ঢাকা ১১:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা দেশ গড়ার কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

একমাত্র বাংলাদেশে এসে করোনা লজ্জিত, অপমানিত.. কেউ পাত্তাই দিচ্ছে না

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের ভয়কে উপেক্ষা করে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীদের ঢল নেমেছে। যেন ঈদ উৎসব শুরু হয়েছে। একমাত্র বাংলাদেশে এসে করোনা লজ্জিত, অপমানিত.. কেউ পাত্তাই দিচ্ছে না। এসব যাত্রীদের মধ্যে করোনা সংক্রমণের কোনো ভয় নেই। গাদাগাদি করে ফেরি ও ট্রলারে পদ্মা পারি দিয়ে তারা কর্মস্থলে ছুটছেন। এতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকলেও গত ১৪ দিন ধরে একই চিত্র দেখা যাচ্ছে শিমুলিয়া ফেরিঘাটে। রাজধানী ঢাকার সবগুলো প্রবেশপথে একই চিত্র।

রোববার (১০ মে) সকালে শিমুলিয়া ঘাটে মানুষ আর মানুষ দেখা গেছে। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর জেলায় বসবাসরত এসব মানুষ ছুটছে কর্মস্থলের দিকে। কিন্তু শিমুলিয়া ঘাটে বাস না থাকায় যানবাহনের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। পরস্পরের সঙ্গে ঘেঁষাঘেঁষি করে তারা ছুটছেন যানবাহনের খোঁজে। বাস না পেয়ে পিকআপ ভ্যান, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা, মাইক্রোবাস, ইয়েলো ক্যাব, রেন্ট এ কারসহ বন্ধ থাকা উবার ও পাঠাওয়ের শত শত মোটরসাইকেল ও গাড়িতে অফলাইনে তারা ঢাকায় ফিরছেন। এতে যাত্রীদের কয়েকগুণ ভাড়া বেশি গুণতে হচ্ছে। আবার কেউ কেউ রোজা রেখেও হেঁটে ছুটছেন গন্তব্যের দিকে।

আজ ১৪ তম দিনে শিমুলিয়া ঘাট দিয়ে ঢাকামুখী মানুষের চলাচল আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রথমদিকে পোশাককর্মীরা ঢাকামুখী হলেও সরকার মার্কেট খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ ঢাকা অভিমুখে ছুটতে শুরু করেছে। ঢাকার নিউ মার্কেট সমিতি মার্কেট না খোলার সিদ্ধান্ত নিলেও কর্মমুখী মানুষ শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌ রুট দিয়ে ঢাকায় ছুটছে।

প্রশাসনও এ অবস্থা দেখে নির্বিকার। এত মানুষের সঙ্গে তাদের কি বা বলার আছে। তারা যেন আত্মসমার্পন করে দাঁড়িয়ে আছে।

ফেরির সংখ্যা বাড়লেও মানুষের ঘেঁষাঘেঁষির যেন শেষ নেই। ঘাটে বাস না থাকলেও বিভিন্ন লোকাল পরিবহনে গ্রামের ভেতর দিয়ে ভেঙে ভেঙে ঢাকায় ফিরছে এসব মানুষ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দিনাজপুরে বস্তা থেকে সাপ বের করার সময় ছোবলে সাপুড়ের

একমাত্র বাংলাদেশে এসে করোনা লজ্জিত, অপমানিত.. কেউ পাত্তাই দিচ্ছে না

আপডেট সময় ০২:০০:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের ভয়কে উপেক্ষা করে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীদের ঢল নেমেছে। যেন ঈদ উৎসব শুরু হয়েছে। একমাত্র বাংলাদেশে এসে করোনা লজ্জিত, অপমানিত.. কেউ পাত্তাই দিচ্ছে না। এসব যাত্রীদের মধ্যে করোনা সংক্রমণের কোনো ভয় নেই। গাদাগাদি করে ফেরি ও ট্রলারে পদ্মা পারি দিয়ে তারা কর্মস্থলে ছুটছেন। এতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকলেও গত ১৪ দিন ধরে একই চিত্র দেখা যাচ্ছে শিমুলিয়া ফেরিঘাটে। রাজধানী ঢাকার সবগুলো প্রবেশপথে একই চিত্র।

রোববার (১০ মে) সকালে শিমুলিয়া ঘাটে মানুষ আর মানুষ দেখা গেছে। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর জেলায় বসবাসরত এসব মানুষ ছুটছে কর্মস্থলের দিকে। কিন্তু শিমুলিয়া ঘাটে বাস না থাকায় যানবাহনের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। পরস্পরের সঙ্গে ঘেঁষাঘেঁষি করে তারা ছুটছেন যানবাহনের খোঁজে। বাস না পেয়ে পিকআপ ভ্যান, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা, মাইক্রোবাস, ইয়েলো ক্যাব, রেন্ট এ কারসহ বন্ধ থাকা উবার ও পাঠাওয়ের শত শত মোটরসাইকেল ও গাড়িতে অফলাইনে তারা ঢাকায় ফিরছেন। এতে যাত্রীদের কয়েকগুণ ভাড়া বেশি গুণতে হচ্ছে। আবার কেউ কেউ রোজা রেখেও হেঁটে ছুটছেন গন্তব্যের দিকে।

আজ ১৪ তম দিনে শিমুলিয়া ঘাট দিয়ে ঢাকামুখী মানুষের চলাচল আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রথমদিকে পোশাককর্মীরা ঢাকামুখী হলেও সরকার মার্কেট খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ ঢাকা অভিমুখে ছুটতে শুরু করেছে। ঢাকার নিউ মার্কেট সমিতি মার্কেট না খোলার সিদ্ধান্ত নিলেও কর্মমুখী মানুষ শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌ রুট দিয়ে ঢাকায় ছুটছে।

প্রশাসনও এ অবস্থা দেখে নির্বিকার। এত মানুষের সঙ্গে তাদের কি বা বলার আছে। তারা যেন আত্মসমার্পন করে দাঁড়িয়ে আছে।

ফেরির সংখ্যা বাড়লেও মানুষের ঘেঁষাঘেঁষির যেন শেষ নেই। ঘাটে বাস না থাকলেও বিভিন্ন লোকাল পরিবহনে গ্রামের ভেতর দিয়ে ভেঙে ভেঙে ঢাকায় ফিরছে এসব মানুষ।