আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
করোনা (কোভিড-১৯) ভাইরাস সম্পর্কে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মধ্যে যে ভ্রান্ত ধারণা আছে, তা দূর করে তাদের সচেতন করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জোরালো ভূমিকা রাখার সুপারিশ জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থা (স্কাস) চেয়ারপারসন জেসমিন প্রেমা।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সার্ভে: তথ্য উপস্থাপন করেছে সমাজকল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থা (স্কাস) ও কেএমএইচ, জার্মানি বাংলাদেশ। সার্ভে উপস্থাপনকালে তিনি এ সুপারিশ করেন।
জেসমিন প্রেমা বলেন, করোনাকালে আমরা ৩ মাস রোহিঙ্গা ক্যাম্পে র্যাপিড সার্ভে করেছি। রোহিঙ্গাদের করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থেকে রক্ষা করার জন্য মাস্ক ও বিভিন্ন ধরনের হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করার জন্য তাদেরকে দেওয়া হয়। তাদের সুরক্ষার জন্য কিন্তু কোনভাবেই তারা কোন কিছুই ব্যবহার করতে চায় না। তারা (রোহিঙ্গারা) বলে করোনা ভাইরাসে আমাদের কিছু হবে না। আমাদেরকে আল্লাহ রক্ষা করবে।
প্রেমা আরো সুপারিশ উল্লেখ করে বলেন, করোনার বিষয় তথ্য প্রাপ্তির ক্ষেত্রে নারীরা পিছিয়ে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় উন্নয়ন সহযোগী সংগঠন সমূহের কর্মসূচি গ্রহণ, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মসজিদভিত্তিক করোনা ভাইরাস বিষয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা। করোনা ভাইরাসের গুরুত্ব প্রদান সাপেক্ষে কোম্পানিভিত্তিক সকল কার্যক্রমে এনজিওগুলোর মাধ্যমে সচেতনতামূলক কার্যক্রম নিশ্চিত করা ও তথ্য মন্ত্রণালয় মাধ্যমে স্থানীয় গণমাধ্যমকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার সুপারিশ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ ও কেএনএইচ জার্মানি বাংলাদেশ এর কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর মারুফ মমতাজ রুমি।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















