অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
চট্টগ্রামে একজন সরকারি কর্মচারীর অনুকূলে বরাদ্দ করা বাসা চার মাস ধরে জোরপূর্বক দখলে রাখেন আরেকজন সরকারি কর্মচারী। কিন্তু দুদকের হটলাইনে (১০৬ নম্বর) একটি ফোনে সেই বাসাটি উদ্ধার হলো।
দখলদার কর্মচারীর নাম ফারুক উল আলম। তিনি চট্টগ্রাম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-৩ এর স্টেনোগ্রাফার।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জজশিপ কর্মচারী হওয়ার দাপটে সরকারি আদেশ প্রতিপালনের পরিবর্তে তিনি উল্টো নতুনভাবে বাসা বরাদ্দ পাওয়া আরেক কর্মচারীকে ভয়ভীতির মধ্যেই রেখেছিলেন। বুধবার দুদকের একটি টিম ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে আবাসন পরিদফতরে ওই বাসা উদ্ধারে আসার খবর পাওয়ার পর ‘দাপুটে’ সেই কর্মচারী বাসা থেকে মালামাল সরিয়ে নেন।
তবে চার মাস ধরে বাসাটি জবরদখল করে রাখায় তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান দুদক সূত্র।
দুদক জানায়, চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ গেজেটেড অফিসার্স কলোনির ১/১ বাসাটি একজন সরকারি কর্মকর্তার অনুকূলে বরাদ্দ করা হয় চার মাস আগে। কিন্তু ওই বাসায় পূর্ব থেকে অবস্থানরত জজশিপ কর্মচারী ফারুক উল আলম বাসাটি ছাড়ছিলেন না। জোরপূর্বক দখলে রাখেন।
দুদকের হটলাইনে তারা এমন অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত করে সত্যতা নিশ্চিত হয়। বুধবার দুদকের একটি টিম ঢাকা থেকে আবাসন পরিদফতরে এসে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর অবৈধ দখল থেকে এক ঘণ্টার মধ্যে বাসাটি উদ্ধারের নির্দেশ দেন সংশ্লিষ্টদের। অন্যথায় বাসা থেকে উচ্ছেদ করা হবে বলে হুশিয়ার করা হয়। দুদকের এমন হুশিয়ারি পাওয়ার পর ফারুক উল আলম এক ঘণ্টার মধ্যেই বাসা থেকে মালপত্র সরিয়ে নিয়ে বাসাটির দখল ছেড়ে দেন।
এ প্রসঙ্গে দুদকের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী বুধবার সন্ধ্যায় যুগান্তরকে বলেন, ‘সরকারি কর্মচারিদের এ ধরনের আচরণ অন্যায়, অনৈতিক ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। যতদিন এ বাসাটি অবৈধ দখলে রাখা হয়েছে তত দিনের সরকারি রাজস্ব আদায় করা হবে। পাশাপাশি অবৈধ দখলদার সেই সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। ’
আকাশ নিউজ ডেস্ক 




















