ঢাকা ০১:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী একুশে ফেব্রুয়ারি ঘিরে নিরাপত্তা শঙ্কা নেই: ডিএমপি কমিশনার গাইবান্ধায় ডাকাত সন্দেহে দুজনকে পিটিয়ে হত্যা রপ্তানিতে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি বড় চ্যালেঞ্জ, বৈচিত্র্য আনার বিকল্প নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী নিজ নির্বাচনি এলাকায় চাঁদাবাজি বন্ধে হটলাইন চালু পরিবেশমন্ত্রীর তারেক রহমানকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিঠি, অংশীদারিত্ব জোরদারে প্রতিশ্রুতি ১৭ বছর পর জুতা পরলেন বিএনপি ভক্ত সুরুজ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ইফতার-সেহরির ব্যবস্থা করলেন জাইমা রহমান ‘গ্রিন সিগন্যাল’ ছাড়া আ.লীগ কার্যালয় খোলার সাহস পেত না: নাহিদ ইসলাম রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনার কবলে ফুটবলার ওজিলের গাড়িবহর

রপ্তানিতে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি বড় চ্যালেঞ্জ, বৈচিত্র্য আনার বিকল্প নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বাংলাদেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি টানা কয়েক মাস ধরে ঋণাত্মক থাকাকে অর্থনীতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, একটি মাত্র পণ্যের ওপর অতি নির্ভরশীলতা থেকে বেরিয়ে এসে রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনার এখনই সময়।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে দুই দিনের সরকারি সফরে সিলেটে পৌঁছে তিনি এসব কথা বলেন।

সরকারি দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তার প্রথম সিলেট সফর। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে স্থানীয় নেতাকর্মীরা তাঁকে ফুল দিয়ে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান।

দেশের অর্থনীতি ও রপ্তানি পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, দেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮৫ শতাংশই একটি মাত্র পণ্যের ওপর নির্ভরশীল, যা অর্থনীতির জন্য একটি ঝুঁকিপূর্ণ বাস্তবতা তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে রপ্তানি বাস্কেট বড় করা, নতুন পণ্য অন্তর্ভুক্ত করা এবং বৈচিত্র্য আনা এখন সময়ের দাবি।

তিনি আরও বলেন, রপ্তানি প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং এর পরিসর বাড়াতে হলে ডাইভারসিফিকেশন বা বৈচিত্র্য আনার কোনো বিকল্প নেই। আগামী দিনে এ বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য ও চ্যালেঞ্জ। সিলেটের স্থানীয় উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তিনি বিনিয়োগের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “সিলেটে কর্মসংস্থান তৈরি করতে হলে বিনিয়োগ লাগবে। বিনিয়োগ ছাড়া কর্মসংস্থান সম্ভব নয়।

এই বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে একটি সহায়ক পরিবেশের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি কয়েকটি বিষয়ের ওপর জোর দেন। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, সরকার ইতোমধ্যে এই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ শুরু করেছে। জানা গেছে, দুই দিনের এই সফরকালে তিনি সিলেটের স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেবেন এবং ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা করবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

শুল্কের এক ঘোষণায় থেমে গেল যুদ্ধ, ট্রাম্পের বিস্ফোরক দাবি

রপ্তানিতে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি বড় চ্যালেঞ্জ, বৈচিত্র্য আনার বিকল্প নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:২০:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বাংলাদেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি টানা কয়েক মাস ধরে ঋণাত্মক থাকাকে অর্থনীতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, একটি মাত্র পণ্যের ওপর অতি নির্ভরশীলতা থেকে বেরিয়ে এসে রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনার এখনই সময়।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে দুই দিনের সরকারি সফরে সিলেটে পৌঁছে তিনি এসব কথা বলেন।

সরকারি দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তার প্রথম সিলেট সফর। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে স্থানীয় নেতাকর্মীরা তাঁকে ফুল দিয়ে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান।

দেশের অর্থনীতি ও রপ্তানি পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, দেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮৫ শতাংশই একটি মাত্র পণ্যের ওপর নির্ভরশীল, যা অর্থনীতির জন্য একটি ঝুঁকিপূর্ণ বাস্তবতা তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে রপ্তানি বাস্কেট বড় করা, নতুন পণ্য অন্তর্ভুক্ত করা এবং বৈচিত্র্য আনা এখন সময়ের দাবি।

তিনি আরও বলেন, রপ্তানি প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং এর পরিসর বাড়াতে হলে ডাইভারসিফিকেশন বা বৈচিত্র্য আনার কোনো বিকল্প নেই। আগামী দিনে এ বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য ও চ্যালেঞ্জ। সিলেটের স্থানীয় উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তিনি বিনিয়োগের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “সিলেটে কর্মসংস্থান তৈরি করতে হলে বিনিয়োগ লাগবে। বিনিয়োগ ছাড়া কর্মসংস্থান সম্ভব নয়।

এই বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে একটি সহায়ক পরিবেশের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি কয়েকটি বিষয়ের ওপর জোর দেন। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, সরকার ইতোমধ্যে এই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ শুরু করেছে। জানা গেছে, দুই দিনের এই সফরকালে তিনি সিলেটের স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেবেন এবং ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা করবেন।