ঢাকা ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ভয়াবহ আগুন থেকে ৪০ জনকে বাঁচালেন ক্রিকেটার

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

ক্রিকেট খেলেছেন বটে! তবে ততটা নাম করতে পারেননি। কিন্তু এবার যেটা করলেন তাতে তিনি সত্যিকারের নায়ক হয়ে গেলেন। ৪০ জন মানুষকে ভয়াবহ আগুন থেকে বাঁচালেন ভারতের রঞ্জি খেলা ক্রিকেটার আকিব শেখ। তিনি মুম্বাইয়ের রঞ্জি দলে জায়গায় পেয়েছিলেন।

কিন্তু আহামরী পারফরম্যান্স করতে পারেননি। ২৫ ওভার বল করে একটিও উইকেট তুলতে পারেননি এই পেসার। তারপর আর তাঁর প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট খেলা হয়নি। হাজার চেষ্টা করেছেন ফিরে আসার। কিন্তু ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে থাকেন বিস্মৃতির আড়ালে। এবার অবশ্য তিনি যা করলেন তাতে গোটা ভারতে তাঁর নাম ছড়িয়ে পড়ল।

মুম্বাইয়ের পশ্চিম কল্যাণ এলাকার একটি বহুতলে আগুন লেগেছিল। আটতলা বিল্ডিংয়ে আটকে পড়েছিলেন ৪০ জন মানুষ। আবাসনের প্রতিটি বাসিন্দাকে উদ্ধার করেন আকিব ও তাঁর দুই বন্ধু আদনান খান ও দানিশ খান। একটি কাঠের মই দিয়ে বিল্ডিংয়ে উঠে বাসিন্দাদের উদ্ধার করেন তাঁরা। নিজেদের জীবন বাজি রেখে ৪০ জন মানুষকে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেন। যে বিল্ডিংয়ে আগুন লেগেছিল সেটির নাম চার্ম স্টার। ছতলায় আগুনের ভয়াবহতা ছিল বেশি। তাই ছতলাতেই ৪০ জন আটকে পড়েছিলেন। আকিব ও তাঁর দুই বন্ধু মিলে ছয়তলা থেকে সবাইকে উদ্ধার করেন। আকিব নিজেও চার্ম স্টার বিল্ডিংয়ের ছয় তলায় থাকেন। তিনি দুঃসময়ে নিজের ফ্লোরের কাউকে ফেলে পালাননি।

কাঠের মইয়ের সাহায্যে পাশের বিল্ডিংয়ের ছাদে নিয়ে যাওয়া হয় ৪০ জন বাসিন্দাকে। ২৯ বছর বয়সী আকিব বলেছেন, ‘লোড শেডিং ছিল সারাদিন। সন্ধ্যার দিকে কারেন্ট এলে আমি মোবাইল চার্জ দিতে যাই। তখন দেখি মা চিৎকার করছে। আগুনের ধোঁয়ায় চারিদিকে কিছু দেখা যাচ্ছিল না। তার পর বন্ধুদের ফোন করি। ওরা প্রায় সঙ্গে সঙ্গে চলে আসে। আমরা সবাইকে উদ্ধার করতে পেরেছি। বড় কোনও বিপদ ঘটেনি। আমার মা, স্ত্রী সেই সময় ঘরেই ছিল। ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয় হচ্ছিল।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ভয়াবহ আগুন থেকে ৪০ জনকে বাঁচালেন ক্রিকেটার

আপডেট সময় ০৯:০১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

ক্রিকেট খেলেছেন বটে! তবে ততটা নাম করতে পারেননি। কিন্তু এবার যেটা করলেন তাতে তিনি সত্যিকারের নায়ক হয়ে গেলেন। ৪০ জন মানুষকে ভয়াবহ আগুন থেকে বাঁচালেন ভারতের রঞ্জি খেলা ক্রিকেটার আকিব শেখ। তিনি মুম্বাইয়ের রঞ্জি দলে জায়গায় পেয়েছিলেন।

কিন্তু আহামরী পারফরম্যান্স করতে পারেননি। ২৫ ওভার বল করে একটিও উইকেট তুলতে পারেননি এই পেসার। তারপর আর তাঁর প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট খেলা হয়নি। হাজার চেষ্টা করেছেন ফিরে আসার। কিন্তু ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে থাকেন বিস্মৃতির আড়ালে। এবার অবশ্য তিনি যা করলেন তাতে গোটা ভারতে তাঁর নাম ছড়িয়ে পড়ল।

মুম্বাইয়ের পশ্চিম কল্যাণ এলাকার একটি বহুতলে আগুন লেগেছিল। আটতলা বিল্ডিংয়ে আটকে পড়েছিলেন ৪০ জন মানুষ। আবাসনের প্রতিটি বাসিন্দাকে উদ্ধার করেন আকিব ও তাঁর দুই বন্ধু আদনান খান ও দানিশ খান। একটি কাঠের মই দিয়ে বিল্ডিংয়ে উঠে বাসিন্দাদের উদ্ধার করেন তাঁরা। নিজেদের জীবন বাজি রেখে ৪০ জন মানুষকে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেন। যে বিল্ডিংয়ে আগুন লেগেছিল সেটির নাম চার্ম স্টার। ছতলায় আগুনের ভয়াবহতা ছিল বেশি। তাই ছতলাতেই ৪০ জন আটকে পড়েছিলেন। আকিব ও তাঁর দুই বন্ধু মিলে ছয়তলা থেকে সবাইকে উদ্ধার করেন। আকিব নিজেও চার্ম স্টার বিল্ডিংয়ের ছয় তলায় থাকেন। তিনি দুঃসময়ে নিজের ফ্লোরের কাউকে ফেলে পালাননি।

কাঠের মইয়ের সাহায্যে পাশের বিল্ডিংয়ের ছাদে নিয়ে যাওয়া হয় ৪০ জন বাসিন্দাকে। ২৯ বছর বয়সী আকিব বলেছেন, ‘লোড শেডিং ছিল সারাদিন। সন্ধ্যার দিকে কারেন্ট এলে আমি মোবাইল চার্জ দিতে যাই। তখন দেখি মা চিৎকার করছে। আগুনের ধোঁয়ায় চারিদিকে কিছু দেখা যাচ্ছিল না। তার পর বন্ধুদের ফোন করি। ওরা প্রায় সঙ্গে সঙ্গে চলে আসে। আমরা সবাইকে উদ্ধার করতে পেরেছি। বড় কোনও বিপদ ঘটেনি। আমার মা, স্ত্রী সেই সময় ঘরেই ছিল। ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয় হচ্ছিল।’