ঢাকা ০২:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পে স্কেল বাস্তবায়ন পে কমিশনের প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করছে :অর্থ উপদেষ্টা প্লট দুর্নীতি মামলায় শেখ হাসিনা টিউলিপসহ ১৮ জনের মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি চুয়াডাঙ্গায় সেনাবাহিনীর হাতে আটকের পর বিএনপি নেতার মৃত্যু ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও গণভোটই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ: ড. মুহাম্মদ ইউনূস ব্যক্তির স্বৈরাচার হওয়া রোধেই আইনসভার উচ্চকক্ষ : আলী রীয়াজ ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর সরকারের দমন-পীড়ন, কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ইরানি জনগণই স্বৈরশাসকদের ক্ষমতাচ্যুত করবে: অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক

১ হাজার ৮০০ টনের এইচসি ৪০০০ বোমাটি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জার্মানির বাণিজ্যিক শহর ফ্রাঙ্কফুর্টে মাটির নিচে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বোমা উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ৬৬ হাজার বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। গতকাল রোববার সন্ধ্যা থেকে তাঁরা ঘরে ফিরতে শুরু করেছে।

বোমাটি ফ্রাঙ্কফুর্টের ভেস্টল্যান্ড গ্যোটে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নির্মাণকাজের সময় শনাক্ত হয়। আকাশ থেকে বিশেষ ক্যামেরার সাহায্যে এই অবিস্ফোরিত বোমাটির প্রথম খোঁজ পাওয়া যায়। রোববার বোমাটি নিষ্ক্রিয় করার সময় দেড় কিলোমিটার ব্যাসার্ধ এলাকার ৬৬ হাজার বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়। সকাল ছয়টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই এলাকার বাসিন্দারা অন্যত্র অবস্থান করে। শহরের পশ্চিমাঞ্চলের এই এলাকাতেই ফ্রাঙ্কফুর্টের গ্যোটে বিশ্ববিদ্যালয়, স্টেডিয়াম, পুলিশের সদর দপ্তর, রেডিও কেন্দ্র এবং দুটি হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে।

নিরাপত্তার স্বার্থে সেখানকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বোমা নিষ্ক্রিয়করণ কর্তৃপক্ষ ও ফ্রাঙ্কফুর্ট পৌর কর্তৃপক্ষ চিঠি দিয়ে এবং স্থানীয় পুলিশ মাইকিং করে বাসিন্দাদের সবাইকে গত রোববার সকাল ৬টা থেকে বাসা ছাড়তে অনুরোধ করছিল।

১ হাজার ৮০০ টনের এইচসি ৪০০০ প্রকৃতির এই ব্রিটিশ অবিস্ফোরিত বোমাটিতে ১৫০ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। বোমাটির স্থান শনাক্ত করার পর থেকেই সেখানে ২৪ ঘণ্টা পুলিশ প্রহরা বসানো হয়েছিল।

বোমাটি নিষ্ক্রিয় করার সময় ইউরোপের অন্যতম ব্যস্ত ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দরে বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণের পথ পরিবর্তন করা হয়। এ ছাড়া একটি হাইওয়ে এবং ওই এলাকার সড়ক ও রেললাইন দিয়ে ট্রেন ও ট্রাম চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ফ্রাঙ্কফুর্টের পুলিশ এবং দুই হাজার স্বেচ্ছাসেবী ওই এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নিতে সহযোগিতা করছেন। এলাকার বৃদ্ধাশ্রমের ও হাসপাতালের বয়স্ক নাগরিকদের সরে যেতে স্বেচ্ছাসেবীরা সাহায্য করেন।

ওই এলাকার সরিয়ে নেওয়া বাসিন্দাদের নিরাপত্তা ও চিত্ত বিনোদনের জন্য বিশেষ ছাড়ে মিউজিয়াম পরিদর্শনের ব্যবস্থা, শিশুদের জন্য খেলাধুলাসহ বিশেষ মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। অবিস্ফোরিত বোমাটি নিষ্ক্রিয় করার পর পৌর মেয়র পিটার ফেল্ডম্যান বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সদস্যদের অভিনন্দন জানান।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (১৯৩৯-৪৫) শেষের দিকে ব্রিটিশ ও মার্কিন বোমারু বিমান জার্মানির বড় বড় শহরে বোমা হামলা চালিয়েছিল। এখনো অনেক বোমা অবিস্ফোরিত অবস্থায় জার্মানির বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রিয়ালের নতুন কোচ আরবেলোয়া

১ হাজার ৮০০ টনের এইচসি ৪০০০ বোমাটি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে

আপডেট সময় ১১:৪৪:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জার্মানির বাণিজ্যিক শহর ফ্রাঙ্কফুর্টে মাটির নিচে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বোমা উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ৬৬ হাজার বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। গতকাল রোববার সন্ধ্যা থেকে তাঁরা ঘরে ফিরতে শুরু করেছে।

বোমাটি ফ্রাঙ্কফুর্টের ভেস্টল্যান্ড গ্যোটে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নির্মাণকাজের সময় শনাক্ত হয়। আকাশ থেকে বিশেষ ক্যামেরার সাহায্যে এই অবিস্ফোরিত বোমাটির প্রথম খোঁজ পাওয়া যায়। রোববার বোমাটি নিষ্ক্রিয় করার সময় দেড় কিলোমিটার ব্যাসার্ধ এলাকার ৬৬ হাজার বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়। সকাল ছয়টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই এলাকার বাসিন্দারা অন্যত্র অবস্থান করে। শহরের পশ্চিমাঞ্চলের এই এলাকাতেই ফ্রাঙ্কফুর্টের গ্যোটে বিশ্ববিদ্যালয়, স্টেডিয়াম, পুলিশের সদর দপ্তর, রেডিও কেন্দ্র এবং দুটি হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে।

নিরাপত্তার স্বার্থে সেখানকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বোমা নিষ্ক্রিয়করণ কর্তৃপক্ষ ও ফ্রাঙ্কফুর্ট পৌর কর্তৃপক্ষ চিঠি দিয়ে এবং স্থানীয় পুলিশ মাইকিং করে বাসিন্দাদের সবাইকে গত রোববার সকাল ৬টা থেকে বাসা ছাড়তে অনুরোধ করছিল।

১ হাজার ৮০০ টনের এইচসি ৪০০০ প্রকৃতির এই ব্রিটিশ অবিস্ফোরিত বোমাটিতে ১৫০ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। বোমাটির স্থান শনাক্ত করার পর থেকেই সেখানে ২৪ ঘণ্টা পুলিশ প্রহরা বসানো হয়েছিল।

বোমাটি নিষ্ক্রিয় করার সময় ইউরোপের অন্যতম ব্যস্ত ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দরে বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণের পথ পরিবর্তন করা হয়। এ ছাড়া একটি হাইওয়ে এবং ওই এলাকার সড়ক ও রেললাইন দিয়ে ট্রেন ও ট্রাম চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ফ্রাঙ্কফুর্টের পুলিশ এবং দুই হাজার স্বেচ্ছাসেবী ওই এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নিতে সহযোগিতা করছেন। এলাকার বৃদ্ধাশ্রমের ও হাসপাতালের বয়স্ক নাগরিকদের সরে যেতে স্বেচ্ছাসেবীরা সাহায্য করেন।

ওই এলাকার সরিয়ে নেওয়া বাসিন্দাদের নিরাপত্তা ও চিত্ত বিনোদনের জন্য বিশেষ ছাড়ে মিউজিয়াম পরিদর্শনের ব্যবস্থা, শিশুদের জন্য খেলাধুলাসহ বিশেষ মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। অবিস্ফোরিত বোমাটি নিষ্ক্রিয় করার পর পৌর মেয়র পিটার ফেল্ডম্যান বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সদস্যদের অভিনন্দন জানান।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (১৯৩৯-৪৫) শেষের দিকে ব্রিটিশ ও মার্কিন বোমারু বিমান জার্মানির বড় বড় শহরে বোমা হামলা চালিয়েছিল। এখনো অনেক বোমা অবিস্ফোরিত অবস্থায় জার্মানির বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।