ঢাকা ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাপন আমলের রেকর্ডপত্র চেয়ে বিসিবিতে দুদকের ৩ চিঠি হাত–মুখ বেঁধে জামায়াত নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ পশ্চিমা দেশগুলোর সন্দেহের মাঝেই চীন-রাশিয়ার যৌথ নৌ মহড়া মোংলায় চাঁদা না পেয়ে গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার ৩ ১৮ বছরের নির্যাতনের পর অস্থিরতা স্বাভাবিক, তবে নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরতে হবে: দুদু পুলিশের ৩৩ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার বাসা থেকে ধরে নিয়ে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে যুবককে পিটিয়ে হত্যা অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি করতে হবে’:শিল্পমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধে পেটে গুলি লেগেছিল মন্নাস আলীর, ৫৫ বছর পর অস্ত্রোপচারে অপসারণ মেয়েকে তুলে নিয়ে বিয়ের পর ২০ লাখ টাকা দাবির অভিযোগ, হুমকি-অপমানে বাবার ‘আত্মহত্যা’

সাভারে স্কুলছাত্রীকে রিকশা থেকে নামিয়ে হত্যা, থানায় মামলা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

সাভারে স্কুলছাত্রী নিলা রায়কে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় সাভার মডেল থানায় নিহতের বাবা নারায়ন রায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত যুবক মিজানুর রহমান, তার বাবা আব্দুর রহমান, মা নাজমুল নাহার সিদ্দিকার নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এদিকে, গতরাত থেকে বিভিন্নস্থানে অভিযান চালালেও এখনো অভিযুক্ত মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে সিআইডি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করেছে।

নিহতের স্বজনরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নীলাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন কাজিমুকমাপাড়ার পাশের এলাকা ব্যাংক কলোনির আবদুর রহমানের ছেলে কলেজছাত্র মিজান। নীলা রোববার সন্ধ্যা সাতটার দিকে শ্বাসকষ্টে ভুগছিল। তার ভাই অলক রায় তাকে রিকশায় করে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসা থেকে কিছু দূর যাওয়ার পর মিজান রিকশার গতিরোধ করেন। এরপর অস্ত্রের মুখে নীলাকে রিকশা থেকে নামিয়ে একটি টিনসেট ঘরের ভেতরে নিয়ে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেন। নিলা সাভারের ব্যাংক কলোনি এলাকায় দশম শ্রেণির স্কুলছাত্রী ছিলেন।

নীলার মা মুক্তি রায় বলেন, মিজানের মা-বাবাকে বলার পরও তারা কোনো ব্যবস্থা নেননি। এক পর্যায়ে মিজানের অত্যাচারে বছরখানেক আগে তারা সাভারের বাসা ছেড়ে গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের বালিরটেকে চলে গিয়েছিলেন। ছেলে ও মেয়ের পড়ালেখার জন্য কয়েক মাস পরে আবার তারা সাভার চলে আসেন। এর কিছুদিন পর থেকে মিজান আবার তার মেয়ের পিছু নেন।

সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক আনোয়ার জামিল তদন্তের ধারাবাহিক কাজের অংশ হিসেবে পরিত্যক্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এ সময় কয়েক জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। তাদের মধ্যে স্থানীয় ও নিলার স্বজনরাও রয়েছেন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ঘটনাস্থলে ঘরের ভেতরের বিভিন্ন স্থান পর্যবেক্ষণসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করে সিআইডির এই তদন্ত দল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

পাপন আমলের রেকর্ডপত্র চেয়ে বিসিবিতে দুদকের ৩ চিঠি

সাভারে স্কুলছাত্রীকে রিকশা থেকে নামিয়ে হত্যা, থানায় মামলা

আপডেট সময় ০৬:১১:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

সাভারে স্কুলছাত্রী নিলা রায়কে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় সাভার মডেল থানায় নিহতের বাবা নারায়ন রায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত যুবক মিজানুর রহমান, তার বাবা আব্দুর রহমান, মা নাজমুল নাহার সিদ্দিকার নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এদিকে, গতরাত থেকে বিভিন্নস্থানে অভিযান চালালেও এখনো অভিযুক্ত মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে সিআইডি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করেছে।

নিহতের স্বজনরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নীলাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন কাজিমুকমাপাড়ার পাশের এলাকা ব্যাংক কলোনির আবদুর রহমানের ছেলে কলেজছাত্র মিজান। নীলা রোববার সন্ধ্যা সাতটার দিকে শ্বাসকষ্টে ভুগছিল। তার ভাই অলক রায় তাকে রিকশায় করে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসা থেকে কিছু দূর যাওয়ার পর মিজান রিকশার গতিরোধ করেন। এরপর অস্ত্রের মুখে নীলাকে রিকশা থেকে নামিয়ে একটি টিনসেট ঘরের ভেতরে নিয়ে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেন। নিলা সাভারের ব্যাংক কলোনি এলাকায় দশম শ্রেণির স্কুলছাত্রী ছিলেন।

নীলার মা মুক্তি রায় বলেন, মিজানের মা-বাবাকে বলার পরও তারা কোনো ব্যবস্থা নেননি। এক পর্যায়ে মিজানের অত্যাচারে বছরখানেক আগে তারা সাভারের বাসা ছেড়ে গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের বালিরটেকে চলে গিয়েছিলেন। ছেলে ও মেয়ের পড়ালেখার জন্য কয়েক মাস পরে আবার তারা সাভার চলে আসেন। এর কিছুদিন পর থেকে মিজান আবার তার মেয়ের পিছু নেন।

সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক আনোয়ার জামিল তদন্তের ধারাবাহিক কাজের অংশ হিসেবে পরিত্যক্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এ সময় কয়েক জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। তাদের মধ্যে স্থানীয় ও নিলার স্বজনরাও রয়েছেন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ঘটনাস্থলে ঘরের ভেতরের বিভিন্ন স্থান পর্যবেক্ষণসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করে সিআইডির এই তদন্ত দল।