ঢাকা ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

এক মাসে ৭ বার করোনাভাইরাস পজিটিভ শিক্ষার্থীর

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

এক মাসে সাতবার করা হলো নমুনা পরীক্ষা। আর প্রতিবারই শরীরে করোনাভাইরাস পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। অথচ শরীরে নেই কোনো করোনার উপসর্গ।

ভারতের গুজরাটের ১৯ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর বেলায় এ ঘটনা ঘটেছে। আর এ জন্য পুরো এক মাসই হাসপাতাল এবং কোয়ারেন্টিন সেন্টারে কেটে গেছে ওই শিক্ষার্থীর।

ভারতের সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, ওই তরুণের নাম জয় পাটনি। গুজরাটের বডোদরার নগরওয়াড়ার বাসিন্দা তিনি। স্থানীয় এমএস কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী জয়।

প্রতিবেশী ও আত্মীয়রা করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন দেখে এক মাস আগে বাবা-মাকে সঙ্গে নিয়ে করোনা টেস্ট করাতে গোত্রী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে ছুটে যান জয়। তিনজনের রিপোর্টেই পজিটিভ ফল আসে।

হাসপাতালে ১৩ দিন চিকিৎসার পর বাবা-মা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেলেও এখনও ছাড়া পাননি জয়। উপসর্গ দেখা না গেলেও করোনামুক্ত হতে পারেননি তিনি।

আনন্দবাজার জানিয়েছে, এই এক মাসে জয় করোনামুক্ত কিনা জানতে গত ১২ এপ্রিল থেকে পরীক্ষা করা হলে প্রতিবারই পজিটিভ রিপোর্ট আসে। এভাবে উপসর্গহীন অবস্থায় সাত বার কোভিড-১৯ ধরা পড়েছে তার শরীরে। টানা ২০ দিন গোত্রী হাসপাতালে কাটানোর পর গত সপ্তাহে জয়কে বডোদরা রেল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট কোয়ারেন্টিন সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়। জয় জানান, কোয়ারেন্টিনে ভালোই সময় কাটছে। এখানে সব কিছুই করতে পারছি। ইচ্ছা হলে বারান্দায় পায়চারি করি। সিনেমা দেখি। ফোনে কথা বলি। আবার গেমও খেলি। এভাবেই দিন কেটে যাচ্ছে।

বারবার পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসার ব্যাখ্যায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার উপসর্গ না থাকলে রোগীকে ছাড়ার আগে রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন পিসিআর (আরটি-পিসিআর) টেস্ট করা হয়। এতে মরা ভাইরাসও ধরা পড়ে। হতে পারে সে কারণে বারবার জয়ের রিপোর্ট পজিটিভ আসছে।

তবে এ নিয়ে জয়কে এখনও পর্যন্ত সঠিকভাবে কিছু জানাননি চিকিৎসকরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

এক মাসে ৭ বার করোনাভাইরাস পজিটিভ শিক্ষার্থীর

আপডেট সময় ০১:১২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

এক মাসে সাতবার করা হলো নমুনা পরীক্ষা। আর প্রতিবারই শরীরে করোনাভাইরাস পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। অথচ শরীরে নেই কোনো করোনার উপসর্গ।

ভারতের গুজরাটের ১৯ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর বেলায় এ ঘটনা ঘটেছে। আর এ জন্য পুরো এক মাসই হাসপাতাল এবং কোয়ারেন্টিন সেন্টারে কেটে গেছে ওই শিক্ষার্থীর।

ভারতের সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, ওই তরুণের নাম জয় পাটনি। গুজরাটের বডোদরার নগরওয়াড়ার বাসিন্দা তিনি। স্থানীয় এমএস কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী জয়।

প্রতিবেশী ও আত্মীয়রা করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন দেখে এক মাস আগে বাবা-মাকে সঙ্গে নিয়ে করোনা টেস্ট করাতে গোত্রী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে ছুটে যান জয়। তিনজনের রিপোর্টেই পজিটিভ ফল আসে।

হাসপাতালে ১৩ দিন চিকিৎসার পর বাবা-মা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেলেও এখনও ছাড়া পাননি জয়। উপসর্গ দেখা না গেলেও করোনামুক্ত হতে পারেননি তিনি।

আনন্দবাজার জানিয়েছে, এই এক মাসে জয় করোনামুক্ত কিনা জানতে গত ১২ এপ্রিল থেকে পরীক্ষা করা হলে প্রতিবারই পজিটিভ রিপোর্ট আসে। এভাবে উপসর্গহীন অবস্থায় সাত বার কোভিড-১৯ ধরা পড়েছে তার শরীরে। টানা ২০ দিন গোত্রী হাসপাতালে কাটানোর পর গত সপ্তাহে জয়কে বডোদরা রেল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট কোয়ারেন্টিন সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়। জয় জানান, কোয়ারেন্টিনে ভালোই সময় কাটছে। এখানে সব কিছুই করতে পারছি। ইচ্ছা হলে বারান্দায় পায়চারি করি। সিনেমা দেখি। ফোনে কথা বলি। আবার গেমও খেলি। এভাবেই দিন কেটে যাচ্ছে।

বারবার পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসার ব্যাখ্যায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার উপসর্গ না থাকলে রোগীকে ছাড়ার আগে রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন পিসিআর (আরটি-পিসিআর) টেস্ট করা হয়। এতে মরা ভাইরাসও ধরা পড়ে। হতে পারে সে কারণে বারবার জয়ের রিপোর্ট পজিটিভ আসছে।

তবে এ নিয়ে জয়কে এখনও পর্যন্ত সঠিকভাবে কিছু জানাননি চিকিৎসকরা।