ঢাকা ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৭ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৯৫, আহত ১১ হাজার: এইচআরএসএসের প্রতিবেদন ক্ষমতায় এলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে দেবে জামায়াত: মিন্টু অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে মাঠ পর্যায় পরিদর্শনে নৌবাহিনী প্রধান জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক আমরা বসন্তের কোকিল নই, জুলুম-নির্যাতনের পরও দেশ ছাড়িনি: শফিকুর রহমান ‘শুধু একদিন আমার হাঁসটাকে পাহারা দেন, নির্বাচিত হলে ৫ বছর আপনাদেরকে পাহারা দেব’:রুমিন ফারহানা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ রুখতে ছাত্র-জনতাকে রাজপথে থাকতে হবে: মামুনুল হক সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য জনমুখী নীতিমালার আহ্বান বাংলাদেশের অনলাইন গেমে আসক্তি, নবম তলা থেকে লাফিয়ে তিন বোনের আত্মহত্যা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ধানের শীষে ভোট চাইলেন যুবলীগ নেতা

মাঝ আকাশে পাইলটরা দেখল রহস্যময়ী ‘যান’!

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আয়ারল্যান্ডের আকাশে বিমান নিয়ে যাচ্ছিলেন পাইলটরা। তাদের কেউ দেখেছেন গোটা আকাশে তীব্র আলোর জ্যোতি ছড়িয়ে দিয়েছিল এক ভয়ঙ্কর গতির ‘যান’, যা শব্দের চেয়েও বেশি গতির সুপারসনিক বিমানের চেয়েও দ্রুত গতির ‘যান’। তাদের ভাষায় এমন ‘যান’ তারা আগে কখনো দেখেননি।

বিজ্ঞানের পরিভাষায় যাকে বলা হয় ‘আনআইডেন্টিফায়েড ফ্লাইং অবজেক্ট’ (ইউএফও)। বিভিন্ন মাধ্যমের খবরে, অন্তত চারজন পাইলট ওই অঞ্চল দিয়ে বিমান ওড়ার সময় সেই অদ্ভুত বস্তু দেখেছেন। এ ঘটনায় ইতিমধ্যেই সরকার থেকে বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবরও শুরু হয়েছে। আর এতে বসে নেই বিজ্ঞানীরাও।

বলা হচ্ছে চারজন পাইলটই দেখেছেন, প্রচণ্ড গতি ও তীব্র আলোয় গোটা আকাশ আলোকিত হয়েছিল। এদিকে একটি বেসরকারি সংস্থার মন্ট্রিয়ল থেকে লন্ডনগামী এক বিমানের চালক বলেছেন, ‘প্রথমে আমাদের বিমানের বাঁ দিকে প্রচণ্ড আলোর ঝলকানি দেখলাম। মুহূর্তের মধ্যেই আবার অদৃশ্য হয়ে গেল।’

অন্য এক পাইলট বলেছেন, ‘সুপারসনিক বিমানের গতির চেয়েও বেশি ছিল গতি। আর আলো এতটাই জোরালো যে, ওরকম আলো দেখা যায়নি।’

সুপারসনিক গতির হলো বস্তুর গতি শব্দের চেয়ে বেশি হলে তাকে বলা হয় সুপারসনিক গতি। মার্কিন সামরিক বাহিনীতে সর্বোচ্চ গতিবেগের যে যুদ্ধবিমান রয়েছে, তার গতি শব্দের চেয়ে প্রায় আড়াই গুণ বেশি। একজন পাইলটের বক্তব্য, ওই যুদ্ধবিমানের চেয়েও বেশি ছিল গতি।

তবে এনিয়ে আগ্রহের কোনো কমতি নেই দেশটিতে। তাদের কেউ কেউ বলছে, সামরিক মহড়ার কারণে তীব্র আলো বা দ্রুতগামী যান দেখা যেতে পারে। তবে প্রাথমিক তদন্তে সেনা বাহিনীর সঙ্গে কথা বলে সেই সম্ভাবনা বাতিল করে দিয়েছে আয়ারল্যান্ড সরকার।

তবে কেউ কেউ ধারণা করছে, উল্কাপাতের কারণেও অনেক সময় তীব্র আলো দেখা যেতে পারে। তবে সাধারণত বায়ুমণ্ডলের এত নিচের স্তরে উল্কার আলো এত তীব্র থাকে না। তবে সম্ভাবনা এখনও বাতিল হয়নি। সব মিলিয়ে জল্পনা বেড়েই চলেছে। ঘণীভূত হচ্ছে রহস্য।

এর আগেও আকাশে এমন অদ্ভুত যানের দেখা মিলেছে বলে অনেকেই দাবি করেছিলেন। মাঝে মধ্যেই নাকি এমন রহস্যময়ী যান আকাশে দেখা যায়। তবে বিজ্ঞানীরা এর কোনো রহস্যভেদ করতে পারেনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১৭ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৯৫, আহত ১১ হাজার: এইচআরএসএসের প্রতিবেদন

মাঝ আকাশে পাইলটরা দেখল রহস্যময়ী ‘যান’!

আপডেট সময় ১১:২৮:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আয়ারল্যান্ডের আকাশে বিমান নিয়ে যাচ্ছিলেন পাইলটরা। তাদের কেউ দেখেছেন গোটা আকাশে তীব্র আলোর জ্যোতি ছড়িয়ে দিয়েছিল এক ভয়ঙ্কর গতির ‘যান’, যা শব্দের চেয়েও বেশি গতির সুপারসনিক বিমানের চেয়েও দ্রুত গতির ‘যান’। তাদের ভাষায় এমন ‘যান’ তারা আগে কখনো দেখেননি।

বিজ্ঞানের পরিভাষায় যাকে বলা হয় ‘আনআইডেন্টিফায়েড ফ্লাইং অবজেক্ট’ (ইউএফও)। বিভিন্ন মাধ্যমের খবরে, অন্তত চারজন পাইলট ওই অঞ্চল দিয়ে বিমান ওড়ার সময় সেই অদ্ভুত বস্তু দেখেছেন। এ ঘটনায় ইতিমধ্যেই সরকার থেকে বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবরও শুরু হয়েছে। আর এতে বসে নেই বিজ্ঞানীরাও।

বলা হচ্ছে চারজন পাইলটই দেখেছেন, প্রচণ্ড গতি ও তীব্র আলোয় গোটা আকাশ আলোকিত হয়েছিল। এদিকে একটি বেসরকারি সংস্থার মন্ট্রিয়ল থেকে লন্ডনগামী এক বিমানের চালক বলেছেন, ‘প্রথমে আমাদের বিমানের বাঁ দিকে প্রচণ্ড আলোর ঝলকানি দেখলাম। মুহূর্তের মধ্যেই আবার অদৃশ্য হয়ে গেল।’

অন্য এক পাইলট বলেছেন, ‘সুপারসনিক বিমানের গতির চেয়েও বেশি ছিল গতি। আর আলো এতটাই জোরালো যে, ওরকম আলো দেখা যায়নি।’

সুপারসনিক গতির হলো বস্তুর গতি শব্দের চেয়ে বেশি হলে তাকে বলা হয় সুপারসনিক গতি। মার্কিন সামরিক বাহিনীতে সর্বোচ্চ গতিবেগের যে যুদ্ধবিমান রয়েছে, তার গতি শব্দের চেয়ে প্রায় আড়াই গুণ বেশি। একজন পাইলটের বক্তব্য, ওই যুদ্ধবিমানের চেয়েও বেশি ছিল গতি।

তবে এনিয়ে আগ্রহের কোনো কমতি নেই দেশটিতে। তাদের কেউ কেউ বলছে, সামরিক মহড়ার কারণে তীব্র আলো বা দ্রুতগামী যান দেখা যেতে পারে। তবে প্রাথমিক তদন্তে সেনা বাহিনীর সঙ্গে কথা বলে সেই সম্ভাবনা বাতিল করে দিয়েছে আয়ারল্যান্ড সরকার।

তবে কেউ কেউ ধারণা করছে, উল্কাপাতের কারণেও অনেক সময় তীব্র আলো দেখা যেতে পারে। তবে সাধারণত বায়ুমণ্ডলের এত নিচের স্তরে উল্কার আলো এত তীব্র থাকে না। তবে সম্ভাবনা এখনও বাতিল হয়নি। সব মিলিয়ে জল্পনা বেড়েই চলেছে। ঘণীভূত হচ্ছে রহস্য।

এর আগেও আকাশে এমন অদ্ভুত যানের দেখা মিলেছে বলে অনেকেই দাবি করেছিলেন। মাঝে মধ্যেই নাকি এমন রহস্যময়ী যান আকাশে দেখা যায়। তবে বিজ্ঞানীরা এর কোনো রহস্যভেদ করতে পারেনি।