আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
এমপি সাহেব আমার husband এই কথাটা যদি কারো কাছে অবিশ্বাস্য মনে হয় তাঁরা বিয়ের কাগজ দেখতে পারেন। এমপি সাহেবের রক্ষিতা বা প্রেমিকা নই দ্বিতীয় বউ আমি।
অনেকেই মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছেন ফেসবুকে তাদের উদ্দেশ্যে বলতেসি মৃত্যুর ভয়ে সত্যি আড়াল করবো না আট বছর সংসার করেছি আজ ছবি দিয়েছি।
রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের এমপি এনামুল হকের দ্বিতীয় স্ত্রী পরিচয়ধারী লিজা আক্তার আয়েশা নামের এক নারী আজ সোমবার তাঁর ফেসবুকে এ পোস্টটি করেন। পাঠকের জ্ঞাতার্থে এই নারীর কয়েকটি ফেসবুকে পোস্ট হুবহু দেওয়া হলো।

– মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি তাঁর কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি,আমি আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে কোন প্রচারণা করার উদ্দেশ্যে কিছু করছি না আমি আওয়ামীলীগকে মনে প্রাণে ভালোবাসি সেই জন্যই মাননীয় সংসদ সদস্য কে বিয়ে করেছি এবং আমি মনে করি তাকে বিয়ে করে আমিও এই আওয়ামীলীগের একটা অংশ হয়েছি,আমি এই দলকে মনে প্রাণে ভালোবাসি, আমি জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ভালোবাসি আমি দলের বিপক্ষে যেতে পারি না দলের ক্ষতি হবে এমন কোন কাজ আমি কখনোই করতে পারি না।। আমি বাংলা দেশের নাগরিক জন নেত্রী আমার মা আমি একটা সাধারণ মেয়ে হিসেবে আমি কি সুবিচারের আশা করতে পারি না??আমি আমার সংসার চাই আমি আমার অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে জয়ী হতে চাই কোন কুচক্রী মহল আমাকে এইগুলো লিখতে বলে নাই আমি আমার নিজের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে নেমেছি।।সাংবাদিক ভাইদের কাছে অনুরোধ করছি আপনারা এইটাকে দলের বিপক্ষে নিউজ ভাববেন না এবং অপপ্রচার মনে করবেন না।।প্রয়োজনে আমি জন নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাবো এবং আমার সাথে হওয়া অন্যায়ের বিচার চাইবো।।।আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনগণের পাশে সবসময়ই আছেন এবং থাকবেন আমি এইটা বিশ্বাস করি,,মহান নেত্রী একজন ভিক্ষুককে বুকে জড়িয়ে নিয়ে ছিলেন উনি আমার জন্যেও সুবিচারের ব্যবস্থা করবেন ইনশা আল্লাহ্।’
-এমপি সাহেব আমাকে বিয়ে করেছেন কিন্তু আমাকে কখনোই বউ বলে জনগণের সামনে স্বীকৃতি দেন নাই সবসময়ই আমাকে আড়ালে লুকিয়ে রেখেছেন আমি যখন আমার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ছবি সহ ফেসবুকে এসেছি এমপি সাহেব তখন আমার সাংবাদিক ভাইদের বলেছেন উনি আমাকে 24 এপ্রিল ডিভোর্স করেছেন জনগণের কাছে আমার প্রশ্ন লকডাউন চলাকালীন অবস্থাই সকল কাজি অফিস এবং আদালত বন্ধ ছিলো এমপি মহোদয় আমাকে অফিস বন্ধ অবস্থাই ডিভোর্স দিলেন কিভাবে আর এই ডিভোর্স লেটার আমি এখনও পাইলাম না কেন???? একজন সংসদ সদস্য যদি এইভাবে মিথ্যা কথা বলেন তাহলে আমরা সাধারণ মানুষ সুবিচার চাইবো কার কাছে?
-এমপি সাহেবের সাথে আমার পরিচয় হয় ২০১২ সালে উনি প্রথম আমাকে ভালোবাসি বলেছিলেন আমিও উনার কথাই মুগ্ধ হয়ে উনার প্রেমে পড়ে ছিলাম।। ৩০/০৪/২০১৩ সালে পারিবারিক ভাবেই আমাদের বিয়ে হয় উনার বাগমাড়ার নীজ বাসভবনে কিন্তু বিয়ের সময় উনি বলেছিলেন এখন আমাদের বিয়েটা রেজেস্ট্রি করা যাবে না কারণ তাঁর নমিনেশন পাইতে সমস্যা হতে পারে আমার বিয়ের ভিডিও এবং ছবি আমার কাছে আছে কিন্তু রেজেস্ট্রি তখন করা হয়েছিলো না আমি উনার কথা বিশ্বাস করে উনার কথা মেনে নিয়ে এতো বছর সংসার করেছি।।বিয়ের দুই বছর পর 2015 সালে আমি বেবী কনসিভ করি উনি আমাকে বলে নির্বাচনের আগে উনি বাচ্চা নিতে পারবেন না নির্বাচনের পর নিবেন আমি সেইটাও মেনে নিয়ে এমপি সাহেবের ভালো হবে এই চিন্তা করে বাচ্চা নষ্ট করি তারপর এমপি সাহেব আমাকে বললেন তাঁর নমিনেশন পাইতে আর কোন সমস্যা হবে না আমরা এখন আমাদের বিয়ে রেজেস্ট্রি করতে পারবো তখন ১১/০৫/২০১৮ সালে আমারা পুনরায় বিয়ে করে আমাদের বিয়ে রেজেস্ট্রি করি সেই কাগজ আমি আপনাদের দিয়েছি।।আমার জীবনের আট বছর ২০১২ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত আমি এমপি সাহেবের সাথে কাটিয়েছি তাঁর সাথে সংসার করেছি।। এমপি সাহেব আমাকে বলেছিলেন নির্বাচনের পর উনি আমাকে স্বীকৃতি দিবেন বাচ্চা দিবেন আমি সেই অপেক্ষায় এতোগুলো বছর নীরব ছিলাম।।এখন আমি সুবিচারের আশায় নিজেকে জনগণের সামনে প্রকাশ করেছি।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 























