ঢাকা ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৭ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৯৫, আহত ১১ হাজার: এইচআরএসএসের প্রতিবেদন ক্ষমতায় এলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে দেবে জামায়াত: মিন্টু অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে মাঠ পর্যায় পরিদর্শনে নৌবাহিনী প্রধান জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক আমরা বসন্তের কোকিল নই, জুলুম-নির্যাতনের পরও দেশ ছাড়িনি: শফিকুর রহমান ‘শুধু একদিন আমার হাঁসটাকে পাহারা দেন, নির্বাচিত হলে ৫ বছর আপনাদেরকে পাহারা দেব’:রুমিন ফারহানা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ রুখতে ছাত্র-জনতাকে রাজপথে থাকতে হবে: মামুনুল হক সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য জনমুখী নীতিমালার আহ্বান বাংলাদেশের অনলাইন গেমে আসক্তি, নবম তলা থেকে লাফিয়ে তিন বোনের আত্মহত্যা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ধানের শীষে ভোট চাইলেন যুবলীগ নেতা

ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশস্থলে আ’লীগের শোডাউন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিভাগীয় মহাসমাবেশের সামনে দিয়ে বিশাল শোডাউন করেছে মহানগর আওয়ামী লীগ।

শুক্রবার দুপুর পৌনে ২ টার দিকে ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে ঐক্যফ্রন্টের মহাসমাবেশ শুরু হয়।

সমাবেশ শুরুর পরই সমাবেশস্থলের সামনে দিয়ে শোডাউন দেয় আওয়ামী লীগ।

নগরীর দরগাপাড়া থেকে মিছিলটি বের হয়ে মাদ্রাসা ময়দানের সামনের সড়ক হয়ে ফায়ার সার্ভিস মোড় ঘুরে দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।

শোডাউনে নেতৃত্ব দেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন।

মিছিলে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

এর আগে রাজশাহীর শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে এবং বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত নগরীর সাহেববাজার বড় সমজিদের সামনে অবস্থান নেন মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

পরে দলীয় নেতাকর্মী সঙ্গে নিয়েই দরগা মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন।

পরে তিনি সেখান থেকেই মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলের সামনের সড়ক হয়ে শোডাউন দেন।

এর আগে অবস্থানকালে খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ঐক্যফ্রন্ট সমাবেশ করতেই পারেন। এগুলোতে আমাদের কোনো বাধা নেই। আমরা জানতে পেরেছি, তাদের কতিপয় নেতা পরিকল্পনা করছেন, তারা এখান থেকে এমন একটা কিছু করতে চান, যার মাধ্যমে আন্দোলন বেগবান করতে পারেন, নির্বাচন পেছাতে পারেন। তারা বিশৃঙ্খলা বা অরাজকতার মাধ্যমে শান্তির শহর রাজশাহীকে অশান্ত করবে এটা আমরা হতে দিতে পারি না। এটি প্রতিরোধ করার জন্যই আমরা অবস্থান নিয়েছি।

তিনি বলেন, ঐক্যফ্রন্টের সভার আগের, মধ্যবর্তী অথবা ফেরত যাওয়ার সময় কেউ যদি বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করে সঙ্গে সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে খবর দিতে হবে। জনগণের জান-মাল রক্ষা করার দায়িত্ব অবশ্যই আমাদেরও আছে। আমরা সেটি পালন করতে চাই। আমরা আগ বাড়িয়ে কিছু করতে চাই না। তবে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে প্রতিরোধ করা হবে।

লিটন বলেন, আমাদের নেতাকর্মীরা সন্ধ্যা পর্যন্ত নিজ নিজ এলাকায় সর্তক অবস্থানে থাকবেন। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে দেয়া হবে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১৭ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৯৫, আহত ১১ হাজার: এইচআরএসএসের প্রতিবেদন

ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশস্থলে আ’লীগের শোডাউন

আপডেট সময় ০৬:৫১:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিভাগীয় মহাসমাবেশের সামনে দিয়ে বিশাল শোডাউন করেছে মহানগর আওয়ামী লীগ।

শুক্রবার দুপুর পৌনে ২ টার দিকে ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে ঐক্যফ্রন্টের মহাসমাবেশ শুরু হয়।

সমাবেশ শুরুর পরই সমাবেশস্থলের সামনে দিয়ে শোডাউন দেয় আওয়ামী লীগ।

নগরীর দরগাপাড়া থেকে মিছিলটি বের হয়ে মাদ্রাসা ময়দানের সামনের সড়ক হয়ে ফায়ার সার্ভিস মোড় ঘুরে দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।

শোডাউনে নেতৃত্ব দেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন।

মিছিলে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

এর আগে রাজশাহীর শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে এবং বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত নগরীর সাহেববাজার বড় সমজিদের সামনে অবস্থান নেন মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

পরে দলীয় নেতাকর্মী সঙ্গে নিয়েই দরগা মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন।

পরে তিনি সেখান থেকেই মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলের সামনের সড়ক হয়ে শোডাউন দেন।

এর আগে অবস্থানকালে খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ঐক্যফ্রন্ট সমাবেশ করতেই পারেন। এগুলোতে আমাদের কোনো বাধা নেই। আমরা জানতে পেরেছি, তাদের কতিপয় নেতা পরিকল্পনা করছেন, তারা এখান থেকে এমন একটা কিছু করতে চান, যার মাধ্যমে আন্দোলন বেগবান করতে পারেন, নির্বাচন পেছাতে পারেন। তারা বিশৃঙ্খলা বা অরাজকতার মাধ্যমে শান্তির শহর রাজশাহীকে অশান্ত করবে এটা আমরা হতে দিতে পারি না। এটি প্রতিরোধ করার জন্যই আমরা অবস্থান নিয়েছি।

তিনি বলেন, ঐক্যফ্রন্টের সভার আগের, মধ্যবর্তী অথবা ফেরত যাওয়ার সময় কেউ যদি বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করে সঙ্গে সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে খবর দিতে হবে। জনগণের জান-মাল রক্ষা করার দায়িত্ব অবশ্যই আমাদেরও আছে। আমরা সেটি পালন করতে চাই। আমরা আগ বাড়িয়ে কিছু করতে চাই না। তবে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে প্রতিরোধ করা হবে।

লিটন বলেন, আমাদের নেতাকর্মীরা সন্ধ্যা পর্যন্ত নিজ নিজ এলাকায় সর্তক অবস্থানে থাকবেন। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে দেয়া হবে না।