ঢাকা ০৫:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাকিস্তানকে গুঁড়িয়ে ফাইনালে বাংলাদেশের নারীরা বিশ্বকাপ বিতর্কে আসিফ নজরুলকে মিথ্যাবাদী বললেন সালাউদ্দিন নকলের মতোই মাদক-সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংমুক্ত দেশ গড়ার ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী একুশে ফেব্রুয়ারি ঘিরে নিরাপত্তা শঙ্কা নেই: ডিএমপি কমিশনার গাইবান্ধায় ডাকাত সন্দেহে দুজনকে পিটিয়ে হত্যা রপ্তানিতে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি বড় চ্যালেঞ্জ, বৈচিত্র্য আনার বিকল্প নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী নিজ নির্বাচনি এলাকায় চাঁদাবাজি বন্ধে হটলাইন চালু পরিবেশমন্ত্রীর তারেক রহমানকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিঠি, অংশীদারিত্ব জোরদারে প্রতিশ্রুতি ১৭ বছর পর জুতা পরলেন বিএনপি ভক্ত সুরুজ

দেশে করোনায় মৃত্যু এখনো অনেক কম: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করায় এখনো মৃত্যুর সংখ্যা অনেক কম আছে।

শনিবার (২০ জুন) বিকেল পৌনে ৪টায় ৫০ শয্যা বিশিষ্ট জয়নুল হক সিকদার উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালকে ‘কোভিড-১৯ হাসপাতাল’ হিসেবে অনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত হয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারিভাবে আমাদের হাসপাতালগুলো কোভিড রোগীদের জন্য প্রস্তুত করেছি। প্রতিটি হাসপাতাল এখন করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছে। আমরা আরও আনন্দিত প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালগুলো এগিয়ে এসেছে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিতে। আমরা আরও খুশি হলাম, সিকদার গ্রুপের সিকদার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালটি আজকে করোনা চিকিৎসায় যুক্ত হলো।

তিনি বলেন, এ হাসপাতালে কোভিভ, নন-কোভিড রোগীরা যেন ভালো চিকিৎসা পায় সেটা খেয়াল রাখতে হবে। পাশাপাশি রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীরা যেন পর্যাপ্ত সুরক্ষা সামগ্রী পায়। তারা যদি আক্রান্ত হয়ে যায় তাহলে কারা চিকিৎসা দেবে সেটাও খেয়াল রাখতে হবে।

জয়নুল হক সিকদার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালকে করোনা হাসপাতাল হিসেবে উদ্বোধন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এখানে ক্রিটিক্যাল রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। আইসিইউ, ভালো, অক্সিজেনের ব্যবস্থা নিশ্চয়ই থাকবে। যারা এখানে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেবে তারা যাতে সঠিক চিকিৎসা পায়। চিকিৎসা ব্যয় যেন তাদের সাধ্যের মধ্যে থাকে। তারা যেন চিকিৎসা নেওয়ার মতো অবস্থায় থাকে।

তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে যে সহযোগিতা লাগে অবশ্যই আমরা সেটা করব। আমরা অবশ্যই আছি। আশা করি সবাই মিলে কাজ করলে করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হব। আমরা করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমিয়ে শূন্যের কোঠায় নিয়ে আসতে পারবো।

তিনি বলেন, পৃথিবীর প্রায় থেমে গেছে। মানুষ কাজ করতে পারছে না। মানুষ বাড়ি যেতে পারছে না। কর্মস্থলে যেতে অসুবিধা হচ্ছে। স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। মানুষ মানুষকে দেখে ভয় পাই। এই পরিস্থিতি থেকে আমরা তাড়াতাড়ি বের হয়ে আসবো। আমরা প্রতিনিয়ত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করি। তিনি নির্দেশনা দেন একটি লোকও যেন স্বাস্থ্য সেবার বাইরে না থাকে। আজকে আরও একটি বেসরকারি হাসপাতাল যুক্ত হয় আমাদের শক্তি বৃদ্ধি পেল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

পাকিস্তানকে গুঁড়িয়ে ফাইনালে বাংলাদেশের নারীরা

দেশে করোনায় মৃত্যু এখনো অনেক কম: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৫২:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করায় এখনো মৃত্যুর সংখ্যা অনেক কম আছে।

শনিবার (২০ জুন) বিকেল পৌনে ৪টায় ৫০ শয্যা বিশিষ্ট জয়নুল হক সিকদার উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালকে ‘কোভিড-১৯ হাসপাতাল’ হিসেবে অনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত হয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারিভাবে আমাদের হাসপাতালগুলো কোভিড রোগীদের জন্য প্রস্তুত করেছি। প্রতিটি হাসপাতাল এখন করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছে। আমরা আরও আনন্দিত প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালগুলো এগিয়ে এসেছে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিতে। আমরা আরও খুশি হলাম, সিকদার গ্রুপের সিকদার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালটি আজকে করোনা চিকিৎসায় যুক্ত হলো।

তিনি বলেন, এ হাসপাতালে কোভিভ, নন-কোভিড রোগীরা যেন ভালো চিকিৎসা পায় সেটা খেয়াল রাখতে হবে। পাশাপাশি রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীরা যেন পর্যাপ্ত সুরক্ষা সামগ্রী পায়। তারা যদি আক্রান্ত হয়ে যায় তাহলে কারা চিকিৎসা দেবে সেটাও খেয়াল রাখতে হবে।

জয়নুল হক সিকদার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালকে করোনা হাসপাতাল হিসেবে উদ্বোধন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এখানে ক্রিটিক্যাল রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। আইসিইউ, ভালো, অক্সিজেনের ব্যবস্থা নিশ্চয়ই থাকবে। যারা এখানে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেবে তারা যাতে সঠিক চিকিৎসা পায়। চিকিৎসা ব্যয় যেন তাদের সাধ্যের মধ্যে থাকে। তারা যেন চিকিৎসা নেওয়ার মতো অবস্থায় থাকে।

তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে যে সহযোগিতা লাগে অবশ্যই আমরা সেটা করব। আমরা অবশ্যই আছি। আশা করি সবাই মিলে কাজ করলে করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হব। আমরা করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমিয়ে শূন্যের কোঠায় নিয়ে আসতে পারবো।

তিনি বলেন, পৃথিবীর প্রায় থেমে গেছে। মানুষ কাজ করতে পারছে না। মানুষ বাড়ি যেতে পারছে না। কর্মস্থলে যেতে অসুবিধা হচ্ছে। স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। মানুষ মানুষকে দেখে ভয় পাই। এই পরিস্থিতি থেকে আমরা তাড়াতাড়ি বের হয়ে আসবো। আমরা প্রতিনিয়ত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করি। তিনি নির্দেশনা দেন একটি লোকও যেন স্বাস্থ্য সেবার বাইরে না থাকে। আজকে আরও একটি বেসরকারি হাসপাতাল যুক্ত হয় আমাদের শক্তি বৃদ্ধি পেল।