ঢাকা ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা আমেরিকা অপমানিত, ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: জার্মানি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চায় না শিক্ষার্থীরা : হুইপ বকুল

জুলাই-আগস্টের মধ্যে ঋণ ছাড় করার নির্দেশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনাভাইরাস সংকট থেকে উত্তরণে সরকার ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নে গতি বাড়াতে ব্যাংক-গুলোকে আবারও নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিশেষ করে শিল্প ও সেবা খাতের ৩০ হাজার কোটি টাকা এবং কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের ২০ হাজার কোটি টাকার ঋণ চলতি জুলাই ও আগামী আগস্টের মধ্যে বিতরণ সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার গভর্নর ফজলে কবিরের সঙ্গে অনুষ্ঠিত ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের এক বৈঠকে এসব নির্দেশনা দেয়া হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্তের আলোকে একটি সার্কুলার লেটার জারি করে বৃহস্পতিবার রাতেই ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

বৈঠকের আলোকে রাতেই জারি করা সার্কুলারে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প, সেবা ও কৃষি খাতসহ আয়-উৎসারী কর্মকাণ্ড পুনরায় সচল করার জন্য বিভিন্ন ঋণ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়।

এসব প্যাকেজ যথাসময়ে বাস্তবায়িত না হলে প্যাকেজ প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্যই ব্যাহত হবে। এ অবস্থায় প্রণোদনা প্যাকেজের অধিকাংশই চলতি জুলাই মাসের মধ্যে এবং বাকি অংশ আগামী আগস্ট মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করার জন্য পরামর্শ দেয়া যাচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, প্রণোদনা প্যাকেজ দ্রুত ও যথাযথভাবে বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে গভর্নরের সভাপতিত্বে ১৭ জুন ও ২ জুলাই ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প ও সেবা খাতের জন্য ৩০ হাজার কোটি টাকা প্যাকেজের আওতায় ৫০০ কোটি ও তদূর্ধ্ব অংকের ঋণ বরাদ্দ পাওয়া ব্যাংক এবং কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতের জন্য ঘোষিত ২০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজের আওতায় ৩০০ কোটি ও তদূর্ধ্ব অংকের বরাদ্দ পাওয়া ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীরা অংশ নেন।

ওই সভায় ব্যাংকের প্রতিনিধিরা জুলাই মাসের মধ্যে প্যাকেজের সিংহভাগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সব ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে অবহিত করেন। প্যাকেজ বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেয়া হয়। এর আগে একাধিকবার প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণ দ্রুত ছাড় করতে ব্যাংকগুলোকে তাগিদ দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, করোনার প্রভাব মোকাবেলা করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৮টি ঋণনির্ভর ৮২ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ওই দুটি ৫০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ। এগুলোর বাস্তবায়ন দেরি হচ্ছে। বাকি প্যাকেজগুলো চলমান রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন

জুলাই-আগস্টের মধ্যে ঋণ ছাড় করার নির্দেশ

আপডেট সময় ০৬:২৯:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনাভাইরাস সংকট থেকে উত্তরণে সরকার ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নে গতি বাড়াতে ব্যাংক-গুলোকে আবারও নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিশেষ করে শিল্প ও সেবা খাতের ৩০ হাজার কোটি টাকা এবং কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের ২০ হাজার কোটি টাকার ঋণ চলতি জুলাই ও আগামী আগস্টের মধ্যে বিতরণ সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার গভর্নর ফজলে কবিরের সঙ্গে অনুষ্ঠিত ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের এক বৈঠকে এসব নির্দেশনা দেয়া হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্তের আলোকে একটি সার্কুলার লেটার জারি করে বৃহস্পতিবার রাতেই ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

বৈঠকের আলোকে রাতেই জারি করা সার্কুলারে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প, সেবা ও কৃষি খাতসহ আয়-উৎসারী কর্মকাণ্ড পুনরায় সচল করার জন্য বিভিন্ন ঋণ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়।

এসব প্যাকেজ যথাসময়ে বাস্তবায়িত না হলে প্যাকেজ প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্যই ব্যাহত হবে। এ অবস্থায় প্রণোদনা প্যাকেজের অধিকাংশই চলতি জুলাই মাসের মধ্যে এবং বাকি অংশ আগামী আগস্ট মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করার জন্য পরামর্শ দেয়া যাচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, প্রণোদনা প্যাকেজ দ্রুত ও যথাযথভাবে বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে গভর্নরের সভাপতিত্বে ১৭ জুন ও ২ জুলাই ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প ও সেবা খাতের জন্য ৩০ হাজার কোটি টাকা প্যাকেজের আওতায় ৫০০ কোটি ও তদূর্ধ্ব অংকের ঋণ বরাদ্দ পাওয়া ব্যাংক এবং কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতের জন্য ঘোষিত ২০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজের আওতায় ৩০০ কোটি ও তদূর্ধ্ব অংকের বরাদ্দ পাওয়া ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীরা অংশ নেন।

ওই সভায় ব্যাংকের প্রতিনিধিরা জুলাই মাসের মধ্যে প্যাকেজের সিংহভাগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সব ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে অবহিত করেন। প্যাকেজ বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেয়া হয়। এর আগে একাধিকবার প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণ দ্রুত ছাড় করতে ব্যাংকগুলোকে তাগিদ দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, করোনার প্রভাব মোকাবেলা করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৮টি ঋণনির্ভর ৮২ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ওই দুটি ৫০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ। এগুলোর বাস্তবায়ন দেরি হচ্ছে। বাকি প্যাকেজগুলো চলমান রয়েছে।