ঢাকা ০১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গাজায় আবারও বড় হামলা ইসরায়েলের, নিহত ২৩ মাটির নিচের নতুন মিসাইল ঘাঁটির উন্মোচন ইরানের পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানালেন আসিফ নজরুল বিএনপি ক্ষমতায় এলে জুলাই যোদ্ধাদের প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিত করা হবে: মির্জা ফখরুল রাজধানীতে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে জখম ১৭ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৯৫, আহত ১১ হাজার: এইচআরএসএসের প্রতিবেদন ক্ষমতায় এলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে দেবে জামায়াত: মিন্টু অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে মাঠ পর্যায় পরিদর্শনে নৌবাহিনী প্রধান জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক আমরা বসন্তের কোকিল নই, জুলুম-নির্যাতনের পরও দেশ ছাড়িনি: শফিকুর রহমান

লকডাউন শিথিল করায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল স্পেনে

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

করোনাভাইরাসের হানায় দিশেহারা ইউরোপের দেশ স্পেন। দেশটিতে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা কমে আসায় লকডাউন শিথিল করা হয়েছিল।এর একদিন পরেই আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যায়।

এক মাসের বেশি সময় পর সোমবার লকডাউন শিথিল করে স্পেন।দেশটির অবকাঠামো শিল্প ও কারখানাগুলো সচল করা হয় এই উদ্যোগে।

বুধবারের দেয়া তথ্য অনুযায়ী আগের ২৪ ঘণ্টায় স্পেনে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ১০০ জন বেড়েছে। বিবিসি বলছে, গত এক পাঁচ দিনে স্পেনে এত রোগী ধরা পড়েনি যা এক দিনে ধরা পড়েছে।।

এদিকে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি দেখে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ পার্লামেন্টে বক্তৃতায় হতাশ কণ্ঠে বলেন, করোনাভাইরাসের টিকা আবিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশা দেখছি না।

পরিস্থিতির উন্নতি দেখে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ লকডাউন শিথিলের দিকে এগোলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গত সপ্তাহেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, সংক্রমণ ও মৃত্যুর হারে সামান্য অবনমন দেখে কোনো দেশ যদি আগেভাগে বিধিনিষেধ তুলে নেয়, তাহলে ভাইরাসটির আরও ভয়ংকর প্রত্যাবর্তন ঘটতে পারে।

নতুন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে স্পেনে। এদিন ৫২৩ জন কোভিড-১৯ রোগীর মৃত্যু ঘটেছে দেশটিতে।

করোনাভাইরাসে স্পেনে এই পর্যন্ত ১৮ হাজার ৫৭৯ জনের মৃত্যু ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইতালির পর এটাই সর্বোচ্চ সংখ্যা।

আক্রান্তের সংখ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের পরই রয়েছে স্পেন; দেশটিতে মোট ১ লাখ ৭৭ হাজার ৬৩৩ জনের মধ্যে এই ভাইরাস সংক্রমণ ঘটেছে।

মঙ্গলবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জেনেভায় এক ব্রিফিংয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মুখপাত্র ড. মার্গারেট হ্যারিস বলেন, এটি গোটা বিশ্বে প্রাদুর্ভাব ছড়িয়েছে। ইউরোপ ও আমেরিকা থেকে ৯০ শতাংশ আক্রান্তের খবর আসছে।সুতরাং আমরা অবশ্যই এর এখনো শিকড় দেখতে পাচ্ছি না।

ভ্যাকসিন নিয়ে হ্যারিস বলেন, আমরা সত্যিকার অর্থে ১২ মাস বা তার বেশি সময় ছাড়া ভ্যাকসিন দেখার আশা করা উচিত না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লকডাউন শিথিল করায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল স্পেনে

আপডেট সময় ০৯:০৩:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

করোনাভাইরাসের হানায় দিশেহারা ইউরোপের দেশ স্পেন। দেশটিতে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা কমে আসায় লকডাউন শিথিল করা হয়েছিল।এর একদিন পরেই আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যায়।

এক মাসের বেশি সময় পর সোমবার লকডাউন শিথিল করে স্পেন।দেশটির অবকাঠামো শিল্প ও কারখানাগুলো সচল করা হয় এই উদ্যোগে।

বুধবারের দেয়া তথ্য অনুযায়ী আগের ২৪ ঘণ্টায় স্পেনে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ১০০ জন বেড়েছে। বিবিসি বলছে, গত এক পাঁচ দিনে স্পেনে এত রোগী ধরা পড়েনি যা এক দিনে ধরা পড়েছে।।

এদিকে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি দেখে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ পার্লামেন্টে বক্তৃতায় হতাশ কণ্ঠে বলেন, করোনাভাইরাসের টিকা আবিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশা দেখছি না।

পরিস্থিতির উন্নতি দেখে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ লকডাউন শিথিলের দিকে এগোলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গত সপ্তাহেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, সংক্রমণ ও মৃত্যুর হারে সামান্য অবনমন দেখে কোনো দেশ যদি আগেভাগে বিধিনিষেধ তুলে নেয়, তাহলে ভাইরাসটির আরও ভয়ংকর প্রত্যাবর্তন ঘটতে পারে।

নতুন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে স্পেনে। এদিন ৫২৩ জন কোভিড-১৯ রোগীর মৃত্যু ঘটেছে দেশটিতে।

করোনাভাইরাসে স্পেনে এই পর্যন্ত ১৮ হাজার ৫৭৯ জনের মৃত্যু ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইতালির পর এটাই সর্বোচ্চ সংখ্যা।

আক্রান্তের সংখ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের পরই রয়েছে স্পেন; দেশটিতে মোট ১ লাখ ৭৭ হাজার ৬৩৩ জনের মধ্যে এই ভাইরাস সংক্রমণ ঘটেছে।

মঙ্গলবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জেনেভায় এক ব্রিফিংয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মুখপাত্র ড. মার্গারেট হ্যারিস বলেন, এটি গোটা বিশ্বে প্রাদুর্ভাব ছড়িয়েছে। ইউরোপ ও আমেরিকা থেকে ৯০ শতাংশ আক্রান্তের খবর আসছে।সুতরাং আমরা অবশ্যই এর এখনো শিকড় দেখতে পাচ্ছি না।

ভ্যাকসিন নিয়ে হ্যারিস বলেন, আমরা সত্যিকার অর্থে ১২ মাস বা তার বেশি সময় ছাড়া ভ্যাকসিন দেখার আশা করা উচিত না।