ঢাকা ০১:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে আহমদ ছফার ঠাঁই হয়নি রাজনৈতিক কারণে: সলিমুল্লাহ খান নেতানিয়াহু একজন যুদ্ধাপরাধী: মামদানি বিএনপি ভোট মানলেও গণভোট মানে না: আখতার হোসেন সাঁথিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতাকে গলা কেটে হত্যা জুলাইয়ের শক্তির অনৈক্য পরাজিতদের সুযোগ করে দিচ্ছে: মজিবুর রহমান মঞ্জু বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের বড় ধরনের চাহিদা তৈরি হচ্ছে: হুমায়ুন কবির জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করলে পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকুন:শফিকুর রহমান ক্ষুধামুক্ত সমাজ গড়তে শহীদ জিয়ার দূরদর্শী রাষ্ট্রচিন্তা আজও গুরুত্বপূর্ণ : সড়ক প্রতিমন্ত্রী শিশু যৌন নিপীড়নের দায়ে যুক্তরাজ্যে ৩ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র ব্যবসা-বাণিজ্যে এআই ও ব্লকচেইনের ব্যবহার বাড়াতে গুরুত্বারোপ

দলের নেতাদের ঈমান ঠিক করতে বললেন গয়েশ্বর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

‘আন্দোলন চাই, সময়মতো আমি নাই’- এ মানসিকতা না বদলালে আন্দোলনে সফলতা আসবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এজন্য নেতাদের ঈমান ঠিক করতে বলেছেন তিনি।

দলের নেতাদের উদ্দেশে গয়েশ্বর বলেন, আন্দোলন চাই, সময়মতো আমি নিজে নাই, টেলিফোন বন্ধ। রাজপথে রক্ত দিমু, কর্মীরে বলুম সাবধানে থাইকো- হয় না, হয় না। ঈমান ঠিক করেন। যেদিন বলতে পারেন মরতে হয় মরব, গণতন্ত্র আনব- সেদিনই গণতন্ত্র মুক্তি পাবে, সেদিনই খালেদা জিয়া মুক্তি পাবে, সেদিনই দেশ মুক্তি পাবে। সেদিনই জাতীয়তাবাদী শক্তি গোলামির জিঞ্জির ছিঁড়ে নিজেদের মুক্ত করতে পারবে।

বুধবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা জেলা বিএনপির উদ্যোগে দলটির ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ আলোচনা সভা হয়।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ১৯৮২ সালে নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে একজন ক্ষমতায় আসছে, গণতন্ত্র বিসর্জন বুটের তলায় চলে গেল। আর শেখ হাসিনা বললেন, আই অ্যাম নট আনহ্যাপি। গণতন্ত্র চলে গেলে যিনি বলেন, আনহ্যাপি, গণতন্ত্রবিহীন রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী তার জন্য সুখের। নাউ সি ইজ হ্যাপি। কেবল উইথ আউট সাপোর্ট, উইথ আউট ভোট সে বারবার প্রধানমন্ত্রী আছে। ১/১১ তে কী হল? জেনারেল মঈন উ আহমেদ আসল। কী কারণে আসল? তাদের (আওয়ামী লীগ) যদি ক্ষমতাই থাকত তারা নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারত। তাহলে তারা কী কারণে আন্দোলন করল, লগি-বৈঠা… অনেক ঘটনা করে মঈন উ আহমদকে আনল। তিনি (শেখ হাসিনা) বিদেশ যাওয়ার সময়ে এয়ারপোর্টে বললেন, তাদের সব অপকর্ম আমি বৈধতা দেব। সেই দিনই চুক্তি ফাইনাল।

তিনি বলেন, আজকের প্রধানমন্ত্রীর নিজের হোমের থেকে সেকেন্ড হোমের প্রতি বেশি দুর্বল। এ দুর্বলতাই আমাদের জাতীয় জীবনে বড় বিপর্যয়। স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব দেশপ্রেমিক জনগোষ্ঠীর দল জাতীয়তাবাদী দল, এই দল শুধু আপনার আমার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আপনারা (নেতারা) মাঠে না থাকলে জনগণ আপনাদের পাশে থাকবে না।

ঢাকা জেলা সভাপতি দেওয়ান মো. সালাউদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাকের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী, তমিজউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে আহমদ ছফার ঠাঁই হয়নি রাজনৈতিক কারণে: সলিমুল্লাহ খান

দলের নেতাদের ঈমান ঠিক করতে বললেন গয়েশ্বর

আপডেট সময় ০৬:০১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

‘আন্দোলন চাই, সময়মতো আমি নাই’- এ মানসিকতা না বদলালে আন্দোলনে সফলতা আসবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এজন্য নেতাদের ঈমান ঠিক করতে বলেছেন তিনি।

দলের নেতাদের উদ্দেশে গয়েশ্বর বলেন, আন্দোলন চাই, সময়মতো আমি নিজে নাই, টেলিফোন বন্ধ। রাজপথে রক্ত দিমু, কর্মীরে বলুম সাবধানে থাইকো- হয় না, হয় না। ঈমান ঠিক করেন। যেদিন বলতে পারেন মরতে হয় মরব, গণতন্ত্র আনব- সেদিনই গণতন্ত্র মুক্তি পাবে, সেদিনই খালেদা জিয়া মুক্তি পাবে, সেদিনই দেশ মুক্তি পাবে। সেদিনই জাতীয়তাবাদী শক্তি গোলামির জিঞ্জির ছিঁড়ে নিজেদের মুক্ত করতে পারবে।

বুধবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা জেলা বিএনপির উদ্যোগে দলটির ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ আলোচনা সভা হয়।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ১৯৮২ সালে নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে একজন ক্ষমতায় আসছে, গণতন্ত্র বিসর্জন বুটের তলায় চলে গেল। আর শেখ হাসিনা বললেন, আই অ্যাম নট আনহ্যাপি। গণতন্ত্র চলে গেলে যিনি বলেন, আনহ্যাপি, গণতন্ত্রবিহীন রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী তার জন্য সুখের। নাউ সি ইজ হ্যাপি। কেবল উইথ আউট সাপোর্ট, উইথ আউট ভোট সে বারবার প্রধানমন্ত্রী আছে। ১/১১ তে কী হল? জেনারেল মঈন উ আহমেদ আসল। কী কারণে আসল? তাদের (আওয়ামী লীগ) যদি ক্ষমতাই থাকত তারা নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারত। তাহলে তারা কী কারণে আন্দোলন করল, লগি-বৈঠা… অনেক ঘটনা করে মঈন উ আহমদকে আনল। তিনি (শেখ হাসিনা) বিদেশ যাওয়ার সময়ে এয়ারপোর্টে বললেন, তাদের সব অপকর্ম আমি বৈধতা দেব। সেই দিনই চুক্তি ফাইনাল।

তিনি বলেন, আজকের প্রধানমন্ত্রীর নিজের হোমের থেকে সেকেন্ড হোমের প্রতি বেশি দুর্বল। এ দুর্বলতাই আমাদের জাতীয় জীবনে বড় বিপর্যয়। স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব দেশপ্রেমিক জনগোষ্ঠীর দল জাতীয়তাবাদী দল, এই দল শুধু আপনার আমার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আপনারা (নেতারা) মাঠে না থাকলে জনগণ আপনাদের পাশে থাকবে না।

ঢাকা জেলা সভাপতি দেওয়ান মো. সালাউদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাকের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী, তমিজউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।