ঢাকা ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রূপগঞ্জে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড নতুন রাষ্ট্রপতি দিয়ে সরকারকে যাত্রা শুরু করতে হবে: উমামা প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় ছাত্রলীগ নেতা সুবিধা বঞ্চিত নারী ও শিশুদের নিয়ে ইফতার করলেন ডা. জুবাইদা রহমান ফিলিস্তিন ভূখণ্ড দখলে ইসরায়েলি আইনের তীব্র নিন্দা বাংলাদেশের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সরকার স্বচ্ছতার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে চায়: আসাদুজ্জামান ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীর সাকিবকে খেলতে না দেওয়া দুর্নীতি হলে শাস্তি পেতে রাজি: আসিফ মাহমুদ পাকিস্তানের ‘ঘাড় মটকে’ দেয়ার হুঁশিয়ারি আফগানিস্তানের নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার: মির্জা ফখরুল

আশুলিয়ায় পোশাক কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকায় মেডলার অ্যাপারেলস লিমিটেড কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। শনিবার (৮ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের সদর দফতরের ডিউটি অফিসার ইন্সপেক্টর মাহমুদুল হক।

তিনি জানিয়েছেন, রাত ৯টার দিকে ৮ তলা বিশিষ্ট পোশাক কারাখানা ভবনটির দোতলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা অন্য ফ্লোরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করায় বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন সেখানে কেবল ধোঁয়া দেখা যাচ্ছে। তিনি জানান, অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের কোনও খবর এখনও পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট সেখানে আগুন নেভানোর কাজ করছে।

অন্যদিকে, উত্তরার ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. শফিকুল ইসলামও ঘটনাস্থলে থাকা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আগুনের মাত্রা কমে গেছে। এখন শুধু ধোঁয়া দেখা যাচ্ছে। তারা মই ব্যবহার করে ভবনের বিভিন্ন তলায় দেখেছেন, সেখানে কোনও গার্মেন্টকর্মী নেই। এখন পর্যন্ত নিহতের কোনও খবর পাননি তারা।

কারখানার শ্রমিক ও পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে আমাদের সাভার প্রতিনিধি নাদিম হোসেন জানান, শনিবার রাত ৯টার দিকে আশুলিয়ার মেডলার অ্যাপারেলস কারখানাটির দ্বিতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে অন্য ছয়টি ফ্লোরে। খবর পেয়ে আশুলিয়া ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় সাভার, ধামরাই, টঙ্গি ও উত্তরা ফায়ার সার্ভিসের আরও ১০টি ইউনিট তাদের সঙ্গে যোগ দেয়। এদিকে আগুন লাগার পরপরই কারখানার ভেতর থেকে বের হতে গিয়ে ২০ জন শ্রমিক আহত হয়।

জানা গেছে, কারখানায় চার হাজার পাঁচশ’ শ্রমিক কাজ করেন। তবে রাতে কারখানাটিতে নির্ধারিত কর্মঘণ্টার পর কতজন শ্রমিক ওভারটাইম করতে গিয়ে আটকা পড়েছে, তা জানা যায়নি।

আশুলিয়া শিল্প পুলিশের পরিচালক সানা সামিনুর রহমান বলেন, ‘কারখানার আশপাশের অন্যান্য পোশাক কারখানা ছুটি ঘোষণা করে হয়েছে। আব্দুলাহপুর বাইপাইল মহাসড়কের নরসিংহপুর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ফায়ার সার্ভিসের অন্যান্য ইউনিট যাতে দ্রুত পৌঁছাতে পারে সেজন্য ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে ওই সড়কে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়েছে।’

এদিকে, আগুন লাগার পরপরই আশুলিয়ার আব্দুল্লাপুর-বাইপাইল মহাসড়কের পাশে সব পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। মেডলার অ্যাপারেলসের সামনে শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

উত্তরা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আগুন লাগার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করি।’ কারখানাটির ভেতরে দ্বিতীয় তলায় ফোম জাতীয় কাপড় থাকার কারণে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানান তিনি।

আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকায় মেডলার অ্যাপারেলস লিমিটেড কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। শনিবার (৮ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের সদর দফতরের ডিউটি অফিসার ইন্সপেক্টর মাহমুদুল হক। তিনি জানিয়েছেন, রাত ৯টার দিকে ৮ তলা বিশিষ্ট পোশাক কারাখানা ভবনটির দোতলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা অন্য ফ্লোরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করায় বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন সেখানে কেবল ধোঁয়া দেখা যাচ্ছে। তিনি জানান, অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের কোনও খবর এখনও পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট সেখানে আগুন নেভানোর কাজ করছে। অন্যদিকে, উত্তরার ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. শফিকুল ইসলামও ঘটনাস্থলে থাকা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আগুনের মাত্রা কমে গেছে। এখন শুধু ধোঁয়া দেখা যাচ্ছে। তারা মই ব্যবহার করে ভবনের বিভিন্ন তলায় দেখেছেন, সেখানে কোনও গার্মেন্টকর্মী নেই। এখন পর্যন্ত নিহতের কোনও খবর পাননি তারা। কারখানার শ্রমিক ও পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে আমাদের সাভার প্রতিনিধি নাদিম হোসেন জানান, শনিবার রাত ৯টার দিকে আশুলিয়ার মেডলার অ্যাপারেলস কারখানাটির দ্বিতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে অন্য ছয়টি ফ্লোরে। খবর পেয়ে আশুলিয়া ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় সাভার, ধামরাই, টঙ্গি ও উত্তরা ফায়ার সার্ভিসের আরও ১০টি ইউনিট তাদের সঙ্গে যোগ দেয়। এদিকে আগুন লাগার পরপরই কারখানার ভেতর থেকে বের হতে গিয়ে ২০ জন শ্রমিক আহত হয়। জানা গেছে, কারখানায় চার হাজার পাঁচশ’ শ্রমিক কাজ করেন। তবে রাতে কারখানাটিতে নির্ধারিত কর্মঘণ্টার পর কতজন শ্রমিক ওভারটাইম করতে গিয়ে আটকা পড়েছে, তা জানা যায়নি। আশুলিয়া শিল্প পুলিশের পরিচালক সানা সামিনুর রহমান বলেন, ‘কারখানার আশপাশের অন্যান্য পোশাক কারখানা ছুটি ঘোষণা করে হয়েছে। আব্দুলাহপুর বাইপাইল মহাসড়কের নরসিংহপুর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ফায়ার সার্ভিসের অন্যান্য ইউনিট যাতে দ্রুত পৌঁছাতে পারে সেজন্য ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে ওই সড়কে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়েছে।’ এদিকে, আগুন লাগার পরপরই আশুলিয়ার আব্দুল্লাপুর-বাইপাইল মহাসড়কের পাশে সব পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। মেডলার অ্যাপারেলসের সামনে শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। উত্তরা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আগুন লাগার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করি।’ কারখানাটির ভেতরে দ্বিতীয় তলায় ফোম জাতীয় কাপড় থাকার কারণে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানান তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রূপগঞ্জে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

আশুলিয়ায় পোশাক কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে

আপডেট সময় ০৩:০৩:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ জুলাই ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকায় মেডলার অ্যাপারেলস লিমিটেড কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। শনিবার (৮ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের সদর দফতরের ডিউটি অফিসার ইন্সপেক্টর মাহমুদুল হক।

তিনি জানিয়েছেন, রাত ৯টার দিকে ৮ তলা বিশিষ্ট পোশাক কারাখানা ভবনটির দোতলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা অন্য ফ্লোরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করায় বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন সেখানে কেবল ধোঁয়া দেখা যাচ্ছে। তিনি জানান, অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের কোনও খবর এখনও পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট সেখানে আগুন নেভানোর কাজ করছে।

অন্যদিকে, উত্তরার ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. শফিকুল ইসলামও ঘটনাস্থলে থাকা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আগুনের মাত্রা কমে গেছে। এখন শুধু ধোঁয়া দেখা যাচ্ছে। তারা মই ব্যবহার করে ভবনের বিভিন্ন তলায় দেখেছেন, সেখানে কোনও গার্মেন্টকর্মী নেই। এখন পর্যন্ত নিহতের কোনও খবর পাননি তারা।

কারখানার শ্রমিক ও পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে আমাদের সাভার প্রতিনিধি নাদিম হোসেন জানান, শনিবার রাত ৯টার দিকে আশুলিয়ার মেডলার অ্যাপারেলস কারখানাটির দ্বিতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে অন্য ছয়টি ফ্লোরে। খবর পেয়ে আশুলিয়া ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় সাভার, ধামরাই, টঙ্গি ও উত্তরা ফায়ার সার্ভিসের আরও ১০টি ইউনিট তাদের সঙ্গে যোগ দেয়। এদিকে আগুন লাগার পরপরই কারখানার ভেতর থেকে বের হতে গিয়ে ২০ জন শ্রমিক আহত হয়।

জানা গেছে, কারখানায় চার হাজার পাঁচশ’ শ্রমিক কাজ করেন। তবে রাতে কারখানাটিতে নির্ধারিত কর্মঘণ্টার পর কতজন শ্রমিক ওভারটাইম করতে গিয়ে আটকা পড়েছে, তা জানা যায়নি।

আশুলিয়া শিল্প পুলিশের পরিচালক সানা সামিনুর রহমান বলেন, ‘কারখানার আশপাশের অন্যান্য পোশাক কারখানা ছুটি ঘোষণা করে হয়েছে। আব্দুলাহপুর বাইপাইল মহাসড়কের নরসিংহপুর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ফায়ার সার্ভিসের অন্যান্য ইউনিট যাতে দ্রুত পৌঁছাতে পারে সেজন্য ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে ওই সড়কে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়েছে।’

এদিকে, আগুন লাগার পরপরই আশুলিয়ার আব্দুল্লাপুর-বাইপাইল মহাসড়কের পাশে সব পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। মেডলার অ্যাপারেলসের সামনে শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

উত্তরা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আগুন লাগার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করি।’ কারখানাটির ভেতরে দ্বিতীয় তলায় ফোম জাতীয় কাপড় থাকার কারণে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানান তিনি।

আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকায় মেডলার অ্যাপারেলস লিমিটেড কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। শনিবার (৮ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের সদর দফতরের ডিউটি অফিসার ইন্সপেক্টর মাহমুদুল হক। তিনি জানিয়েছেন, রাত ৯টার দিকে ৮ তলা বিশিষ্ট পোশাক কারাখানা ভবনটির দোতলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা অন্য ফ্লোরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করায় বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন সেখানে কেবল ধোঁয়া দেখা যাচ্ছে। তিনি জানান, অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের কোনও খবর এখনও পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট সেখানে আগুন নেভানোর কাজ করছে। অন্যদিকে, উত্তরার ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. শফিকুল ইসলামও ঘটনাস্থলে থাকা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আগুনের মাত্রা কমে গেছে। এখন শুধু ধোঁয়া দেখা যাচ্ছে। তারা মই ব্যবহার করে ভবনের বিভিন্ন তলায় দেখেছেন, সেখানে কোনও গার্মেন্টকর্মী নেই। এখন পর্যন্ত নিহতের কোনও খবর পাননি তারা। কারখানার শ্রমিক ও পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে আমাদের সাভার প্রতিনিধি নাদিম হোসেন জানান, শনিবার রাত ৯টার দিকে আশুলিয়ার মেডলার অ্যাপারেলস কারখানাটির দ্বিতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে অন্য ছয়টি ফ্লোরে। খবর পেয়ে আশুলিয়া ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় সাভার, ধামরাই, টঙ্গি ও উত্তরা ফায়ার সার্ভিসের আরও ১০টি ইউনিট তাদের সঙ্গে যোগ দেয়। এদিকে আগুন লাগার পরপরই কারখানার ভেতর থেকে বের হতে গিয়ে ২০ জন শ্রমিক আহত হয়। জানা গেছে, কারখানায় চার হাজার পাঁচশ’ শ্রমিক কাজ করেন। তবে রাতে কারখানাটিতে নির্ধারিত কর্মঘণ্টার পর কতজন শ্রমিক ওভারটাইম করতে গিয়ে আটকা পড়েছে, তা জানা যায়নি। আশুলিয়া শিল্প পুলিশের পরিচালক সানা সামিনুর রহমান বলেন, ‘কারখানার আশপাশের অন্যান্য পোশাক কারখানা ছুটি ঘোষণা করে হয়েছে। আব্দুলাহপুর বাইপাইল মহাসড়কের নরসিংহপুর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ফায়ার সার্ভিসের অন্যান্য ইউনিট যাতে দ্রুত পৌঁছাতে পারে সেজন্য ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে ওই সড়কে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়েছে।’ এদিকে, আগুন লাগার পরপরই আশুলিয়ার আব্দুল্লাপুর-বাইপাইল মহাসড়কের পাশে সব পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। মেডলার অ্যাপারেলসের সামনে শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। উত্তরা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আগুন লাগার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করি।’ কারখানাটির ভেতরে দ্বিতীয় তলায় ফোম জাতীয় কাপড় থাকার কারণে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানান তিনি।