বলে, রয়্যালিটি দিয়ে কি হবে ! এই হলো আন্দোলনকারীদের একটা প্রাথমিক মানসিকতা। এ দরজা ও দরজায় ঘুরে বেড়াচ্ছে চিটা গুড়ের ভাগের আশায়। আমি চুপচাপ নিজের মত থেকে দেখছি। ভবিষ্যতের সিনেমা টাইম মেশিনে আগেই দেখা শেষ, সামনে কামড়া কামড়ির বাংলাদেশ।

কপাল ভালো আমার গলাটা চেনা যায়, নইলে এতদিনে বলেই দিতো, আমি কোনো গানই আজ পর্যন্ত গাইনি। সবাই কাজ বন্ধ করে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। বাংলা সংস্কৃতি বলতে এখন বোঝায় পুরনো গানের টাকা উদ্ধার। আমি তাদের মত অতো জ্ঞানীগুণী না হয়েও চেষ্টা করে যাচ্ছি ভালো কিছু গান করার জন্য। মাঠ কাঁপাচ্ছে- বাবু খাইছো !!!