ঢাকা ১১:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা আমেরিকা অপমানিত, ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: জার্মানি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চায় না শিক্ষার্থীরা : হুইপ বকুল

ভয়াবহ আগুন থেকে ৪০ জনকে বাঁচালেন ক্রিকেটার

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

ক্রিকেট খেলেছেন বটে! তবে ততটা নাম করতে পারেননি। কিন্তু এবার যেটা করলেন তাতে তিনি সত্যিকারের নায়ক হয়ে গেলেন। ৪০ জন মানুষকে ভয়াবহ আগুন থেকে বাঁচালেন ভারতের রঞ্জি খেলা ক্রিকেটার আকিব শেখ। তিনি মুম্বাইয়ের রঞ্জি দলে জায়গায় পেয়েছিলেন।

কিন্তু আহামরী পারফরম্যান্স করতে পারেননি। ২৫ ওভার বল করে একটিও উইকেট তুলতে পারেননি এই পেসার। তারপর আর তাঁর প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট খেলা হয়নি। হাজার চেষ্টা করেছেন ফিরে আসার। কিন্তু ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে থাকেন বিস্মৃতির আড়ালে। এবার অবশ্য তিনি যা করলেন তাতে গোটা ভারতে তাঁর নাম ছড়িয়ে পড়ল।

মুম্বাইয়ের পশ্চিম কল্যাণ এলাকার একটি বহুতলে আগুন লেগেছিল। আটতলা বিল্ডিংয়ে আটকে পড়েছিলেন ৪০ জন মানুষ। আবাসনের প্রতিটি বাসিন্দাকে উদ্ধার করেন আকিব ও তাঁর দুই বন্ধু আদনান খান ও দানিশ খান। একটি কাঠের মই দিয়ে বিল্ডিংয়ে উঠে বাসিন্দাদের উদ্ধার করেন তাঁরা। নিজেদের জীবন বাজি রেখে ৪০ জন মানুষকে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেন। যে বিল্ডিংয়ে আগুন লেগেছিল সেটির নাম চার্ম স্টার। ছতলায় আগুনের ভয়াবহতা ছিল বেশি। তাই ছতলাতেই ৪০ জন আটকে পড়েছিলেন। আকিব ও তাঁর দুই বন্ধু মিলে ছয়তলা থেকে সবাইকে উদ্ধার করেন। আকিব নিজেও চার্ম স্টার বিল্ডিংয়ের ছয় তলায় থাকেন। তিনি দুঃসময়ে নিজের ফ্লোরের কাউকে ফেলে পালাননি।

কাঠের মইয়ের সাহায্যে পাশের বিল্ডিংয়ের ছাদে নিয়ে যাওয়া হয় ৪০ জন বাসিন্দাকে। ২৯ বছর বয়সী আকিব বলেছেন, ‘লোড শেডিং ছিল সারাদিন। সন্ধ্যার দিকে কারেন্ট এলে আমি মোবাইল চার্জ দিতে যাই। তখন দেখি মা চিৎকার করছে। আগুনের ধোঁয়ায় চারিদিকে কিছু দেখা যাচ্ছিল না। তার পর বন্ধুদের ফোন করি। ওরা প্রায় সঙ্গে সঙ্গে চলে আসে। আমরা সবাইকে উদ্ধার করতে পেরেছি। বড় কোনও বিপদ ঘটেনি। আমার মা, স্ত্রী সেই সময় ঘরেই ছিল। ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয় হচ্ছিল।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন

ভয়াবহ আগুন থেকে ৪০ জনকে বাঁচালেন ক্রিকেটার

আপডেট সময় ০৯:০১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

ক্রিকেট খেলেছেন বটে! তবে ততটা নাম করতে পারেননি। কিন্তু এবার যেটা করলেন তাতে তিনি সত্যিকারের নায়ক হয়ে গেলেন। ৪০ জন মানুষকে ভয়াবহ আগুন থেকে বাঁচালেন ভারতের রঞ্জি খেলা ক্রিকেটার আকিব শেখ। তিনি মুম্বাইয়ের রঞ্জি দলে জায়গায় পেয়েছিলেন।

কিন্তু আহামরী পারফরম্যান্স করতে পারেননি। ২৫ ওভার বল করে একটিও উইকেট তুলতে পারেননি এই পেসার। তারপর আর তাঁর প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট খেলা হয়নি। হাজার চেষ্টা করেছেন ফিরে আসার। কিন্তু ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে থাকেন বিস্মৃতির আড়ালে। এবার অবশ্য তিনি যা করলেন তাতে গোটা ভারতে তাঁর নাম ছড়িয়ে পড়ল।

মুম্বাইয়ের পশ্চিম কল্যাণ এলাকার একটি বহুতলে আগুন লেগেছিল। আটতলা বিল্ডিংয়ে আটকে পড়েছিলেন ৪০ জন মানুষ। আবাসনের প্রতিটি বাসিন্দাকে উদ্ধার করেন আকিব ও তাঁর দুই বন্ধু আদনান খান ও দানিশ খান। একটি কাঠের মই দিয়ে বিল্ডিংয়ে উঠে বাসিন্দাদের উদ্ধার করেন তাঁরা। নিজেদের জীবন বাজি রেখে ৪০ জন মানুষকে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেন। যে বিল্ডিংয়ে আগুন লেগেছিল সেটির নাম চার্ম স্টার। ছতলায় আগুনের ভয়াবহতা ছিল বেশি। তাই ছতলাতেই ৪০ জন আটকে পড়েছিলেন। আকিব ও তাঁর দুই বন্ধু মিলে ছয়তলা থেকে সবাইকে উদ্ধার করেন। আকিব নিজেও চার্ম স্টার বিল্ডিংয়ের ছয় তলায় থাকেন। তিনি দুঃসময়ে নিজের ফ্লোরের কাউকে ফেলে পালাননি।

কাঠের মইয়ের সাহায্যে পাশের বিল্ডিংয়ের ছাদে নিয়ে যাওয়া হয় ৪০ জন বাসিন্দাকে। ২৯ বছর বয়সী আকিব বলেছেন, ‘লোড শেডিং ছিল সারাদিন। সন্ধ্যার দিকে কারেন্ট এলে আমি মোবাইল চার্জ দিতে যাই। তখন দেখি মা চিৎকার করছে। আগুনের ধোঁয়ায় চারিদিকে কিছু দেখা যাচ্ছিল না। তার পর বন্ধুদের ফোন করি। ওরা প্রায় সঙ্গে সঙ্গে চলে আসে। আমরা সবাইকে উদ্ধার করতে পেরেছি। বড় কোনও বিপদ ঘটেনি। আমার মা, স্ত্রী সেই সময় ঘরেই ছিল। ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয় হচ্ছিল।’