ঢাকা ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৭ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৯৫, আহত ১১ হাজার: এইচআরএসএসের প্রতিবেদন ক্ষমতায় এলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে দেবে জামায়াত: মিন্টু অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে মাঠ পর্যায় পরিদর্শনে নৌবাহিনী প্রধান জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক আমরা বসন্তের কোকিল নই, জুলুম-নির্যাতনের পরও দেশ ছাড়িনি: শফিকুর রহমান ‘শুধু একদিন আমার হাঁসটাকে পাহারা দেন, নির্বাচিত হলে ৫ বছর আপনাদেরকে পাহারা দেব’:রুমিন ফারহানা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ রুখতে ছাত্র-জনতাকে রাজপথে থাকতে হবে: মামুনুল হক সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য জনমুখী নীতিমালার আহ্বান বাংলাদেশের অনলাইন গেমে আসক্তি, নবম তলা থেকে লাফিয়ে তিন বোনের আত্মহত্যা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ধানের শীষে ভোট চাইলেন যুবলীগ নেতা

পার্লামেন্টে রাজাপাকসের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পাস

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

শ্রীলংকার মাহিন্দা রাজাপাকসে সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পাস করেছে দেশটির পার্লামেন্ট। গত ২৬ অক্টোবর প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা তাকে প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহের স্থলাভিষিক্ত করেছেন।

পার্লামেন্টের ২২৫ সদস্য রাজাপাকসের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে সায় দিয়েছেন বলে ঘোষণা করেছেন স্পিকার খারু জয়সুরিয়া।

স্পিকার বলেন, কণ্ঠভোট অনুসারে সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। এ সময় রাজাপাকসের সমর্থকরা প্রতিবাদ করেন।

এর পর জয়সুরিয়া বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত পার্লামেন্টের কার্যক্রম স্থগিত করেন।

বিক্রমাসিংহের ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টির(ইউএনপি) উপনেতা সাজিত প্রেমাদাসা পরবর্তী সময় সাংবাদিকদের বলেন, পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে রাজাপাকসে। তাকে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে।

এর আগে সিরিসেনার পার্লামেন্ট ভেঙে দেয়ার ডিক্রি স্থগিত করেছেন সুপ্রিমকোর্ট। সিরিসেনা গত শুক্রবার পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে ৫ জানুয়ারি আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দেন।

মঙ্গলবার আদালত প্রেসিডেন্টের এ ডিক্রি ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন।

সিরিসেনা গত ২৬ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহেকে বরখাস্ত করে সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসেকে ওই পদে নিয়োগ দেন। আর এর পরই তিনি পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে নির্বাচনের ঘোষণা দেন।

কিন্তু তার এ কর্মকাণ্ড অসাংবিধানিক বলে অভিযোগ ওঠে। বিক্রমাসিংহে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়তে অস্বীকৃতি জানান।

ইউএনপি প্রেসিডেন্টের পদক্ষেপকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে এর বিরুদ্ধে আদালতে পিটিশন করে। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় অন্যান্য কয়েকটি রাজনৈতিক দলও।

দলগুলো সুপ্রিমকোর্টের কাছে প্রেসিডেন্টের আদেশ অবৈধ ঘোষণা করার আবেদন করে।

সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তিন বিচারকের বেঞ্চ সিরিসেনার আদেশ রহিত করেছে। আদালতের রায়ে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনও স্থগিত হল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১৭ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৯৫, আহত ১১ হাজার: এইচআরএসএসের প্রতিবেদন

পার্লামেন্টে রাজাপাকসের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পাস

আপডেট সময় ০২:৩৪:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

শ্রীলংকার মাহিন্দা রাজাপাকসে সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পাস করেছে দেশটির পার্লামেন্ট। গত ২৬ অক্টোবর প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা তাকে প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহের স্থলাভিষিক্ত করেছেন।

পার্লামেন্টের ২২৫ সদস্য রাজাপাকসের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে সায় দিয়েছেন বলে ঘোষণা করেছেন স্পিকার খারু জয়সুরিয়া।

স্পিকার বলেন, কণ্ঠভোট অনুসারে সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। এ সময় রাজাপাকসের সমর্থকরা প্রতিবাদ করেন।

এর পর জয়সুরিয়া বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত পার্লামেন্টের কার্যক্রম স্থগিত করেন।

বিক্রমাসিংহের ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টির(ইউএনপি) উপনেতা সাজিত প্রেমাদাসা পরবর্তী সময় সাংবাদিকদের বলেন, পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে রাজাপাকসে। তাকে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে।

এর আগে সিরিসেনার পার্লামেন্ট ভেঙে দেয়ার ডিক্রি স্থগিত করেছেন সুপ্রিমকোর্ট। সিরিসেনা গত শুক্রবার পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে ৫ জানুয়ারি আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দেন।

মঙ্গলবার আদালত প্রেসিডেন্টের এ ডিক্রি ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন।

সিরিসেনা গত ২৬ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহেকে বরখাস্ত করে সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসেকে ওই পদে নিয়োগ দেন। আর এর পরই তিনি পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে নির্বাচনের ঘোষণা দেন।

কিন্তু তার এ কর্মকাণ্ড অসাংবিধানিক বলে অভিযোগ ওঠে। বিক্রমাসিংহে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়তে অস্বীকৃতি জানান।

ইউএনপি প্রেসিডেন্টের পদক্ষেপকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে এর বিরুদ্ধে আদালতে পিটিশন করে। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় অন্যান্য কয়েকটি রাজনৈতিক দলও।

দলগুলো সুপ্রিমকোর্টের কাছে প্রেসিডেন্টের আদেশ অবৈধ ঘোষণা করার আবেদন করে।

সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তিন বিচারকের বেঞ্চ সিরিসেনার আদেশ রহিত করেছে। আদালতের রায়ে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনও স্থগিত হল।