ঢাকা ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

দান সাদকায় প্রতিযোগিতা করাও উত্তম কাজ

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

আল্লাহ তাআলা চাইলে সব মানুষকে ধনী বানিয়ে দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি। আসলে বিত্তশালীরা, বিত্তহীনদের সাথে কেমন আচরণ করে আল্লাহ তাআলা তা দেখতে চান। চলমান সময়ে মুসলমানদের অধিকাংশই আল্লাহর কোনো বিধানই যথাযথভাবে পালন করছে না। মুসলিম সমাজ যদি জাকাত, সদকা সম্বন্ধে আল্লাহর নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করত; তবে বিশ্ব মুসলিম আজকের মত দারিদ্র্যের জাঁতাকলে পিষ্ট হতো না। মুসলমানদের সকল কাজে মৌলিক একটি উদ্দেশ্য থাকে, আর তাহলো আল্লাহর সন্তুষ্টি। যে কোনো দাতা দানের সময় যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় কাজটি সম্পাদন করেন তাহলে এতে তার অফুরন্ত সাওয়াবও হবে এবং সম্পদও বৃদ্ধি পাবে ।

আল্লাহর পথে দান-সাদকা অন্যতম সৎ কাজ। দান-অনুদানে মানুষের দুনিয়া ও পরকালের অনেক কল্যাণ সাধিত হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা সৎকাজে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে চলো।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ১৪৮)

অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা সেই পথে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলো, যা তোমাদের প্রভুর ক্ষমা এবং আকাশ ও পৃথিবী সমান প্রশস্ত জান্নাতের দিকে এগিয়ে গেছে।’ (সুরা আল ইমরান : আয়াত ১৩৩)

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত একদিন একলোক রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! কোন দানে (সাদকায়) সবচেয়ে বেশি সাওয়াব?
তিনি বললেন, তুমি এমন অবস্থায় দান করবে যে, তুমি (শারীরিকভাবে) সুস্থ; ধন-সম্পদের প্রতি লোভ আছে; অভাব-অনটনকে ভয় করছো। এবং ধন-সম্পদের আশাও পোষণ করছো।

তুমি দান করার ব্যাপারে এমন কার্পণ্য পোষণ করো না যে, শেষে মৃত্যুর ক্ষণটি এসে যায়, এবং তখন তুমি এটা ঘোষণা কর যে, এ পরিমাণ অমুকের এবং সে পরিমাণ অমুকে। অথচ অমুকের জন্য সে মাল আগেই নির্ধারিত হয়ে গেছে। (বুখারি ও মুসলিম)

সুতরাং আল্লাহর ক্ষমা লাভ এবং প্রশস্ত জান্নাত পাওয়ার পথে এগিয়ে যেতে দান-সাদকার প্রতি গুরুত্ব দেয়া উচিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মতকে দান-সাদকায় প্রতিযোগিতা করার প্রতি উৎসাহিত করেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দান সাদকায় প্রতিযোগিতা করাও উত্তম কাজ

আপডেট সময় ০৮:৪৮:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

আল্লাহ তাআলা চাইলে সব মানুষকে ধনী বানিয়ে দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি। আসলে বিত্তশালীরা, বিত্তহীনদের সাথে কেমন আচরণ করে আল্লাহ তাআলা তা দেখতে চান। চলমান সময়ে মুসলমানদের অধিকাংশই আল্লাহর কোনো বিধানই যথাযথভাবে পালন করছে না। মুসলিম সমাজ যদি জাকাত, সদকা সম্বন্ধে আল্লাহর নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করত; তবে বিশ্ব মুসলিম আজকের মত দারিদ্র্যের জাঁতাকলে পিষ্ট হতো না। মুসলমানদের সকল কাজে মৌলিক একটি উদ্দেশ্য থাকে, আর তাহলো আল্লাহর সন্তুষ্টি। যে কোনো দাতা দানের সময় যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় কাজটি সম্পাদন করেন তাহলে এতে তার অফুরন্ত সাওয়াবও হবে এবং সম্পদও বৃদ্ধি পাবে ।

আল্লাহর পথে দান-সাদকা অন্যতম সৎ কাজ। দান-অনুদানে মানুষের দুনিয়া ও পরকালের অনেক কল্যাণ সাধিত হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা সৎকাজে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে চলো।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ১৪৮)

অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা সেই পথে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলো, যা তোমাদের প্রভুর ক্ষমা এবং আকাশ ও পৃথিবী সমান প্রশস্ত জান্নাতের দিকে এগিয়ে গেছে।’ (সুরা আল ইমরান : আয়াত ১৩৩)

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত একদিন একলোক রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! কোন দানে (সাদকায়) সবচেয়ে বেশি সাওয়াব?
তিনি বললেন, তুমি এমন অবস্থায় দান করবে যে, তুমি (শারীরিকভাবে) সুস্থ; ধন-সম্পদের প্রতি লোভ আছে; অভাব-অনটনকে ভয় করছো। এবং ধন-সম্পদের আশাও পোষণ করছো।

তুমি দান করার ব্যাপারে এমন কার্পণ্য পোষণ করো না যে, শেষে মৃত্যুর ক্ষণটি এসে যায়, এবং তখন তুমি এটা ঘোষণা কর যে, এ পরিমাণ অমুকের এবং সে পরিমাণ অমুকে। অথচ অমুকের জন্য সে মাল আগেই নির্ধারিত হয়ে গেছে। (বুখারি ও মুসলিম)

সুতরাং আল্লাহর ক্ষমা লাভ এবং প্রশস্ত জান্নাত পাওয়ার পথে এগিয়ে যেতে দান-সাদকার প্রতি গুরুত্ব দেয়া উচিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মতকে দান-সাদকায় প্রতিযোগিতা করার প্রতি উৎসাহিত করেছেন।