ঢাকা ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে গেলে স্বর্ণের দেশে পরিণত হবে’: রেজাউল করিম শেখ হাসিনা চাচ্ছে না বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হোক : মেজর হাফিজ ৫৪ বছরে ক্ষমতায় যারা ছিল, তাদের শ্বশুরবাড়ির সম্পদ হু হু করে বেড়েছে:শফিকুর রহমান ৫ দশমিক ৯ মাত্রায় ফের ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থানকারী দলের ইতিহাস বিকৃতিতে জাতি স্তব্ধ: মাহদী আমিন সাপ আর ভারতীয়র দেখা একসঙ্গে পেলে, আগে ভারতীয়কে মারা উচিত: এপস্টেইন নথি ‘আগামীতে এমনও শুনতে হবে জামায়াত দেশের স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল’:সালাহউদ্দিন দায়িত্ব শেষে আমি নাগরিক সমাজের কাজে ফিরে যাবো : শিক্ষা উপদেষ্টা আমেরিকার সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভিয়েতনাম, গোপন নথি ফাঁস পাতানো নির্বাচনের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই, অধিকার আদায়ে জনগণ জীবন দিতে প্রস্তুত: আসিফ মাহমুদ

এক মাসে ৭ বার করোনাভাইরাস পজিটিভ শিক্ষার্থীর

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

এক মাসে সাতবার করা হলো নমুনা পরীক্ষা। আর প্রতিবারই শরীরে করোনাভাইরাস পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। অথচ শরীরে নেই কোনো করোনার উপসর্গ।

ভারতের গুজরাটের ১৯ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর বেলায় এ ঘটনা ঘটেছে। আর এ জন্য পুরো এক মাসই হাসপাতাল এবং কোয়ারেন্টিন সেন্টারে কেটে গেছে ওই শিক্ষার্থীর।

ভারতের সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, ওই তরুণের নাম জয় পাটনি। গুজরাটের বডোদরার নগরওয়াড়ার বাসিন্দা তিনি। স্থানীয় এমএস কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী জয়।

প্রতিবেশী ও আত্মীয়রা করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন দেখে এক মাস আগে বাবা-মাকে সঙ্গে নিয়ে করোনা টেস্ট করাতে গোত্রী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে ছুটে যান জয়। তিনজনের রিপোর্টেই পজিটিভ ফল আসে।

হাসপাতালে ১৩ দিন চিকিৎসার পর বাবা-মা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেলেও এখনও ছাড়া পাননি জয়। উপসর্গ দেখা না গেলেও করোনামুক্ত হতে পারেননি তিনি।

আনন্দবাজার জানিয়েছে, এই এক মাসে জয় করোনামুক্ত কিনা জানতে গত ১২ এপ্রিল থেকে পরীক্ষা করা হলে প্রতিবারই পজিটিভ রিপোর্ট আসে। এভাবে উপসর্গহীন অবস্থায় সাত বার কোভিড-১৯ ধরা পড়েছে তার শরীরে। টানা ২০ দিন গোত্রী হাসপাতালে কাটানোর পর গত সপ্তাহে জয়কে বডোদরা রেল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট কোয়ারেন্টিন সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়। জয় জানান, কোয়ারেন্টিনে ভালোই সময় কাটছে। এখানে সব কিছুই করতে পারছি। ইচ্ছা হলে বারান্দায় পায়চারি করি। সিনেমা দেখি। ফোনে কথা বলি। আবার গেমও খেলি। এভাবেই দিন কেটে যাচ্ছে।

বারবার পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসার ব্যাখ্যায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার উপসর্গ না থাকলে রোগীকে ছাড়ার আগে রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন পিসিআর (আরটি-পিসিআর) টেস্ট করা হয়। এতে মরা ভাইরাসও ধরা পড়ে। হতে পারে সে কারণে বারবার জয়ের রিপোর্ট পজিটিভ আসছে।

তবে এ নিয়ে জয়কে এখনও পর্যন্ত সঠিকভাবে কিছু জানাননি চিকিৎসকরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে গেলে স্বর্ণের দেশে পরিণত হবে’: রেজাউল করিম

এক মাসে ৭ বার করোনাভাইরাস পজিটিভ শিক্ষার্থীর

আপডেট সময় ০১:১২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

এক মাসে সাতবার করা হলো নমুনা পরীক্ষা। আর প্রতিবারই শরীরে করোনাভাইরাস পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। অথচ শরীরে নেই কোনো করোনার উপসর্গ।

ভারতের গুজরাটের ১৯ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর বেলায় এ ঘটনা ঘটেছে। আর এ জন্য পুরো এক মাসই হাসপাতাল এবং কোয়ারেন্টিন সেন্টারে কেটে গেছে ওই শিক্ষার্থীর।

ভারতের সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, ওই তরুণের নাম জয় পাটনি। গুজরাটের বডোদরার নগরওয়াড়ার বাসিন্দা তিনি। স্থানীয় এমএস কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী জয়।

প্রতিবেশী ও আত্মীয়রা করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন দেখে এক মাস আগে বাবা-মাকে সঙ্গে নিয়ে করোনা টেস্ট করাতে গোত্রী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে ছুটে যান জয়। তিনজনের রিপোর্টেই পজিটিভ ফল আসে।

হাসপাতালে ১৩ দিন চিকিৎসার পর বাবা-মা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেলেও এখনও ছাড়া পাননি জয়। উপসর্গ দেখা না গেলেও করোনামুক্ত হতে পারেননি তিনি।

আনন্দবাজার জানিয়েছে, এই এক মাসে জয় করোনামুক্ত কিনা জানতে গত ১২ এপ্রিল থেকে পরীক্ষা করা হলে প্রতিবারই পজিটিভ রিপোর্ট আসে। এভাবে উপসর্গহীন অবস্থায় সাত বার কোভিড-১৯ ধরা পড়েছে তার শরীরে। টানা ২০ দিন গোত্রী হাসপাতালে কাটানোর পর গত সপ্তাহে জয়কে বডোদরা রেল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট কোয়ারেন্টিন সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়। জয় জানান, কোয়ারেন্টিনে ভালোই সময় কাটছে। এখানে সব কিছুই করতে পারছি। ইচ্ছা হলে বারান্দায় পায়চারি করি। সিনেমা দেখি। ফোনে কথা বলি। আবার গেমও খেলি। এভাবেই দিন কেটে যাচ্ছে।

বারবার পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসার ব্যাখ্যায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার উপসর্গ না থাকলে রোগীকে ছাড়ার আগে রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন পিসিআর (আরটি-পিসিআর) টেস্ট করা হয়। এতে মরা ভাইরাসও ধরা পড়ে। হতে পারে সে কারণে বারবার জয়ের রিপোর্ট পজিটিভ আসছে।

তবে এ নিয়ে জয়কে এখনও পর্যন্ত সঠিকভাবে কিছু জানাননি চিকিৎসকরা।