ঢাকা ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে গেলে স্বর্ণের দেশে পরিণত হবে’: রেজাউল করিম শেখ হাসিনা চাচ্ছে না বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হোক : মেজর হাফিজ ৫৪ বছরে ক্ষমতায় যারা ছিল, তাদের শ্বশুরবাড়ির সম্পদ হু হু করে বেড়েছে:শফিকুর রহমান ৫ দশমিক ৯ মাত্রায় ফের ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থানকারী দলের ইতিহাস বিকৃতিতে জাতি স্তব্ধ: মাহদী আমিন সাপ আর ভারতীয়র দেখা একসঙ্গে পেলে, আগে ভারতীয়কে মারা উচিত: এপস্টেইন নথি ‘আগামীতে এমনও শুনতে হবে জামায়াত দেশের স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল’:সালাহউদ্দিন দায়িত্ব শেষে আমি নাগরিক সমাজের কাজে ফিরে যাবো : শিক্ষা উপদেষ্টা আমেরিকার সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভিয়েতনাম, গোপন নথি ফাঁস পাতানো নির্বাচনের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই, অধিকার আদায়ে জনগণ জীবন দিতে প্রস্তুত: আসিফ মাহমুদ

বিএনপি প্রার্থী মুন্নীর দণ্ড স্থগিত, নির্বাচনে বাধা নেই

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনের বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সাবিরা সুলতানা মুন্নীর দণ্ড ও সাজা স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে আদালত বলেছেন, আপিল চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দণ্ড বা সাজা (সেন্টেন্স অ্যান্ড কনভিকশন) চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে না। নিম্ন আদালতের দেয়া দণ্ড ও সাজা স্থগিতের ক্ষমতা হাইকোর্টের রয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মোহাম্মদ রইচ উদ্দিনের একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এ আদেশের ফলে একাদশ সংসদ নির্বাচনে সাবিরা সুলতানার প্রার্থী হতে আর আইনি কোন বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী।

তবে অ্যাটর্নি জেনারেল হাইকোর্টের এ আদেশটি সংবিধান পরিপন্থী উল্লেখ করে এর বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছেন।

আর দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেছেন, হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে তারা আগামি রোববার আপিল বিভাগে সিএমপি আবেদন করবেন।

আদেশের পর মুন্নীর আইনজীবী এম. আমিনুল ইসলাম বলেন, আদালত বলেছেন, ‘নিম্ন আদালতের দেয়া দণ্ড ও সাজা স্থগিতের ক্ষমতা হাইকোর্টের রয়েছে। আপিল চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দণ্ড বা সাজা (সেন্টেন্স অ্যান্ড কনভিকশন) চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে না।’

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় মুন্নীকে ছয় বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল ঢাকার একটি বিশেষ আদালত। গত ১৭ জুলাই ওই আদালতে আত্মসমর্পণ করে আপিলের শর্তে জামিনের আবেদন করেন তিনি। আদালত শুনানি শেষে জামিনের আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর এ মামলায় গত ৬ আগষ্ট তিনি হাইকোর্ট থেকে জামিন নেন।

পরবর্তীতে মুন্নী তার দণ্ড ও সাজা স্থগিত চেয়ে আবেদন করলে শুনানিতে অপারগতা প্রকাশ করেন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। পরে নিয়ম অনুসারে মামলাটি শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে যায়। তিনি মামলাটি বিচারপতি মোহাম্মদ রইচ উদ্দিনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার এ মামলার শুনানি নিয়ে সাবিরা সুলতানার দণ্ড ও সাজা স্থগিত করেন হাইকোর্ট।

আদালতে সাবিরা সুলতানা মুন্নীর পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী, অ্যাডভোকেট এম আমিনুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট ফারুক হোসেন প্রমুখ। দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এ বি এম বায়েজিদ।

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ একই রকম মামলার আদেশে বলেছিলেন, নির্বাচনের উদ্দেশে কেউ দণ্ড বা সাজা স্থগিত করার পর নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। এরপর সেই আদেশের বিরুদ্ধে এক বিএনপি পন্থী নেতা আপিল করেন। পরে সেই আবেদনে আপিল বিভাগ থেকে কোনো আদেশ দেননি। ফলে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ বাহালই রইলো আপিল বিভাগে।’

তিনি বলেন, এর একদিন পর বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের একটি একক বেঞ্চ বললেন, দণ্ডিত ব্যক্তির সাজা হাইকোর্টে স্থগিত হলে দণ্ডিতরা নির্বাচন করতে পারবেন। তাহলে তো এটা পূর্বের আরেকটি হাইকোর্ট বেঞ্চের বিপরীতধর্মী আদেশ হলো। ফলে হাইকোর্টের আজকের আদেশটি সংবিধান পরিপন্থী। তাই এ আদেশের বিরুদ্ধে আমরা আপিলে যাব।

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আরো বলেন, যে কোনো বিচারক তার মতামত প্রকাশ করতে পারেন। কিন্তু সবার উপরে আমাদের সংবিধান। আমাদের বিচারকরা বিচার করেন সাংবিধানিক বিধি মেনে নিয়ে। আমাদের সংবিধানের স্পষ্ট আছে দুই বছরের অধিক সাজাপ্রাপ্ত হলে এবং নৈতিক স্খলনজনিত কারণে এই সাজা হলে ওই ব্যক্তি নির্বাচন করতে পারবে না। আর ইতোমধ্যে তিনি যদি মুক্তি লাভও করেন তবুও তাকে ৫ বছর অপেক্ষা করতে হবে। সংবিধান দেশের সর্বোচ্চ আইন। কাজেই এই আইনের পরিপন্থী যদি কোনো আদেশ হয়, অবশ্যই আমরা বিষয়টি আপিল বিভাগের দৃষ্টিতে আনব।

প্রসঙ্গত, বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ মঙ্গলবার এক আদেশে বলেন, ফৌজদারি মামলায় দুই বছর বা এর অধিক দণ্ড মাথায় নিয়ে দণ্ডিতদের নির্বাচনে অংশগ্রহনের ক্ষেত্রে আইনগত বাধা রয়েছে। সংবিধানের ৬৬(২)(ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিম্ন আদালতের দেয়া ওই দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল বিচারাধীন থাকলেও আপিলকারী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। কারন দণ্ড মাথায় নিয়ে নির্বাচন করার বিষয়টি সংবিধান অনুমোদন করে না। এটা সংবিধানের মূল চেতনারও পরিপন্থী। বিএনপি নেতা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী আমানউল্লাহ আমান, সাবেক এমপি আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, মো. মশিউর রহমান ও মো. আব্দুল ওহাব এবং ড্যাব নেতা ডা. এ. জেড.এম. জাহিদ হোসেনের সাজা স্থগিতের আবেদন খারিজ করে এ অভিমত দেন হাইকোর্ট।

পরে এ আদেশ বহাল রাখেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ। এর একদিন পর হাইকোর্টের একটি একক বেঞ্চ ভিন্ন অভিমত দিলেন। উল্লেখ্য, সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত যশোর জেলা বিএনপির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল ইসলামের সহধর্মিণী সাবিরা সুলতানা মুন্নী গত বুধবার যশোর-২ ঝিকরগাছা-চৌগাছা আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে গেলে স্বর্ণের দেশে পরিণত হবে’: রেজাউল করিম

বিএনপি প্রার্থী মুন্নীর দণ্ড স্থগিত, নির্বাচনে বাধা নেই

আপডেট সময় ১০:৫৩:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনের বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সাবিরা সুলতানা মুন্নীর দণ্ড ও সাজা স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে আদালত বলেছেন, আপিল চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দণ্ড বা সাজা (সেন্টেন্স অ্যান্ড কনভিকশন) চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে না। নিম্ন আদালতের দেয়া দণ্ড ও সাজা স্থগিতের ক্ষমতা হাইকোর্টের রয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মোহাম্মদ রইচ উদ্দিনের একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এ আদেশের ফলে একাদশ সংসদ নির্বাচনে সাবিরা সুলতানার প্রার্থী হতে আর আইনি কোন বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী।

তবে অ্যাটর্নি জেনারেল হাইকোর্টের এ আদেশটি সংবিধান পরিপন্থী উল্লেখ করে এর বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছেন।

আর দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেছেন, হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে তারা আগামি রোববার আপিল বিভাগে সিএমপি আবেদন করবেন।

আদেশের পর মুন্নীর আইনজীবী এম. আমিনুল ইসলাম বলেন, আদালত বলেছেন, ‘নিম্ন আদালতের দেয়া দণ্ড ও সাজা স্থগিতের ক্ষমতা হাইকোর্টের রয়েছে। আপিল চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দণ্ড বা সাজা (সেন্টেন্স অ্যান্ড কনভিকশন) চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে না।’

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় মুন্নীকে ছয় বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল ঢাকার একটি বিশেষ আদালত। গত ১৭ জুলাই ওই আদালতে আত্মসমর্পণ করে আপিলের শর্তে জামিনের আবেদন করেন তিনি। আদালত শুনানি শেষে জামিনের আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর এ মামলায় গত ৬ আগষ্ট তিনি হাইকোর্ট থেকে জামিন নেন।

পরবর্তীতে মুন্নী তার দণ্ড ও সাজা স্থগিত চেয়ে আবেদন করলে শুনানিতে অপারগতা প্রকাশ করেন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। পরে নিয়ম অনুসারে মামলাটি শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে যায়। তিনি মামলাটি বিচারপতি মোহাম্মদ রইচ উদ্দিনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার এ মামলার শুনানি নিয়ে সাবিরা সুলতানার দণ্ড ও সাজা স্থগিত করেন হাইকোর্ট।

আদালতে সাবিরা সুলতানা মুন্নীর পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী, অ্যাডভোকেট এম আমিনুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট ফারুক হোসেন প্রমুখ। দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এ বি এম বায়েজিদ।

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ একই রকম মামলার আদেশে বলেছিলেন, নির্বাচনের উদ্দেশে কেউ দণ্ড বা সাজা স্থগিত করার পর নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। এরপর সেই আদেশের বিরুদ্ধে এক বিএনপি পন্থী নেতা আপিল করেন। পরে সেই আবেদনে আপিল বিভাগ থেকে কোনো আদেশ দেননি। ফলে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ বাহালই রইলো আপিল বিভাগে।’

তিনি বলেন, এর একদিন পর বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের একটি একক বেঞ্চ বললেন, দণ্ডিত ব্যক্তির সাজা হাইকোর্টে স্থগিত হলে দণ্ডিতরা নির্বাচন করতে পারবেন। তাহলে তো এটা পূর্বের আরেকটি হাইকোর্ট বেঞ্চের বিপরীতধর্মী আদেশ হলো। ফলে হাইকোর্টের আজকের আদেশটি সংবিধান পরিপন্থী। তাই এ আদেশের বিরুদ্ধে আমরা আপিলে যাব।

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আরো বলেন, যে কোনো বিচারক তার মতামত প্রকাশ করতে পারেন। কিন্তু সবার উপরে আমাদের সংবিধান। আমাদের বিচারকরা বিচার করেন সাংবিধানিক বিধি মেনে নিয়ে। আমাদের সংবিধানের স্পষ্ট আছে দুই বছরের অধিক সাজাপ্রাপ্ত হলে এবং নৈতিক স্খলনজনিত কারণে এই সাজা হলে ওই ব্যক্তি নির্বাচন করতে পারবে না। আর ইতোমধ্যে তিনি যদি মুক্তি লাভও করেন তবুও তাকে ৫ বছর অপেক্ষা করতে হবে। সংবিধান দেশের সর্বোচ্চ আইন। কাজেই এই আইনের পরিপন্থী যদি কোনো আদেশ হয়, অবশ্যই আমরা বিষয়টি আপিল বিভাগের দৃষ্টিতে আনব।

প্রসঙ্গত, বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ মঙ্গলবার এক আদেশে বলেন, ফৌজদারি মামলায় দুই বছর বা এর অধিক দণ্ড মাথায় নিয়ে দণ্ডিতদের নির্বাচনে অংশগ্রহনের ক্ষেত্রে আইনগত বাধা রয়েছে। সংবিধানের ৬৬(২)(ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিম্ন আদালতের দেয়া ওই দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল বিচারাধীন থাকলেও আপিলকারী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। কারন দণ্ড মাথায় নিয়ে নির্বাচন করার বিষয়টি সংবিধান অনুমোদন করে না। এটা সংবিধানের মূল চেতনারও পরিপন্থী। বিএনপি নেতা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী আমানউল্লাহ আমান, সাবেক এমপি আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, মো. মশিউর রহমান ও মো. আব্দুল ওহাব এবং ড্যাব নেতা ডা. এ. জেড.এম. জাহিদ হোসেনের সাজা স্থগিতের আবেদন খারিজ করে এ অভিমত দেন হাইকোর্ট।

পরে এ আদেশ বহাল রাখেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ। এর একদিন পর হাইকোর্টের একটি একক বেঞ্চ ভিন্ন অভিমত দিলেন। উল্লেখ্য, সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত যশোর জেলা বিএনপির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল ইসলামের সহধর্মিণী সাবিরা সুলতানা মুন্নী গত বুধবার যশোর-২ ঝিকরগাছা-চৌগাছা আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।