ঢাকা ০১:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ঐতিহাসিক রাজনৈতিক সম্মেলনের উদ্বোধন করলেন কিম জং উন

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন দল এক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক সম্মেলন বা কংগ্রেস শুরু করেছে। প্রতি পাঁচ বছর অন্তর এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

শুক্রবার দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। এই জাঁকজমকপূর্ণ সম্মেলন থেকেই দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির পরবর্তী ধাপের ঘোষণা আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দলীয় এই সম্মেলনের শুরুতে মূল ভাষণ দেন শীর্ষ নেতা কিম জং উন। উত্তর কোরিয়ার ওয়ার্কার্স পার্টির এই সম্মেলন থেকেই আবাসন নির্মাণ থেকে শুরু করে যুদ্ধ পরিকল্পনা-সব বিষয়ে রাষ্ট্রীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

পিয়ং ইয়ংয়ের বিশাল ‘হাউস অব কালচার’-এ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা। প্রতি পাঁচ বছর অন্তর এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত বর্ণাঢ্য সামরিক কুচকাওয়াজ এবং সর্বাধুনিক অস্ত্রের প্রদর্শনী দিয়ে এই আয়োজন শেষ হয়।

পুরো বিশ্ব উত্তর কোরিয়ার এই সম্মেলনের দিকে গভীর নজর রাখছে। কারণ অত্যন্ত গোপনীয়তার চাদরে ঢাকা এই দেশটির অভ্যন্তরীণ কর্মপদ্ধতি এবং কিম জং উনের দীর্ঘমেয়াদি ভাবনা সম্পর্কে জানার এটিই একমাত্র সুযোগ।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী বৃহস্পতিবার কিম বলেন, ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ সম্মেলনের পর উত্তর কোরিয়া তার ‘সবচেয়ে কঠিন সময়’ পার করে এসেছে। দেশটি এখন ভবিষ্যৎ নিয়ে ‘আশা ও আত্মবিশ্বাসের’ এক নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আজ আমাদের দল অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনগণের জীবনযাত্রার মান বাড়ানোর এক জরুরি ঐতিহাসিক কর্তব্যের মুখোমুখি। আমাদের লক্ষ্য হলো রাষ্ট্র ও সামাজিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রকে যত দ্রুত সম্ভব বদলে দেওয়া।’

কিম জং উন আগেই ঘোষণা করেছেন যে, এবারের সম্মেলন থেকে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক সক্ষমতা বাড়ানোর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হবে।

উল্লেখ্য, আট বছরেরও বেশি সময় আগে উত্তর কোরিয়া সর্বশেষ পারমাণবিক পরীক্ষা চালিয়েছিল। এরপর থেকে দেশটির বিজ্ঞানীরা দূরপাল্লার মিসাইলে বহনযোগ্য শক্তিশালী ও ছোট পারমাণবিক ওয়ারহেড তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

উত্তর কোরিয়ান স্টাডিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন সভাপতি ইয়াং মু-জিন এএফপিকে জানান, পারমাণবিক কর্মসূচির কারণে বছরের পর বছর ধরে পশ্চিমা দেশগুলোর কঠোর নিষেধাজ্ঞার কবলে রয়েছে উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতি। তা সত্ত্বেও কিম জং উন পারমাণবিক অগ্রগতি এবং চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে মজবুত সম্পর্কের বিষয়টি সম্মেলনে গর্বের সঙ্গে তুলে ধরতে পারেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ঐতিহাসিক রাজনৈতিক সম্মেলনের উদ্বোধন করলেন কিম জং উন

আপডেট সময় ১২:০৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন দল এক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক সম্মেলন বা কংগ্রেস শুরু করেছে। প্রতি পাঁচ বছর অন্তর এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

শুক্রবার দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। এই জাঁকজমকপূর্ণ সম্মেলন থেকেই দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির পরবর্তী ধাপের ঘোষণা আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দলীয় এই সম্মেলনের শুরুতে মূল ভাষণ দেন শীর্ষ নেতা কিম জং উন। উত্তর কোরিয়ার ওয়ার্কার্স পার্টির এই সম্মেলন থেকেই আবাসন নির্মাণ থেকে শুরু করে যুদ্ধ পরিকল্পনা-সব বিষয়ে রাষ্ট্রীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

পিয়ং ইয়ংয়ের বিশাল ‘হাউস অব কালচার’-এ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা। প্রতি পাঁচ বছর অন্তর এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত বর্ণাঢ্য সামরিক কুচকাওয়াজ এবং সর্বাধুনিক অস্ত্রের প্রদর্শনী দিয়ে এই আয়োজন শেষ হয়।

পুরো বিশ্ব উত্তর কোরিয়ার এই সম্মেলনের দিকে গভীর নজর রাখছে। কারণ অত্যন্ত গোপনীয়তার চাদরে ঢাকা এই দেশটির অভ্যন্তরীণ কর্মপদ্ধতি এবং কিম জং উনের দীর্ঘমেয়াদি ভাবনা সম্পর্কে জানার এটিই একমাত্র সুযোগ।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী বৃহস্পতিবার কিম বলেন, ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ সম্মেলনের পর উত্তর কোরিয়া তার ‘সবচেয়ে কঠিন সময়’ পার করে এসেছে। দেশটি এখন ভবিষ্যৎ নিয়ে ‘আশা ও আত্মবিশ্বাসের’ এক নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আজ আমাদের দল অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনগণের জীবনযাত্রার মান বাড়ানোর এক জরুরি ঐতিহাসিক কর্তব্যের মুখোমুখি। আমাদের লক্ষ্য হলো রাষ্ট্র ও সামাজিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রকে যত দ্রুত সম্ভব বদলে দেওয়া।’

কিম জং উন আগেই ঘোষণা করেছেন যে, এবারের সম্মেলন থেকে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক সক্ষমতা বাড়ানোর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হবে।

উল্লেখ্য, আট বছরেরও বেশি সময় আগে উত্তর কোরিয়া সর্বশেষ পারমাণবিক পরীক্ষা চালিয়েছিল। এরপর থেকে দেশটির বিজ্ঞানীরা দূরপাল্লার মিসাইলে বহনযোগ্য শক্তিশালী ও ছোট পারমাণবিক ওয়ারহেড তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

উত্তর কোরিয়ান স্টাডিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন সভাপতি ইয়াং মু-জিন এএফপিকে জানান, পারমাণবিক কর্মসূচির কারণে বছরের পর বছর ধরে পশ্চিমা দেশগুলোর কঠোর নিষেধাজ্ঞার কবলে রয়েছে উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতি। তা সত্ত্বেও কিম জং উন পারমাণবিক অগ্রগতি এবং চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে মজবুত সম্পর্কের বিষয়টি সম্মেলনে গর্বের সঙ্গে তুলে ধরতে পারেন।