ঢাকা ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাংবাদিকের নয়, রাষ্ট্রের হাতে হাতকড়া পরানো হয়েছে: রব

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

৫৪ দিন নিখোঁজ থাকার পর শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এক সাংবাদিককের হাতে হাতকড়া পরানোর ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় নির্মম আচরণ প্রমাণ করেছে ‘সাংবাদিকের নয়, রাষ্ট্রের হাতে হাতকড়া পরানো হয়েছে’।

মঙ্গলবার (৫ মে) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

জেএসডি সভাপতি বলেন, একজন নাগরিকের নিখোঁজ হওয়া, অপহরণের শিকার হওয়া রাষ্ট্রের দায়। কিন্ত রাষ্ট্র সে দায় বহন না করে নাগরিককে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করার প্রয়াস কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলকে কারা সীমান্তের ওপারে নিয়ে গেলো..কোথায় রাখলো কি ধরনের নির্যাতন সইতে হয়েছে তার কোনো তদন্ত না করে নিজ বাসভূমিতে ফিরে আসায় অনুপ্রবেশকারী হিসেবে গ্রেফতার এবং পিঠমোড়া করে হাতকড়া পরিয়ে সশস্ত্র পাহারায় আদালতে নেওয়ার দৃশ্য উপনিবেশিক চরিত্রের নগ্ন বহিঃপ্রকাশ, এটা কোনো স্বাধীন দেশের চরিত্র হতে পারে না।

যুদ্ধাবস্থায় বা অপহরণের শিকার হলে নিজ দেশে ফেরার পাসপোর্ট কিভাবে পাবে আর নিজ দেশে কিভাবে অনুপ্রবেশকারী বলা হয়, তার দায় রাষ্ট্রকে বহন করতে হবে।

তিনি রাষ্ট্রের এসব নিপীড়নমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য সাংবাদিকসহ দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সাংবাদিকের নয়, রাষ্ট্রের হাতে হাতকড়া পরানো হয়েছে: রব

আপডেট সময় ০৯:৪৪:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

৫৪ দিন নিখোঁজ থাকার পর শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এক সাংবাদিককের হাতে হাতকড়া পরানোর ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় নির্মম আচরণ প্রমাণ করেছে ‘সাংবাদিকের নয়, রাষ্ট্রের হাতে হাতকড়া পরানো হয়েছে’।

মঙ্গলবার (৫ মে) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

জেএসডি সভাপতি বলেন, একজন নাগরিকের নিখোঁজ হওয়া, অপহরণের শিকার হওয়া রাষ্ট্রের দায়। কিন্ত রাষ্ট্র সে দায় বহন না করে নাগরিককে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করার প্রয়াস কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলকে কারা সীমান্তের ওপারে নিয়ে গেলো..কোথায় রাখলো কি ধরনের নির্যাতন সইতে হয়েছে তার কোনো তদন্ত না করে নিজ বাসভূমিতে ফিরে আসায় অনুপ্রবেশকারী হিসেবে গ্রেফতার এবং পিঠমোড়া করে হাতকড়া পরিয়ে সশস্ত্র পাহারায় আদালতে নেওয়ার দৃশ্য উপনিবেশিক চরিত্রের নগ্ন বহিঃপ্রকাশ, এটা কোনো স্বাধীন দেশের চরিত্র হতে পারে না।

যুদ্ধাবস্থায় বা অপহরণের শিকার হলে নিজ দেশে ফেরার পাসপোর্ট কিভাবে পাবে আর নিজ দেশে কিভাবে অনুপ্রবেশকারী বলা হয়, তার দায় রাষ্ট্রকে বহন করতে হবে।

তিনি রাষ্ট্রের এসব নিপীড়নমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য সাংবাদিকসহ দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।