ঢাকা ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রপ্তানিতে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি বড় চ্যালেঞ্জ, বৈচিত্র্য আনার বিকল্প নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বাংলাদেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি টানা কয়েক মাস ধরে ঋণাত্মক থাকাকে অর্থনীতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, একটি মাত্র পণ্যের ওপর অতি নির্ভরশীলতা থেকে বেরিয়ে এসে রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনার এখনই সময়।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে দুই দিনের সরকারি সফরে সিলেটে পৌঁছে তিনি এসব কথা বলেন।

সরকারি দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তার প্রথম সিলেট সফর। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে স্থানীয় নেতাকর্মীরা তাঁকে ফুল দিয়ে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান।

দেশের অর্থনীতি ও রপ্তানি পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, দেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮৫ শতাংশই একটি মাত্র পণ্যের ওপর নির্ভরশীল, যা অর্থনীতির জন্য একটি ঝুঁকিপূর্ণ বাস্তবতা তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে রপ্তানি বাস্কেট বড় করা, নতুন পণ্য অন্তর্ভুক্ত করা এবং বৈচিত্র্য আনা এখন সময়ের দাবি।

তিনি আরও বলেন, রপ্তানি প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং এর পরিসর বাড়াতে হলে ডাইভারসিফিকেশন বা বৈচিত্র্য আনার কোনো বিকল্প নেই। আগামী দিনে এ বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য ও চ্যালেঞ্জ। সিলেটের স্থানীয় উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তিনি বিনিয়োগের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “সিলেটে কর্মসংস্থান তৈরি করতে হলে বিনিয়োগ লাগবে। বিনিয়োগ ছাড়া কর্মসংস্থান সম্ভব নয়।

এই বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে একটি সহায়ক পরিবেশের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি কয়েকটি বিষয়ের ওপর জোর দেন। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, সরকার ইতোমধ্যে এই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ শুরু করেছে। জানা গেছে, দুই দিনের এই সফরকালে তিনি সিলেটের স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেবেন এবং ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা করবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

রপ্তানিতে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি বড় চ্যালেঞ্জ, বৈচিত্র্য আনার বিকল্প নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:২০:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বাংলাদেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি টানা কয়েক মাস ধরে ঋণাত্মক থাকাকে অর্থনীতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, একটি মাত্র পণ্যের ওপর অতি নির্ভরশীলতা থেকে বেরিয়ে এসে রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনার এখনই সময়।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে দুই দিনের সরকারি সফরে সিলেটে পৌঁছে তিনি এসব কথা বলেন।

সরকারি দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তার প্রথম সিলেট সফর। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে স্থানীয় নেতাকর্মীরা তাঁকে ফুল দিয়ে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান।

দেশের অর্থনীতি ও রপ্তানি পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, দেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮৫ শতাংশই একটি মাত্র পণ্যের ওপর নির্ভরশীল, যা অর্থনীতির জন্য একটি ঝুঁকিপূর্ণ বাস্তবতা তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে রপ্তানি বাস্কেট বড় করা, নতুন পণ্য অন্তর্ভুক্ত করা এবং বৈচিত্র্য আনা এখন সময়ের দাবি।

তিনি আরও বলেন, রপ্তানি প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং এর পরিসর বাড়াতে হলে ডাইভারসিফিকেশন বা বৈচিত্র্য আনার কোনো বিকল্প নেই। আগামী দিনে এ বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য ও চ্যালেঞ্জ। সিলেটের স্থানীয় উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তিনি বিনিয়োগের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “সিলেটে কর্মসংস্থান তৈরি করতে হলে বিনিয়োগ লাগবে। বিনিয়োগ ছাড়া কর্মসংস্থান সম্ভব নয়।

এই বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে একটি সহায়ক পরিবেশের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি কয়েকটি বিষয়ের ওপর জোর দেন। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, সরকার ইতোমধ্যে এই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ শুরু করেছে। জানা গেছে, দুই দিনের এই সফরকালে তিনি সিলেটের স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেবেন এবং ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা করবেন।