ঢাকা ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কীভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হয় বিএনপি জানে : তারেক রহমান গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের সব পর্যায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে: সিইসি গাজীপুরে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ২৪ লাখ টাকা ছিনতাই ডাকসু নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য জামায়াত নেতার, বিক্ষোভে উত্তাল ঢাবি ভোট দেখতে বিদেশ থেকে আসবে ৫০০ সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক জনগণকে সাবধানে নেতা বাছাই করার পরামর্শ দিলেন রুমিন ফারহানা বাড়ল মুক্তিযোদ্ধা ভাতা এমপিদের ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি সুবিধা নেওয়া বন্ধ করতে হবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ ‘সাকিবকে খেলার জন্য বিবেচনা করা ক্রিকেট বোর্ডের স্টান্টবাজি,’ বললেন আমিনুল হক কোন ষড়যন্ত্র বিএনপির বিজয় ঠেকাতে পারবে না: দুলু

রাজধানীর হাটগুলোতে ক্রেতা আছে গরু নেই

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনাকালের ঈদে গরু সংকটে ভুগছে রাজধানীর হাটগুলো। হাটগুলোতে শত শত মানুষের ভিড় দেখা গেছে। কিন্তু পছন্দসই গরুর সংখ্যা হাতে গোনা কয়েকটি।

শুক্রবার গাবতলী হাট, হাজারীবাগ হাট, দিয়াবাড়ি অস্থায়ী পশুর হাট, পুরান ঢাকার রহমতগঞ্জ ক্লাব মাঠের হাটে এমন দৃশ্যই দেখা গেল।

পুরো হাটময় বাঁশের খুঁটি মাটিতে গাঁথা, কিন্তু সেই খুঁটিতে বাঁধা নেই গরু।

রাজধানীর পুরান ঢাকার বেশ কয়েকজন বাসিন্দা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার হাটে অনেক গরু দেখেছেন। কিন্তু কেনেননি। আজ শুক্রবার ফজরের নামাজ পড়ে গরু কিনতে রহমতগঞ্জ ক্লাব মাঠের হাটে গিয়ে দেখেন গরু নেই। অনেকেই হতাশ হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। বিশাল আকারের মাঠের ৯৮ শতাংশ ফাঁকা পড়ে আছে। হাটের ভলান্টিয়ার, হাসিল আদায়কারীরা অলস সময় পার করছেন।

হাজারীবাগ পশুর হাটেও একই দৃশ্য। হাটে শত শত মানুষ, কিন্তু গরু আছে হাতে গোনা কয়েকটি।

একই অবস্থা রাজধানীর সবচেয়ে বড় হাট গাবতলীতে। সেখানেও গরুর চেয়ে ক্রেতার সংখ্যা বেশি।

এদিকে হাটে গরু কম, ক্রেতা বেশি হওয়ায় শুক্রবার দাম চড়া হয়ে গেছে। পছন্দসই একটা গরুর দাম দুই লাখ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না।

এক ক্রেতা জানান, দুদিন আগে একই আকারের একটি গরু মাত্র ৯০ হাজার টাকায় দিয়ে দিতে চেয়েছিল বিক্রেতা। বাসায় জায়গা না থাকায় সেসময় কেনননি। এখন সেই একই আকারের গরু দেড় লাখের মতো হাঁকছেন বিক্রেতারা।

অনেকের মতে, অবিক্রিত থেকে যাওয়ার আশঙ্কায় সামান্য লাভেই বা লোকসানে বৃহস্পতিবার গুরু বিক্রি করেছেন ব্যবসায়ীরা। তাই শুক্রবার সংকট দেখা গেছে। চাহিদার চেয়ে গরু কম থাকায় আজ প্রতিটি গরুর দাম দ্বিগুণেরও বেশি হাঁকছেন আগের দিন লোকসান দেয়া ব্যবসায়ীরা।

হাটগুলো ঘুরে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ঢাকার এসব হাটে সারাদিনই ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে। বিশেষকরে সন্ধ্যা থেকে হঠাৎ করে হাটগুলোতে ক্রেতাদের ঢল নামে। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হাটগুলো গরুশূন্য হয়ে যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কীভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হয় বিএনপি জানে : তারেক রহমান

রাজধানীর হাটগুলোতে ক্রেতা আছে গরু নেই

আপডেট সময় ০৫:০৪:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনাকালের ঈদে গরু সংকটে ভুগছে রাজধানীর হাটগুলো। হাটগুলোতে শত শত মানুষের ভিড় দেখা গেছে। কিন্তু পছন্দসই গরুর সংখ্যা হাতে গোনা কয়েকটি।

শুক্রবার গাবতলী হাট, হাজারীবাগ হাট, দিয়াবাড়ি অস্থায়ী পশুর হাট, পুরান ঢাকার রহমতগঞ্জ ক্লাব মাঠের হাটে এমন দৃশ্যই দেখা গেল।

পুরো হাটময় বাঁশের খুঁটি মাটিতে গাঁথা, কিন্তু সেই খুঁটিতে বাঁধা নেই গরু।

রাজধানীর পুরান ঢাকার বেশ কয়েকজন বাসিন্দা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার হাটে অনেক গরু দেখেছেন। কিন্তু কেনেননি। আজ শুক্রবার ফজরের নামাজ পড়ে গরু কিনতে রহমতগঞ্জ ক্লাব মাঠের হাটে গিয়ে দেখেন গরু নেই। অনেকেই হতাশ হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। বিশাল আকারের মাঠের ৯৮ শতাংশ ফাঁকা পড়ে আছে। হাটের ভলান্টিয়ার, হাসিল আদায়কারীরা অলস সময় পার করছেন।

হাজারীবাগ পশুর হাটেও একই দৃশ্য। হাটে শত শত মানুষ, কিন্তু গরু আছে হাতে গোনা কয়েকটি।

একই অবস্থা রাজধানীর সবচেয়ে বড় হাট গাবতলীতে। সেখানেও গরুর চেয়ে ক্রেতার সংখ্যা বেশি।

এদিকে হাটে গরু কম, ক্রেতা বেশি হওয়ায় শুক্রবার দাম চড়া হয়ে গেছে। পছন্দসই একটা গরুর দাম দুই লাখ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না।

এক ক্রেতা জানান, দুদিন আগে একই আকারের একটি গরু মাত্র ৯০ হাজার টাকায় দিয়ে দিতে চেয়েছিল বিক্রেতা। বাসায় জায়গা না থাকায় সেসময় কেনননি। এখন সেই একই আকারের গরু দেড় লাখের মতো হাঁকছেন বিক্রেতারা।

অনেকের মতে, অবিক্রিত থেকে যাওয়ার আশঙ্কায় সামান্য লাভেই বা লোকসানে বৃহস্পতিবার গুরু বিক্রি করেছেন ব্যবসায়ীরা। তাই শুক্রবার সংকট দেখা গেছে। চাহিদার চেয়ে গরু কম থাকায় আজ প্রতিটি গরুর দাম দ্বিগুণেরও বেশি হাঁকছেন আগের দিন লোকসান দেয়া ব্যবসায়ীরা।

হাটগুলো ঘুরে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ঢাকার এসব হাটে সারাদিনই ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে। বিশেষকরে সন্ধ্যা থেকে হঠাৎ করে হাটগুলোতে ক্রেতাদের ঢল নামে। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হাটগুলো গরুশূন্য হয়ে যায়।