ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে গেলে স্বর্ণের দেশে পরিণত হবে’: রেজাউল করিম শেখ হাসিনা চাচ্ছে না বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হোক : মেজর হাফিজ ৫৪ বছরে ক্ষমতায় যারা ছিল, তাদের শ্বশুরবাড়ির সম্পদ হু হু করে বেড়েছে:শফিকুর রহমান ৫ দশমিক ৯ মাত্রায় ফের ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থানকারী দলের ইতিহাস বিকৃতিতে জাতি স্তব্ধ: মাহদী আমিন সাপ আর ভারতীয়র দেখা একসঙ্গে পেলে, আগে ভারতীয়কে মারা উচিত: এপস্টেইন নথি ‘আগামীতে এমনও শুনতে হবে জামায়াত দেশের স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল’:সালাহউদ্দিন দায়িত্ব শেষে আমি নাগরিক সমাজের কাজে ফিরে যাবো : শিক্ষা উপদেষ্টা আমেরিকার সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভিয়েতনাম, গোপন নথি ফাঁস পাতানো নির্বাচনের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই, অধিকার আদায়ে জনগণ জীবন দিতে প্রস্তুত: আসিফ মাহমুদ

স্বাধীনতার ৫০ বছরপূর্তির আগেই আন্দোলনে সফল হব: ড. কামাল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরপূর্তির আগেই জনগণ আন্দোলনের মাধ্যমে সফলতা অর্জন করবে।

এ প্রসঙ্গে তিনি কোটা সংস্কার আন্দোলন, নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের উদাহরণ দিয়ে বলেন, এসব আন্দোলনে যেসব তরুণরা সম্পৃক্ত ছিল, সামনের দিনগুলোতে তরুণরা সম্পৃক্ত হয়ে আন্দোলন করবে। সবার আন্দোলনের মাধ্যমেই দেশের জন্য উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নির্মিত হবে।

শনিবার ৮৩তম জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ড. কামাল হোসেন এসব কথা বলেন।

আরামবাস্থ গণফোরামের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংক্ষিপ্ত পরিসরে জন্মদিন পালনের আয়োজন করা হয়। জন্মদিন উপলক্ষে তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন দলের নেতাকর্মীরা। এরপর দলীয় নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে জন্মদিনের কেক কাটেন ড. কামাল হোসেন।

জন্মদিনে আয়োজন শেষে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখতে গিয়ে ড. কামাল হোসেন বলেন, আজকে যে পরিবর্তনের একটা প্রক্রিয়া সবাই চাচ্ছে যে প্রক্রিয়াটা চালু হয়েছে। আমরা আশা করব, আমাদের সেই গঠনমূলক রাজনীতির মধ্য দিয়ে, গঠনমূলক কর্মসূচির ভিত্তিতে যে রাজনীতি দেশে গড়ে উঠছে, তার মধ্য দিয়ে আমাদের এই আকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আমরা আগামীতে আনতে পারব দেশে।

তিনি বলেন, যে পরিবর্তন সবাই চাচ্ছে সেটা হচ্ছে- কার্যকর গণতন্ত্র। জনগণের অংশগ্রহণ থাকবে সর্বস্তরে এবং আমাদের দলকেও সেভাবে জনগণের মাঝে নিয়ে গিয়ে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

ড. কামাল হোসেন বলেন, আমাদের সবচেয়ে বড় কাজ হবে সাংগঠনিক কাজে নিজেদের নিয়োজিত করা, জেলা-থানা-ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগণকে সম্পৃক্ত করে সংগঠন শক্তিশালী করা। এই সংগঠনকে যেন দেশের সব নাগরিক তাদের নিজস্ব সংগঠন মনে করে, সেভাবে একে গড়ে তুলতে হবে। সদস্য সংগ্রহ বাড়াতে হবে। এটা বাড়াতে হবে এই কারণে যে আমরা মনে করি এই দলটি দেশের জাতীয় দল যেখানে সব মহলে প্রতিনিধিত্ব করবে।

তিনি বলেন, এবারো ভালো ভালো লোকজন এগিয়ে এসে আমাদের দলে যোগ দিয়েছেন। তারা যোগদান করছেন এ জন্য যে, আমাদের দল কর্মক্ষম, আমাদের দলের জনপ্রিয়তা বাড়ছে এবং তারা এসে অবদান রাখতে চান।

তিনি আরও বলেন, নতুন ও প্রবীণ আমরা সবাই মিলে এই দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি যাতে এটি শক্তি সংগঠনের পরিণত হয়। শক্তিশালী সংগঠন ছাড়া অর্থপূর্ণ কাজ করা যাবে না, দেশে র্পরিবর্তন আনা যাবে না। শক্তিশালী সংগঠনের মধ্য দিয়ে দেশে পরিবর্তন আসবে বলে আমি মনে করি।

গণফোরাম সভাপতি বলেন,আমরা টাকার বিনিময়ে রাজনীতি করি না। আমরা ধর্মকে কাজে লাগিয়ে রাজনীতি করি না, আমরা অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি করি জনগণের ওপর ভিত্তি করি। এর ওপর ভিত্তি করে দেশের স্বাধীনতা এসেছে। সেই ঐতিহ্যকে সামনে রেখে আমাদের কাজ করতে হবে।

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন মোস্তফা মহসীন মন্টু, মফিজুল ইসলাম খান কামাল, অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, ড. রেজা বিকরিয়া, মেজর জেনারেল (অব.) আমসাআ আমীন, অ্যাডভোকেট এস এম আলতাফ হোসেন, জগলুল হায়দার আফ্রিক, মোহসীন রশীদ, ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল হক, সগীর আনোয়ার, মোশতাক আহমেদ, আইয়ুব খান ফারুক, রফিকুল ইসলাম পথিক, হারুনুর রশীদ তালুকদার, খান সিদ্দিকুর রহমান, মোহাম্মদ রওশন ইয়াজদানী, আব্দুল হাছিব চৌধুরী, জানে আলম, ফরিদা ইয়াছমীন, সেলিম আকবর, আব্দুর রহমান জাহাঙ্গীর।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে গেলে স্বর্ণের দেশে পরিণত হবে’: রেজাউল করিম

স্বাধীনতার ৫০ বছরপূর্তির আগেই আন্দোলনে সফল হব: ড. কামাল

আপডেট সময় ১২:৪১:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০১৯

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরপূর্তির আগেই জনগণ আন্দোলনের মাধ্যমে সফলতা অর্জন করবে।

এ প্রসঙ্গে তিনি কোটা সংস্কার আন্দোলন, নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের উদাহরণ দিয়ে বলেন, এসব আন্দোলনে যেসব তরুণরা সম্পৃক্ত ছিল, সামনের দিনগুলোতে তরুণরা সম্পৃক্ত হয়ে আন্দোলন করবে। সবার আন্দোলনের মাধ্যমেই দেশের জন্য উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নির্মিত হবে।

শনিবার ৮৩তম জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ড. কামাল হোসেন এসব কথা বলেন।

আরামবাস্থ গণফোরামের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংক্ষিপ্ত পরিসরে জন্মদিন পালনের আয়োজন করা হয়। জন্মদিন উপলক্ষে তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন দলের নেতাকর্মীরা। এরপর দলীয় নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে জন্মদিনের কেক কাটেন ড. কামাল হোসেন।

জন্মদিনে আয়োজন শেষে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখতে গিয়ে ড. কামাল হোসেন বলেন, আজকে যে পরিবর্তনের একটা প্রক্রিয়া সবাই চাচ্ছে যে প্রক্রিয়াটা চালু হয়েছে। আমরা আশা করব, আমাদের সেই গঠনমূলক রাজনীতির মধ্য দিয়ে, গঠনমূলক কর্মসূচির ভিত্তিতে যে রাজনীতি দেশে গড়ে উঠছে, তার মধ্য দিয়ে আমাদের এই আকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আমরা আগামীতে আনতে পারব দেশে।

তিনি বলেন, যে পরিবর্তন সবাই চাচ্ছে সেটা হচ্ছে- কার্যকর গণতন্ত্র। জনগণের অংশগ্রহণ থাকবে সর্বস্তরে এবং আমাদের দলকেও সেভাবে জনগণের মাঝে নিয়ে গিয়ে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

ড. কামাল হোসেন বলেন, আমাদের সবচেয়ে বড় কাজ হবে সাংগঠনিক কাজে নিজেদের নিয়োজিত করা, জেলা-থানা-ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগণকে সম্পৃক্ত করে সংগঠন শক্তিশালী করা। এই সংগঠনকে যেন দেশের সব নাগরিক তাদের নিজস্ব সংগঠন মনে করে, সেভাবে একে গড়ে তুলতে হবে। সদস্য সংগ্রহ বাড়াতে হবে। এটা বাড়াতে হবে এই কারণে যে আমরা মনে করি এই দলটি দেশের জাতীয় দল যেখানে সব মহলে প্রতিনিধিত্ব করবে।

তিনি বলেন, এবারো ভালো ভালো লোকজন এগিয়ে এসে আমাদের দলে যোগ দিয়েছেন। তারা যোগদান করছেন এ জন্য যে, আমাদের দল কর্মক্ষম, আমাদের দলের জনপ্রিয়তা বাড়ছে এবং তারা এসে অবদান রাখতে চান।

তিনি আরও বলেন, নতুন ও প্রবীণ আমরা সবাই মিলে এই দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি যাতে এটি শক্তি সংগঠনের পরিণত হয়। শক্তিশালী সংগঠন ছাড়া অর্থপূর্ণ কাজ করা যাবে না, দেশে র্পরিবর্তন আনা যাবে না। শক্তিশালী সংগঠনের মধ্য দিয়ে দেশে পরিবর্তন আসবে বলে আমি মনে করি।

গণফোরাম সভাপতি বলেন,আমরা টাকার বিনিময়ে রাজনীতি করি না। আমরা ধর্মকে কাজে লাগিয়ে রাজনীতি করি না, আমরা অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি করি জনগণের ওপর ভিত্তি করি। এর ওপর ভিত্তি করে দেশের স্বাধীনতা এসেছে। সেই ঐতিহ্যকে সামনে রেখে আমাদের কাজ করতে হবে।

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন মোস্তফা মহসীন মন্টু, মফিজুল ইসলাম খান কামাল, অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, ড. রেজা বিকরিয়া, মেজর জেনারেল (অব.) আমসাআ আমীন, অ্যাডভোকেট এস এম আলতাফ হোসেন, জগলুল হায়দার আফ্রিক, মোহসীন রশীদ, ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল হক, সগীর আনোয়ার, মোশতাক আহমেদ, আইয়ুব খান ফারুক, রফিকুল ইসলাম পথিক, হারুনুর রশীদ তালুকদার, খান সিদ্দিকুর রহমান, মোহাম্মদ রওশন ইয়াজদানী, আব্দুল হাছিব চৌধুরী, জানে আলম, ফরিদা ইয়াছমীন, সেলিম আকবর, আব্দুর রহমান জাহাঙ্গীর।