ঢাকা ১১:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

করোনায় ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের‌ ফি কমানোর দাবি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

করোনা ভাইরাস মহামারির সময়ে শ্রেণিভেদে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের টিউশন ফি ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ কমানোর দাবি করেছে বাংলাদেশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল প্যারেন্টস ফোরাম।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের মানিক মিয়া হলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল প্যারেন্টস ফোরামের সভাপতি এ কে এম আশরাফুল হক, সাধারণ সম্পাদক আ জ ম সালাহউদ্দিন।

ফোরামের পক্ষ থেকে আরও বক্তব্য রাখেন কমল সরকার, মোরশেদা আক্তার, কুতুব উদ্দিন মিয়া, সালমা আলম নুপুর, রিয়াজ আনোয়ার।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে স্কুলগুলো অন ক্যাম্পাস এডুকেশন চালাতে পারছে না। এখন তারা অনলাইন ভিত্তিক ক্লাস পরিচালনা করছে। অনলাইন ক্লাসের মান কোনভাবেই অন ক্যাম্পাস এডুকেশনের সমতুল্য হতে পারে না। অনলাইন এডুকেশনের ফলে স্কুলগুলোর বাচ্চাদের যে ধরনের সেবা দেওয়ার কথা তাও তারা দিতে পারছেন না। স্কুলের খেলার মাঠসহ অন্যান্য সুবিধা বাচ্চারা গ্রহণ করতে পারছেন না। কিন্তু তারা স্কুলের ফি পুরোটাই গ্রহণ করছে। অপরদিকে করোনার কারণে অধিকাংশ অভিভাবক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক অভিভাবক চাকরি হারিয়েছেন। পাশাপাশি অনেক অভিভাবকদের বর্তমান সময়ে আয় কমেছে।

সমাবেশ থেকে বলা হয়, বর্তমান সময়ে বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে আর্থিকভাবে আমরা সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। অনেক অভিভাবক সময়মতো স্কুলের টিউশন ফি দিতে পারছেন না। টিউশন ফি না দেওয়ার কারণে অনলাইন ক্লাস থেকে বাচ্চাদের বের করে দেওয়া হচ্ছে। স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে টিউশন ফিসহ অন্যান্য ফি কমানোর আবেদন করলে, উল্টো তারা অভিভাবকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছে।

বক্তারা আরও বলেন, আমরা একটি যৌক্তিক সমাধান চাই। আমরা কারো কাছে কোনো ধরনের সহযোগিতা চাচ্ছি না। এর আগেও প্রেস কনফারেন্সে আমরা বলেছিলাম, স্কুল কর্তৃপক্ষ যে সেবা দিচ্ছে তার বিনিময়ে তারা শতকরা ৩০ শতাংশ বেশি নিতে পারেন না। কোনো স্কুল বন্ধ হয়ে যাক সেটাও আমরা চাই না। তাই আমাদের দাবি, করোনা মহামারির সময়ে স্কুল ফি স্কুলের মান অনুযায়ী ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ কমিয়ে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে ২০১৭ সালে প্রকাশিত গেজেট মোতাবেক পরিচালনা করা হোক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

করোনায় ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের‌ ফি কমানোর দাবি

আপডেট সময় ০৭:৪৭:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

করোনা ভাইরাস মহামারির সময়ে শ্রেণিভেদে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের টিউশন ফি ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ কমানোর দাবি করেছে বাংলাদেশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল প্যারেন্টস ফোরাম।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের মানিক মিয়া হলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল প্যারেন্টস ফোরামের সভাপতি এ কে এম আশরাফুল হক, সাধারণ সম্পাদক আ জ ম সালাহউদ্দিন।

ফোরামের পক্ষ থেকে আরও বক্তব্য রাখেন কমল সরকার, মোরশেদা আক্তার, কুতুব উদ্দিন মিয়া, সালমা আলম নুপুর, রিয়াজ আনোয়ার।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে স্কুলগুলো অন ক্যাম্পাস এডুকেশন চালাতে পারছে না। এখন তারা অনলাইন ভিত্তিক ক্লাস পরিচালনা করছে। অনলাইন ক্লাসের মান কোনভাবেই অন ক্যাম্পাস এডুকেশনের সমতুল্য হতে পারে না। অনলাইন এডুকেশনের ফলে স্কুলগুলোর বাচ্চাদের যে ধরনের সেবা দেওয়ার কথা তাও তারা দিতে পারছেন না। স্কুলের খেলার মাঠসহ অন্যান্য সুবিধা বাচ্চারা গ্রহণ করতে পারছেন না। কিন্তু তারা স্কুলের ফি পুরোটাই গ্রহণ করছে। অপরদিকে করোনার কারণে অধিকাংশ অভিভাবক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক অভিভাবক চাকরি হারিয়েছেন। পাশাপাশি অনেক অভিভাবকদের বর্তমান সময়ে আয় কমেছে।

সমাবেশ থেকে বলা হয়, বর্তমান সময়ে বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে আর্থিকভাবে আমরা সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। অনেক অভিভাবক সময়মতো স্কুলের টিউশন ফি দিতে পারছেন না। টিউশন ফি না দেওয়ার কারণে অনলাইন ক্লাস থেকে বাচ্চাদের বের করে দেওয়া হচ্ছে। স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে টিউশন ফিসহ অন্যান্য ফি কমানোর আবেদন করলে, উল্টো তারা অভিভাবকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছে।

বক্তারা আরও বলেন, আমরা একটি যৌক্তিক সমাধান চাই। আমরা কারো কাছে কোনো ধরনের সহযোগিতা চাচ্ছি না। এর আগেও প্রেস কনফারেন্সে আমরা বলেছিলাম, স্কুল কর্তৃপক্ষ যে সেবা দিচ্ছে তার বিনিময়ে তারা শতকরা ৩০ শতাংশ বেশি নিতে পারেন না। কোনো স্কুল বন্ধ হয়ে যাক সেটাও আমরা চাই না। তাই আমাদের দাবি, করোনা মহামারির সময়ে স্কুল ফি স্কুলের মান অনুযায়ী ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ কমিয়ে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে ২০১৭ সালে প্রকাশিত গেজেট মোতাবেক পরিচালনা করা হোক।