ঢাকা ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

জিয়াই স্বাধীনতা বিরোধীদের ক্ষমতায় বসিয়েছিল : প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমনাকে হত্যার পর অবৈধভাবে রাষ্ট্রপতির পথ দখল করে জিয়াউর রহমান এদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের যারা বিরোধীতা করেছে তাদেরই তিনি ক্ষমতায় বসিয়েছিলেন। বুধবার বিকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করেন। অনেকে জেল হাজতে বন্দি ছিল। অনেকে দেশ ছেড়ে পালিয়েছিল, আবার অনেকে পাকিস্তানের পাসপোর্ট নিয়ে দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিল। কারণ তারা বাংলাদেশকে স্বীকার করেনি। কিন্তু জিয়াউর রহমান নিজেকে মুক্তিযুদ্ধ খেতার দাবি করে, যারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছিল তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনে।

শেখ হাসিনা বলেন, ’৭৫ থেকে ৯৬ বছর পর্যন্ত ২১ বছর যারাই ক্ষমতায় এসেছে তারাই এই অপরাধীদের বিভিন্নভাবে সুবিধা দিয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের দুর্ভাগ্য ওই ২১ বছর যারাই ক্ষমতায় এসেছে তারা দেশের কোনো উন্নয়নই করেনি।

দেশনেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৫ সালের ৩০ জুলাই আমি ও রেহানা জার্মানিতে গিয়েছিলাম। যাওয়ার মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই খরব পেয়েছিলাম যে আমাদের পরিবারের কেউ বেঁচে নেই। এরপর জিয়াউর রহমান আমাদের দেশে আসতে দেয়নি। রেহানার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়েগিয়েছিল। কিন্তু জিয়াউর রহমানের নির্দেশ ছিল ওই পার্সপোটের মেয়াদ বৃদ্ধি না করা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা যেন দেশে আসতে না পারি সেটাই জিয়াউর রহমান সব সময় চেষ্টা করেন। কিন্তু অনেক বাঁধা বিপত্তি পার করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সহায়তার আমি দেশে আসি। দেশে আসার পর আমাকে ৩২ নম্বরের বাড়িতে আমাকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। বাড়িটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। জিয়া রহমান আমাকে অন্য বাড়ি দিতে চায়, ওই বাড়িতে ঢুকতে দেয় না। কিন্তু আমি ওই খুনির কাছ থেকে কখনও কোনো কিছু নিতে প্রস্তুত ছিলাম না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

জিয়াই স্বাধীনতা বিরোধীদের ক্ষমতায় বসিয়েছিল : প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:৫০:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমনাকে হত্যার পর অবৈধভাবে রাষ্ট্রপতির পথ দখল করে জিয়াউর রহমান এদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের যারা বিরোধীতা করেছে তাদেরই তিনি ক্ষমতায় বসিয়েছিলেন। বুধবার বিকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করেন। অনেকে জেল হাজতে বন্দি ছিল। অনেকে দেশ ছেড়ে পালিয়েছিল, আবার অনেকে পাকিস্তানের পাসপোর্ট নিয়ে দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিল। কারণ তারা বাংলাদেশকে স্বীকার করেনি। কিন্তু জিয়াউর রহমান নিজেকে মুক্তিযুদ্ধ খেতার দাবি করে, যারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছিল তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনে।

শেখ হাসিনা বলেন, ’৭৫ থেকে ৯৬ বছর পর্যন্ত ২১ বছর যারাই ক্ষমতায় এসেছে তারাই এই অপরাধীদের বিভিন্নভাবে সুবিধা দিয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের দুর্ভাগ্য ওই ২১ বছর যারাই ক্ষমতায় এসেছে তারা দেশের কোনো উন্নয়নই করেনি।

দেশনেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৫ সালের ৩০ জুলাই আমি ও রেহানা জার্মানিতে গিয়েছিলাম। যাওয়ার মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই খরব পেয়েছিলাম যে আমাদের পরিবারের কেউ বেঁচে নেই। এরপর জিয়াউর রহমান আমাদের দেশে আসতে দেয়নি। রেহানার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়েগিয়েছিল। কিন্তু জিয়াউর রহমানের নির্দেশ ছিল ওই পার্সপোটের মেয়াদ বৃদ্ধি না করা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা যেন দেশে আসতে না পারি সেটাই জিয়াউর রহমান সব সময় চেষ্টা করেন। কিন্তু অনেক বাঁধা বিপত্তি পার করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সহায়তার আমি দেশে আসি। দেশে আসার পর আমাকে ৩২ নম্বরের বাড়িতে আমাকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। বাড়িটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। জিয়া রহমান আমাকে অন্য বাড়ি দিতে চায়, ওই বাড়িতে ঢুকতে দেয় না। কিন্তু আমি ওই খুনির কাছ থেকে কখনও কোনো কিছু নিতে প্রস্তুত ছিলাম না।