ঢাকা ০৭:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হামলা-নির্যাতনের প্রতিবাদে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ সমাবেশ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ ভূমিকার কারণে নির্বাচন প্রশংসিত হয়েছে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিচ্ছেন তারেক রহমান নতুন জোট ও নতুন প্রতীকের প্রস্তাব অলি আহমদের রোজায় হাইস্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত জেদ্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় লক্ষ্মীপুরের একই পরিবারের চারজনসহ নিহত ৫ অযোগ্য ব্যক্তিকে বড় পদে চাকরি দেওয়া বড় অপরাধ: শোয়েব আখতার ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায় বিএনপি : সালাহউদ্দিন আহমদ নির্বাচনে জাল ভোট নিয়ে টিআইবির নামে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, সতর্ক থাকার আহ্বান ভারতকে সব সময় শক্তিশালী ও প্রস্তুত থাকতে হবে: নরেন্দ্র মোদি

নতুন জোট ও নতুন প্রতীকের প্রস্তাব অলি আহমদের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এবারের নির্বাচনে বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ এর এলডিপি। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে যোগ দিয়ে সাতটি আসন পেলেও কোনো আসনেই জয় পায়নি দলটি। এমনকি নিজের এলাকা চট্টগ্রাম ১৪ (চন্দনাইশ) আসনেও বিএনপি প্রার্থী জসিম উদ্দিনের কাছে হেরেছেন তাঁর ছেলে ওমর ফারুক।

নির্বাচন পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, আমাদেরকে ধোঁকা দেওয়া হয়েছে নির্বাচনের নামে। সমগ্র জাতিকে বোকা বানানো হয়েছে। কারণ তারা দিনের বেলায়ও ভোট ডাকাতি করেছে, রাতের বেলায়ও করেছে। সাড়ে চারটা থেকে ছটার মধ্যে যারা বেশি ভোট পেয়েছে তাদের ভোট ডাবল সিল মেরে বাতিল করা হয়েছে। কোথাও ভোট কম পড়লে নতুন করে সিল মেরে বাক্সে ঢোকানো হয়েছে। এতে অনেক প্রিসাইডিং কর্মকর্তা সরাসরি জড়িত। তিনি বলেন, এই কাজ দেশদ্রোহিতার শামিল।

অলি আহমদ আরও বলেন, (জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে) ১৪০০ জন আমাদের মেধাবী সন্তান শাহাদাত বরণ করেছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় হাজার হাজার ছেলে মেয়েরা শহীদ হয়েছে। আমরা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। হেলায় হেলায় কেউ এসে রাজত্ব করবে আর আমরা বসে থাকব তা হতে পারে না।

তিনি জামায়াতে ইসলামী এবং জোটের অন্য শরিকদের উদ্দেশে বলেন, এখন আমরা ১১ দলীয় নির্বাচনী সমঝোতায় আছি। এটাকে শক্তিশালী করতে হলে নতুন নাম ও নতুন প্রতীক প্রয়োজন। ভিন্ন নামে একটি প্ল্যাটফর্মে সবাইকে এক ছাতার নিচে আসতে হবে। এতে ঐক্য আরও সুদৃঢ় হবে।

অলি আহমদ বলেন, আমাদের ছাতা মার্কা নয়, জামায়াতের দাড়িপাল্লা মার্কাও নয় কিংবা শাপলা কলিও নয়, নতুন একটি প্রতীক নিয়ে এগোতে হবে। এতে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন শক্ত হবে এবং ভুল বোঝাবুঝি দূর হবে।

চট্টগ্রাম ১৪ আসনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ওমর ফারুককে ভোট দিয়েছে। সেই ভোট প্রশাসন হাইজ্যাক করে তাঁকে হারিয়ে দেয়া হয়েছে। এটা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ন্যাক্কারজনক অধ্যায়।

শেষে তিনি বলেন, আমাদের প্রার্থীরা হারে নাই, জনগণ আমাদের ভোট দিয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

হামলা-নির্যাতনের প্রতিবাদে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ সমাবেশ

নতুন জোট ও নতুন প্রতীকের প্রস্তাব অলি আহমদের

আপডেট সময় ০৫:২৫:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এবারের নির্বাচনে বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ এর এলডিপি। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে যোগ দিয়ে সাতটি আসন পেলেও কোনো আসনেই জয় পায়নি দলটি। এমনকি নিজের এলাকা চট্টগ্রাম ১৪ (চন্দনাইশ) আসনেও বিএনপি প্রার্থী জসিম উদ্দিনের কাছে হেরেছেন তাঁর ছেলে ওমর ফারুক।

নির্বাচন পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, আমাদেরকে ধোঁকা দেওয়া হয়েছে নির্বাচনের নামে। সমগ্র জাতিকে বোকা বানানো হয়েছে। কারণ তারা দিনের বেলায়ও ভোট ডাকাতি করেছে, রাতের বেলায়ও করেছে। সাড়ে চারটা থেকে ছটার মধ্যে যারা বেশি ভোট পেয়েছে তাদের ভোট ডাবল সিল মেরে বাতিল করা হয়েছে। কোথাও ভোট কম পড়লে নতুন করে সিল মেরে বাক্সে ঢোকানো হয়েছে। এতে অনেক প্রিসাইডিং কর্মকর্তা সরাসরি জড়িত। তিনি বলেন, এই কাজ দেশদ্রোহিতার শামিল।

অলি আহমদ আরও বলেন, (জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে) ১৪০০ জন আমাদের মেধাবী সন্তান শাহাদাত বরণ করেছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় হাজার হাজার ছেলে মেয়েরা শহীদ হয়েছে। আমরা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। হেলায় হেলায় কেউ এসে রাজত্ব করবে আর আমরা বসে থাকব তা হতে পারে না।

তিনি জামায়াতে ইসলামী এবং জোটের অন্য শরিকদের উদ্দেশে বলেন, এখন আমরা ১১ দলীয় নির্বাচনী সমঝোতায় আছি। এটাকে শক্তিশালী করতে হলে নতুন নাম ও নতুন প্রতীক প্রয়োজন। ভিন্ন নামে একটি প্ল্যাটফর্মে সবাইকে এক ছাতার নিচে আসতে হবে। এতে ঐক্য আরও সুদৃঢ় হবে।

অলি আহমদ বলেন, আমাদের ছাতা মার্কা নয়, জামায়াতের দাড়িপাল্লা মার্কাও নয় কিংবা শাপলা কলিও নয়, নতুন একটি প্রতীক নিয়ে এগোতে হবে। এতে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন শক্ত হবে এবং ভুল বোঝাবুঝি দূর হবে।

চট্টগ্রাম ১৪ আসনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ওমর ফারুককে ভোট দিয়েছে। সেই ভোট প্রশাসন হাইজ্যাক করে তাঁকে হারিয়ে দেয়া হয়েছে। এটা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ন্যাক্কারজনক অধ্যায়।

শেষে তিনি বলেন, আমাদের প্রার্থীরা হারে নাই, জনগণ আমাদের ভোট দিয়েছে।