ঢাকা ১১:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নতুন জোট ও নতুন প্রতীকের প্রস্তাব অলি আহমদের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এবারের নির্বাচনে বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ এর এলডিপি। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে যোগ দিয়ে সাতটি আসন পেলেও কোনো আসনেই জয় পায়নি দলটি। এমনকি নিজের এলাকা চট্টগ্রাম ১৪ (চন্দনাইশ) আসনেও বিএনপি প্রার্থী জসিম উদ্দিনের কাছে হেরেছেন তাঁর ছেলে ওমর ফারুক।

নির্বাচন পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, আমাদেরকে ধোঁকা দেওয়া হয়েছে নির্বাচনের নামে। সমগ্র জাতিকে বোকা বানানো হয়েছে। কারণ তারা দিনের বেলায়ও ভোট ডাকাতি করেছে, রাতের বেলায়ও করেছে। সাড়ে চারটা থেকে ছটার মধ্যে যারা বেশি ভোট পেয়েছে তাদের ভোট ডাবল সিল মেরে বাতিল করা হয়েছে। কোথাও ভোট কম পড়লে নতুন করে সিল মেরে বাক্সে ঢোকানো হয়েছে। এতে অনেক প্রিসাইডিং কর্মকর্তা সরাসরি জড়িত। তিনি বলেন, এই কাজ দেশদ্রোহিতার শামিল।

অলি আহমদ আরও বলেন, (জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে) ১৪০০ জন আমাদের মেধাবী সন্তান শাহাদাত বরণ করেছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় হাজার হাজার ছেলে মেয়েরা শহীদ হয়েছে। আমরা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। হেলায় হেলায় কেউ এসে রাজত্ব করবে আর আমরা বসে থাকব তা হতে পারে না।

তিনি জামায়াতে ইসলামী এবং জোটের অন্য শরিকদের উদ্দেশে বলেন, এখন আমরা ১১ দলীয় নির্বাচনী সমঝোতায় আছি। এটাকে শক্তিশালী করতে হলে নতুন নাম ও নতুন প্রতীক প্রয়োজন। ভিন্ন নামে একটি প্ল্যাটফর্মে সবাইকে এক ছাতার নিচে আসতে হবে। এতে ঐক্য আরও সুদৃঢ় হবে।

অলি আহমদ বলেন, আমাদের ছাতা মার্কা নয়, জামায়াতের দাড়িপাল্লা মার্কাও নয় কিংবা শাপলা কলিও নয়, নতুন একটি প্রতীক নিয়ে এগোতে হবে। এতে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন শক্ত হবে এবং ভুল বোঝাবুঝি দূর হবে।

চট্টগ্রাম ১৪ আসনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ওমর ফারুককে ভোট দিয়েছে। সেই ভোট প্রশাসন হাইজ্যাক করে তাঁকে হারিয়ে দেয়া হয়েছে। এটা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ন্যাক্কারজনক অধ্যায়।

শেষে তিনি বলেন, আমাদের প্রার্থীরা হারে নাই, জনগণ আমাদের ভোট দিয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

নতুন জোট ও নতুন প্রতীকের প্রস্তাব অলি আহমদের

আপডেট সময় ০৫:২৫:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এবারের নির্বাচনে বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ এর এলডিপি। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে যোগ দিয়ে সাতটি আসন পেলেও কোনো আসনেই জয় পায়নি দলটি। এমনকি নিজের এলাকা চট্টগ্রাম ১৪ (চন্দনাইশ) আসনেও বিএনপি প্রার্থী জসিম উদ্দিনের কাছে হেরেছেন তাঁর ছেলে ওমর ফারুক।

নির্বাচন পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, আমাদেরকে ধোঁকা দেওয়া হয়েছে নির্বাচনের নামে। সমগ্র জাতিকে বোকা বানানো হয়েছে। কারণ তারা দিনের বেলায়ও ভোট ডাকাতি করেছে, রাতের বেলায়ও করেছে। সাড়ে চারটা থেকে ছটার মধ্যে যারা বেশি ভোট পেয়েছে তাদের ভোট ডাবল সিল মেরে বাতিল করা হয়েছে। কোথাও ভোট কম পড়লে নতুন করে সিল মেরে বাক্সে ঢোকানো হয়েছে। এতে অনেক প্রিসাইডিং কর্মকর্তা সরাসরি জড়িত। তিনি বলেন, এই কাজ দেশদ্রোহিতার শামিল।

অলি আহমদ আরও বলেন, (জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে) ১৪০০ জন আমাদের মেধাবী সন্তান শাহাদাত বরণ করেছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় হাজার হাজার ছেলে মেয়েরা শহীদ হয়েছে। আমরা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। হেলায় হেলায় কেউ এসে রাজত্ব করবে আর আমরা বসে থাকব তা হতে পারে না।

তিনি জামায়াতে ইসলামী এবং জোটের অন্য শরিকদের উদ্দেশে বলেন, এখন আমরা ১১ দলীয় নির্বাচনী সমঝোতায় আছি। এটাকে শক্তিশালী করতে হলে নতুন নাম ও নতুন প্রতীক প্রয়োজন। ভিন্ন নামে একটি প্ল্যাটফর্মে সবাইকে এক ছাতার নিচে আসতে হবে। এতে ঐক্য আরও সুদৃঢ় হবে।

অলি আহমদ বলেন, আমাদের ছাতা মার্কা নয়, জামায়াতের দাড়িপাল্লা মার্কাও নয় কিংবা শাপলা কলিও নয়, নতুন একটি প্রতীক নিয়ে এগোতে হবে। এতে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন শক্ত হবে এবং ভুল বোঝাবুঝি দূর হবে।

চট্টগ্রাম ১৪ আসনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ওমর ফারুককে ভোট দিয়েছে। সেই ভোট প্রশাসন হাইজ্যাক করে তাঁকে হারিয়ে দেয়া হয়েছে। এটা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ন্যাক্কারজনক অধ্যায়।

শেষে তিনি বলেন, আমাদের প্রার্থীরা হারে নাই, জনগণ আমাদের ভোট দিয়েছে।