ঢাকা ০২:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে জ্বালানি সংকট নেই, অসাধু চক্র কৃত্রিম লাইনে বাজার অস্থির করছে:জ্বালানি মন্ত্রী কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ‘পেপ্যাল’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী আমরা ভালো হয়ে গেলে দেশও ভালো হয়ে যাবে: শফিকুর রহমান ২৫ এপ্রিল ঢাকায় সমাবেশের ডাক দিল জামায়াত হান্নান মাসউদ, আপনি সরকারি দলে যোগ দিয়েছেন নাকি: স্পিকার ক্যাম্পাসে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ চলতে দেওয়া হবে না: ছাত্রদল সম্পাদক নাছির ডিআইজিসহ ১৩ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে তনু হত্যা মামলা: ১০ বছর পর সাবেক সেনাসদস্য গ্রেফতার, ৩ দিনের রিমান্ডে কর জরিপের একটা বড় প্রজেক্ট নিতে চাই: এনবিআর চেয়ারম্যান গণমাধ্যম ও রাজনীতিতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি নিশ্চিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির ভুট্টা তুলে বাড়ি পৌঁছে দিল পুলিশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে বিপযস্ত বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্ব। প্রতিদিনই বিশ্বব্যাপী বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা।করোনায় উদ্ভূত পরিস্থিতে কৃষকের ধান কাটা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করছে পুলিশ।

এদিকে, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার হাজরাহাটি গ্রামের করোনা আক্রান্ত এক যুবকের ভুট্টাক্ষেতের পরিপক্ব ভুট্টা কর্তন করে দেয় জেলা পুলিশের একটি দল।

বধুবার করোনা আক্রান্তের পর থেকে বাড়িতে আইসোলেশনে থাকায় জমির ফসল ঘরে তোলার উপযুক্ত হলেও নিরুপায় তিনি। সেই নিরুপায় অবস্থায় তার পাশে দাঁড়ায় একদল পুলিশ। জমির পরিপক্ব ভুট্টা কর্তন করে ঘরে তুলে দিয়েছে পুলিশ সদস্যরা।

এ কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) কলিমুল্লাহ। তিনি জানান, কয়েকদিন আগে করোনা রিপোর্ট পজেটিভ আসে ওই ব্যক্তির। তারপর থেকেই তার বাড়িসহ আশপাশের কয়েকটি বাড়ি লকডাউন করে দেয় পুলিশ। লকডাউনের পর থেকেই তিনি গৃহবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। দৈনন্দিন কাজকর্ম থেকেও বিরত আছেন। এরমধ্যে পুলিশ জানতে পারে তার আবাদি একখণ্ড জমির ভুট্টা পরিপক্ব হয়ে গেছে। অথচ তিনি হোম আইসোলেশনে থাকায় তা কাটতে পারছেন না।

পরে খবর পেয়ে জেলা পুলিশের প্রধান জাহিদুল ইসলাম সিদ্ধান্ত নেন তার ক্ষেতের ভুট্টা কেটে দেওয়ার। সেই নির্দেশ অনুযায়ী বুধবার দুপুরে জেলা পুলিশের একটি দল ওই ভুট্টাক্ষেতে গিয়ে ভুট্টা কর্তন করে। এরপর তা পরবর্তী প্রক্রিয়ার জন্য পৌঁছে দেওয়া হয় তার বাড়িতে।

এ কাজে আরও অংশ নেন সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান ও পরিদর্শক (তদন্ত) লুৎফুল কবীরসহ গ্রামের কিছু স্বেচ্ছাসেবী।

এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, ওই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তিনি। কিন্তু করোনা আক্রান্তের পর থেকে কাজ করতে না পেরে অনেকটা অসহায় অবস্থায় রয়েছে পরিবারটি। তাই পুলিশ চেষ্টা করছে পরিবারটির পাশে থেকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার। তাই তার বাড়িতে নিয়মিত খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দেশে জ্বালানি সংকট নেই, অসাধু চক্র কৃত্রিম লাইনে বাজার অস্থির করছে:জ্বালানি মন্ত্রী

করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির ভুট্টা তুলে বাড়ি পৌঁছে দিল পুলিশ

আপডেট সময় ০৫:২০:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে বিপযস্ত বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্ব। প্রতিদিনই বিশ্বব্যাপী বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা।করোনায় উদ্ভূত পরিস্থিতে কৃষকের ধান কাটা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করছে পুলিশ।

এদিকে, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার হাজরাহাটি গ্রামের করোনা আক্রান্ত এক যুবকের ভুট্টাক্ষেতের পরিপক্ব ভুট্টা কর্তন করে দেয় জেলা পুলিশের একটি দল।

বধুবার করোনা আক্রান্তের পর থেকে বাড়িতে আইসোলেশনে থাকায় জমির ফসল ঘরে তোলার উপযুক্ত হলেও নিরুপায় তিনি। সেই নিরুপায় অবস্থায় তার পাশে দাঁড়ায় একদল পুলিশ। জমির পরিপক্ব ভুট্টা কর্তন করে ঘরে তুলে দিয়েছে পুলিশ সদস্যরা।

এ কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) কলিমুল্লাহ। তিনি জানান, কয়েকদিন আগে করোনা রিপোর্ট পজেটিভ আসে ওই ব্যক্তির। তারপর থেকেই তার বাড়িসহ আশপাশের কয়েকটি বাড়ি লকডাউন করে দেয় পুলিশ। লকডাউনের পর থেকেই তিনি গৃহবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। দৈনন্দিন কাজকর্ম থেকেও বিরত আছেন। এরমধ্যে পুলিশ জানতে পারে তার আবাদি একখণ্ড জমির ভুট্টা পরিপক্ব হয়ে গেছে। অথচ তিনি হোম আইসোলেশনে থাকায় তা কাটতে পারছেন না।

পরে খবর পেয়ে জেলা পুলিশের প্রধান জাহিদুল ইসলাম সিদ্ধান্ত নেন তার ক্ষেতের ভুট্টা কেটে দেওয়ার। সেই নির্দেশ অনুযায়ী বুধবার দুপুরে জেলা পুলিশের একটি দল ওই ভুট্টাক্ষেতে গিয়ে ভুট্টা কর্তন করে। এরপর তা পরবর্তী প্রক্রিয়ার জন্য পৌঁছে দেওয়া হয় তার বাড়িতে।

এ কাজে আরও অংশ নেন সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান ও পরিদর্শক (তদন্ত) লুৎফুল কবীরসহ গ্রামের কিছু স্বেচ্ছাসেবী।

এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, ওই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তিনি। কিন্তু করোনা আক্রান্তের পর থেকে কাজ করতে না পেরে অনেকটা অসহায় অবস্থায় রয়েছে পরিবারটি। তাই পুলিশ চেষ্টা করছে পরিবারটির পাশে থেকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার। তাই তার বাড়িতে নিয়মিত খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।