ঢাকা ০৩:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনে ৫ লাখ ৫৫ হাজার আনসার-ভিডিপি দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে গুলি ছুড়ে যুবককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ ইরানি কর্তৃপক্ষকে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ প্রদর্শনের আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের দাঁড়িপাল্লার পক্ষে না থাকলে মাহফিল শোনার দরকার নেই :জামায়াতের আমির মো. মিজানুর রহমান বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুনের ঘটনায় রেস্তোরাঁ কর্মী মিলন গ্রেপ্তার নির্বাচন সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সরকার ব্যর্থ : মির্জা ফখরুল ইরানে বিরুদ্ধে ‘কঠোর’ পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি জানাল শিক্ষা বোর্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী

শ্রমিকের বেতন ক্যাশ আউটে লাগবে হাজারে ৪ টাকা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিশেষ ঋণ সুবিধার আওতায় রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান সমূহের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ক্যাশ আউটের ক্ষেত্রে হাজারে ৮ টাকা ফি আদায়ের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী এক হাজারে ১৮ থেকে ২০ টাকা ফি কেটে নেয় মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) এজেন্ট। তবে রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান সমূহের কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এত টাকা নিতে পারবেন না কোন এমএফএস কোম্পানি।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম ডিপার্টমেন্ট থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

বাংলাদেশে কার্যরত সকল তফসিলি ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডারদের উদ্দেশ্যে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গত ২ এপ্রিল রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য সকলকে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) একাউন্ট খোলার নির্দেশনা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এই স্কিমের আওতায় পরিশোধিত বেতন ভাতা ক্যাশ আউট এর ক্ষেত্রে শ্রমিক-কর্মচারীদের স্বার্থ বিবেচনায় ফি আদায়ে শুধুমাত্র কস্ট রিকভারি বা কোন ক্ষেত্রে সাবসিডি প্রদানের জন্য অপারেটরদেরকে (নগদ সহ) অনুরোধ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বা হাজারে ৮ টাকার বেশি চার্জ আদায় করা যাবে না। এর মধ্যেও এমএফএস অপারেটরদের নিজেদের কমিশন থেকে ৪ টাকা প্রদান করবে ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক। বাকি ৪ টাকা পরিশোধ করবে গ্রাহক বা প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক।

উল্লেখ, গত ২ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) একটি সার্কুলার জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। সার্কুলারে বলা হয়, রপ্তানিমুখী শিল্প খাতের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করা হয়েছে। এই তহবিল থেকে কেবল সচল রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকরা ঋণ নিতে পারবেন। এজন্য প্রতিষ্ঠানের মালিকদের গুনতে হবে এককালীন ২ শতাংশ সুদ বা সার্ভিস চার্জ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সেই মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন অভিনেত্রী মেহজাবীন

শ্রমিকের বেতন ক্যাশ আউটে লাগবে হাজারে ৪ টাকা

আপডেট সময় ০৩:৩১:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিশেষ ঋণ সুবিধার আওতায় রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান সমূহের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ক্যাশ আউটের ক্ষেত্রে হাজারে ৮ টাকা ফি আদায়ের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী এক হাজারে ১৮ থেকে ২০ টাকা ফি কেটে নেয় মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) এজেন্ট। তবে রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান সমূহের কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এত টাকা নিতে পারবেন না কোন এমএফএস কোম্পানি।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম ডিপার্টমেন্ট থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

বাংলাদেশে কার্যরত সকল তফসিলি ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডারদের উদ্দেশ্যে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গত ২ এপ্রিল রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য সকলকে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) একাউন্ট খোলার নির্দেশনা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এই স্কিমের আওতায় পরিশোধিত বেতন ভাতা ক্যাশ আউট এর ক্ষেত্রে শ্রমিক-কর্মচারীদের স্বার্থ বিবেচনায় ফি আদায়ে শুধুমাত্র কস্ট রিকভারি বা কোন ক্ষেত্রে সাবসিডি প্রদানের জন্য অপারেটরদেরকে (নগদ সহ) অনুরোধ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বা হাজারে ৮ টাকার বেশি চার্জ আদায় করা যাবে না। এর মধ্যেও এমএফএস অপারেটরদের নিজেদের কমিশন থেকে ৪ টাকা প্রদান করবে ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক। বাকি ৪ টাকা পরিশোধ করবে গ্রাহক বা প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক।

উল্লেখ, গত ২ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) একটি সার্কুলার জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। সার্কুলারে বলা হয়, রপ্তানিমুখী শিল্প খাতের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করা হয়েছে। এই তহবিল থেকে কেবল সচল রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকরা ঋণ নিতে পারবেন। এজন্য প্রতিষ্ঠানের মালিকদের গুনতে হবে এককালীন ২ শতাংশ সুদ বা সার্ভিস চার্জ।