ঢাকা ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই সনদকে অস্বীকার করে বিএনপি জাতির সঙ্গে গাদ্দারি করছে:নাহিদ ইসলাম দেশের স্বার্থে সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী মিরপুরে সরকারি অফিসার্স কোয়ার্টারে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট ধ্বংসস্তূপের নিচে ৩২ ঘণ্টার বিভীষিকা, যেভাবে বেঁচে ফিরল ১২ বছরের কিশোরী ব্যাটিং ব্যর্থতায় জিম্বাবুয়ের কাছে হারল বাংলাদেশ প্রতিটি ক্লাশরুমে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, শ্রেণিকক্ষেই স্কুলছাত্রের বিষপান খেলা শেষ, খোদা হাফেজ : মাহফুজ আলম জুলাইয়ের ৫ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার ক্ষমতাচ্যুত হাসিনা দেশে ফিরলে আইনের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে: রুমিন ফারহানা

বেগমগঞ্জে কিশোরীকে ধর্ষণ-গর্ভপাত, নারী চিকিৎসকসহ গ্রেফতার ৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের বিয়ের প্রলোভনে এক কিশোরীকে (১৭) ধর্ষণ করে অন্তঃস্বত্ত্বা হওয়ার পর গর্ভপাত করে শিশু হত্যার অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ও এক নারী চিকিৎসকসহ ৪জনকে গ্রেফতার করেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীরর মা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় এ মামলা দায়ের করেন। পরে তাৎক্ষণিক পুলিশ অভিযুক্ত একজন ইউপি সদস্য মুকবুল আহম্মদ ও এক নারী চিকিৎসকসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন হোমিও চিকিৎসক জেসমিন আক্তার, ইউপি সদস্য মুকবুল আহম্মদ, কমল সিংহ ও ফারুক হোসেন। তবে অভিযুক্ত ধর্ষক কাউসার আহমদ ওরফে হামিদ (২৮) পলাতক রয়েছে। সে পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক এবং একই ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের রহম সর্দার বাড়ির আলী আকবর ব্যাপারীর ছেলে।

মামলার অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের পল্লী চিকিৎসক হামিদ ওই কিশোরী মেয়েকে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণ করলে ওই কিশোরী অন্তঃস্বত্তা হয়ে পড়ে। পরে গত (৪ জুলাই) কাউসার ওই কিশোরীকে তার সহযোগী কমল সিংহের মাধ্যমে চৌমুহনীর কলেজ রোডের নারী হোমিও চিকিৎসক জেসমিন আক্তারের বাসায় নিয়ে ওষুধের মাধ্যমে গর্ভের শিশুটিকে মেরে ফেলে এবং গর্ভপাত ঘটায়।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে শালিসের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা চালান ইউপি সদস্য মুকবুল, ফারুকসহ কয়েকজন। কিন্তু মীমাংসা না করে বিষয়টি নিয়ে ফারুকসহ বাকিরা তালবাহানা করলে কিশোরীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল বাহার চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে পুলিশ ৪ জনকে গ্রেফতার করে। অভিযুক্ত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই সনদকে অস্বীকার করে বিএনপি জাতির সঙ্গে গাদ্দারি করছে:নাহিদ ইসলাম

বেগমগঞ্জে কিশোরীকে ধর্ষণ-গর্ভপাত, নারী চিকিৎসকসহ গ্রেফতার ৪

আপডেট সময় ০৩:২৭:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের বিয়ের প্রলোভনে এক কিশোরীকে (১৭) ধর্ষণ করে অন্তঃস্বত্ত্বা হওয়ার পর গর্ভপাত করে শিশু হত্যার অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ও এক নারী চিকিৎসকসহ ৪জনকে গ্রেফতার করেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীরর মা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় এ মামলা দায়ের করেন। পরে তাৎক্ষণিক পুলিশ অভিযুক্ত একজন ইউপি সদস্য মুকবুল আহম্মদ ও এক নারী চিকিৎসকসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন হোমিও চিকিৎসক জেসমিন আক্তার, ইউপি সদস্য মুকবুল আহম্মদ, কমল সিংহ ও ফারুক হোসেন। তবে অভিযুক্ত ধর্ষক কাউসার আহমদ ওরফে হামিদ (২৮) পলাতক রয়েছে। সে পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক এবং একই ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের রহম সর্দার বাড়ির আলী আকবর ব্যাপারীর ছেলে।

মামলার অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের পল্লী চিকিৎসক হামিদ ওই কিশোরী মেয়েকে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণ করলে ওই কিশোরী অন্তঃস্বত্তা হয়ে পড়ে। পরে গত (৪ জুলাই) কাউসার ওই কিশোরীকে তার সহযোগী কমল সিংহের মাধ্যমে চৌমুহনীর কলেজ রোডের নারী হোমিও চিকিৎসক জেসমিন আক্তারের বাসায় নিয়ে ওষুধের মাধ্যমে গর্ভের শিশুটিকে মেরে ফেলে এবং গর্ভপাত ঘটায়।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে শালিসের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা চালান ইউপি সদস্য মুকবুল, ফারুকসহ কয়েকজন। কিন্তু মীমাংসা না করে বিষয়টি নিয়ে ফারুকসহ বাকিরা তালবাহানা করলে কিশোরীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল বাহার চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে পুলিশ ৪ জনকে গ্রেফতার করে। অভিযুক্ত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হবে।