ঢাকা ০৭:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন দেশ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কাজ করব : মির্জা আব্বাস ইমান এনে কোনো লাভ নেই, এরা মুনাফিকি করে মানুষকে ভুল বুঝিয়ে ভোট চাচ্ছে: মির্জা ফখরুল বাড়িভাড়া কত বাড়ানো যাবে, কতদিন পর–নির্ধারণ করে দিল ঢাকা উত্তর সিটি ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা ‘ভারতের চাপে আইসিসি কোনো অযৌক্তিক শর্ত চাপিয়ে দিলে মানবো না’:আসিফ নজরুল

আর্জেন্টিনার ৬টি হাসপাতালে পৌনে ৫ কোটি টাকা দিলেন মেসি

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:  

করোনা ভাইরাস মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যুদ্ধরত নিজ দেশ আর্জেন্টিনার ৬টি হাসপাতালের জন্য ৫ লাখ ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় পৌনে ৫ কোটি টাকা) দান করলেন লিওনেল মেসি।

আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস এইরেসের ‘ক্যাসা গারাহান’ নামের এক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, মেসির দেওয়া অর্থ দিয়ে করোনাযুদ্ধের সামনের সারির যোদ্ধা তথা স্বাস্থ্যকর্মী ও তাদের কর্মস্থল তথা হাসপাতালগুলোর জন্য চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা হবে।

নিজের প্রতিষ্ঠিত দাতব্য সংস্থা ‘লিওনেল মেসি ফাউন্ডেশন’র মাধ্যমে এই অর্থ প্রদান করেছেন আর্জেন্টিনা ও বার্সেলোনার অধিনায়ক। সংবাদমাধ্যম ‘জিনহুয়া’ এমনটাই জানিয়েছে।

মেসির দানের অর্থ ঠিকঠাক কাজে লাগানো হচ্ছে কিনা তা দেখভাল করবে ‘ক্যাসা গারাহান ফাউন্ডেশন’। ‘টুগেদার ফর দ্য হেলথ অব আর্জেন্টিনা (আর্জেন্টিনার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সবাই একতাবদ্ধ) এই স্লোগান নিয়ে একটি তহবিল চালাচ্ছে সংস্থাটি।

আর্জেন্টিনার বুয়েনস এইরেস ও সান্তা ফে রাজ্যের ৬টি হাসপাতালে করোনা আক্রান্তদের সকল চিকিৎসাসেবা মেসির টাকায় দেওয়া হবে। এছাড়া মেসির টাকা হাসপাতালগুলিতে অক্সিজেন ট্যাংক, শ্বাসযন্ত্র, পিপিই, মাস্ক, গ্লাভস ইত্যাদি কেনা হবে।

এর আগে করোনাযুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য বার্সেলোনার একটি হাসপাতালকে ১ মিলিয়ন ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯ কোটি টাকা) দান করেছিলেন লিওনেল মেসি। ওই টাকায় হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে ওই হাসপাতালে করোনার প্রতিষেধক বের করতে যে গবেষণা চালানো হচ্ছে তার খরচের একটা অংশ মেসির দান করা অর্থ থেকে দেওয়া হচ্ছে।

গত এপ্রিলে করোনায় আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়া বার্সেলোনা ক্লাবের নিম্ন আয়ের স্টাফদের শতভাগ বেতন নিশ্চিতের জন্য মেসি ও তার সতীর্থরা বেতনের ৭০ শতাংশ কম নিয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্ব জঙ্গলের শাসনে ফিরতে পারে না, চীনের সতর্কতা

আর্জেন্টিনার ৬টি হাসপাতালে পৌনে ৫ কোটি টাকা দিলেন মেসি

আপডেট সময় ০৯:০৮:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:  

করোনা ভাইরাস মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যুদ্ধরত নিজ দেশ আর্জেন্টিনার ৬টি হাসপাতালের জন্য ৫ লাখ ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় পৌনে ৫ কোটি টাকা) দান করলেন লিওনেল মেসি।

আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস এইরেসের ‘ক্যাসা গারাহান’ নামের এক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, মেসির দেওয়া অর্থ দিয়ে করোনাযুদ্ধের সামনের সারির যোদ্ধা তথা স্বাস্থ্যকর্মী ও তাদের কর্মস্থল তথা হাসপাতালগুলোর জন্য চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা হবে।

নিজের প্রতিষ্ঠিত দাতব্য সংস্থা ‘লিওনেল মেসি ফাউন্ডেশন’র মাধ্যমে এই অর্থ প্রদান করেছেন আর্জেন্টিনা ও বার্সেলোনার অধিনায়ক। সংবাদমাধ্যম ‘জিনহুয়া’ এমনটাই জানিয়েছে।

মেসির দানের অর্থ ঠিকঠাক কাজে লাগানো হচ্ছে কিনা তা দেখভাল করবে ‘ক্যাসা গারাহান ফাউন্ডেশন’। ‘টুগেদার ফর দ্য হেলথ অব আর্জেন্টিনা (আর্জেন্টিনার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সবাই একতাবদ্ধ) এই স্লোগান নিয়ে একটি তহবিল চালাচ্ছে সংস্থাটি।

আর্জেন্টিনার বুয়েনস এইরেস ও সান্তা ফে রাজ্যের ৬টি হাসপাতালে করোনা আক্রান্তদের সকল চিকিৎসাসেবা মেসির টাকায় দেওয়া হবে। এছাড়া মেসির টাকা হাসপাতালগুলিতে অক্সিজেন ট্যাংক, শ্বাসযন্ত্র, পিপিই, মাস্ক, গ্লাভস ইত্যাদি কেনা হবে।

এর আগে করোনাযুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য বার্সেলোনার একটি হাসপাতালকে ১ মিলিয়ন ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯ কোটি টাকা) দান করেছিলেন লিওনেল মেসি। ওই টাকায় হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে ওই হাসপাতালে করোনার প্রতিষেধক বের করতে যে গবেষণা চালানো হচ্ছে তার খরচের একটা অংশ মেসির দান করা অর্থ থেকে দেওয়া হচ্ছে।

গত এপ্রিলে করোনায় আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়া বার্সেলোনা ক্লাবের নিম্ন আয়ের স্টাফদের শতভাগ বেতন নিশ্চিতের জন্য মেসি ও তার সতীর্থরা বেতনের ৭০ শতাংশ কম নিয়েছেন।